ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন দেখছে বগুড়া প্রশাসনের নাকের ডগায় ভুয়া জার্মান ক্লাব বিদেশি ক্লাবের সাইনবোর্ডে রমরমা মাদক ব্যবসা ঢাকা উত্তরে দুই, দক্ষিণে চার নেতা আলোচনায় বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী নয় বছর পর খুলল ওসমানী উদ্যান পদত্যাগের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘সেরা পরামর্শ’ দিয়েছিলেন: ইশরাক ‘ডিআইজির বাড়ি’ বলে অভয় দেওয়া হয় আমন্ত্রিতদের ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুটি নতুন কূপ ম্যাজিস্ট্রেসি ছেড়ে রাজনীতিতে, সালাহউদ্দিনের একাল-সেকাল সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী সাইবার সুরক্ষাসহ গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

খাদিজার সাথে সেলফি তোলা উচিত হয়নি – অপু উকিল

গুরুতর আহত ছাত্রী খাদিজা বেগম ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চিকিৎসাধীন। তাকে দেখতে গতকাল বুধবার হাসপাতালটিতে যান যুব মহিলা লীগের কয়েকজন কর্মী।

 

এদের মধ্যে ছিলেন সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন, যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ অপু উকিল।

 

সেখানে তাদের তোলা একটি সেলফি ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। সেলফিতে সাবিনা আক্তার তুহিন, অপু উকিলসহ আরেকজন নারীকে দেখা যাচ্ছে, পিছনে অচেতন হয়ে হাসপাতালের বেডে দেখা যাচ্ছে খাদিজা বেগমকে। এই ছবিটি বুধবার সাবিনা আক্তার তুহিন তার ফেসবুক পেজে দিলে সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে। শুরু হয় বিতর্ক।

 

সাবিনা আক্তার তুহিন বিবিসি বাংলাকে বলেছেন ছবি সেলফি মনে হলেও এটা সেলফি না। “আমাদের এক ছোট ভাই ছবিটা তোলে” বলছিলেন তিনি।

 

তুহিন বলছিলেন “এটা ভুল হয়েছে। কিন্তু মেয়েটা মারা যায়নি, তার পাশে আমরা আছি এটা বোঝানোর জন্য সরল মনে ছবিটা আপলোড দিয়েছিলাম”।

 

অপু উকিল বিবিসি বাংলাকে বলেছেন এই ধরণের ছবি তোলা একেবারেই যুক্তি-যুক্ত না বলে তিনি মনে করেন।

 

তার কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল মুমূর্ষু একজন মানুষকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে দেখতে যেয়ে ছবি তোলা উচিত হয়েছে কিনা? তিনি বলেন ” ছবি তোলা একেবারেই উচিত না, এই ঘটনার সাথে আমি জড়িত না, আমি ছবি তুলি নি, এবং আপলোড দেয় নি। যারা করছে তাদেরও কোন অশুভ উদ্দেশ্য ছিল না। খাদিজার পাশে দাঁড়ানের জন্যই হয়ত তারা এটা করেছে”।

 

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে সাবিনা আক্তার তুহিন, একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে তার অবস্থান পরিষ্কার করার চেষ্টা করেন। তিনি লিখেছেন “আমার গতকালের স্ট্যাটাসের জন্য যদি আমার কোন ভুল হয়ে থাকে এবং কেউ মর্মাহত হয়ে থাকেন আমি এ ব্যাপারে দু:খিত” ।

 

তিনি দীর্ঘ এই স্ট্যাটাসে আরো লিখেছেন আমাদের ছবি দেয়ার উদ্দেশ্য কেবল আমরা নারী সমাজ খাদিজার পাশে আছি এটা বোঝানোর জন্য আর ও বেঁচে আছে এটা জানানোর জন্য ।আমার স্ট্যাটাসে বদরুলের ফাঁসি চেয়ে নির্মম ঘটনার নিন্দা করে স্ট্যাটাস দেয়া হয়েছে ।আমার যদি ভুল হয়ে থাকে তবে আমি ক্ষমা পার্থী ।আমরা সব নির্যাতিত নারী সমাজের পাশে আছি থাকবো”

 

প্রেম নিবেদনে ব্যর্থ হয়ে সিলেটের এমসি কলেজ প্রাঙ্গণে এই ছাত্রীকে এলোপাতারিভাবে কুপিয়ে আহত করে এক ছাত্রলীগ নেতা। গুরুতর আহত ছাত্রী খাদিজা বেগম ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে এখন চিকিৎসাধীন।-বিবিসি
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন দেখছে বগুড়া

খাদিজার সাথে সেলফি তোলা উচিত হয়নি – অপু উকিল

আপডেট টাইম : ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০১৬
গুরুতর আহত ছাত্রী খাদিজা বেগম ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চিকিৎসাধীন। তাকে দেখতে গতকাল বুধবার হাসপাতালটিতে যান যুব মহিলা লীগের কয়েকজন কর্মী।

 

এদের মধ্যে ছিলেন সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন, যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ অপু উকিল।

 

সেখানে তাদের তোলা একটি সেলফি ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। সেলফিতে সাবিনা আক্তার তুহিন, অপু উকিলসহ আরেকজন নারীকে দেখা যাচ্ছে, পিছনে অচেতন হয়ে হাসপাতালের বেডে দেখা যাচ্ছে খাদিজা বেগমকে। এই ছবিটি বুধবার সাবিনা আক্তার তুহিন তার ফেসবুক পেজে দিলে সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে। শুরু হয় বিতর্ক।

 

সাবিনা আক্তার তুহিন বিবিসি বাংলাকে বলেছেন ছবি সেলফি মনে হলেও এটা সেলফি না। “আমাদের এক ছোট ভাই ছবিটা তোলে” বলছিলেন তিনি।

 

তুহিন বলছিলেন “এটা ভুল হয়েছে। কিন্তু মেয়েটা মারা যায়নি, তার পাশে আমরা আছি এটা বোঝানোর জন্য সরল মনে ছবিটা আপলোড দিয়েছিলাম”।

 

অপু উকিল বিবিসি বাংলাকে বলেছেন এই ধরণের ছবি তোলা একেবারেই যুক্তি-যুক্ত না বলে তিনি মনে করেন।

 

তার কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল মুমূর্ষু একজন মানুষকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে দেখতে যেয়ে ছবি তোলা উচিত হয়েছে কিনা? তিনি বলেন ” ছবি তোলা একেবারেই উচিত না, এই ঘটনার সাথে আমি জড়িত না, আমি ছবি তুলি নি, এবং আপলোড দেয় নি। যারা করছে তাদেরও কোন অশুভ উদ্দেশ্য ছিল না। খাদিজার পাশে দাঁড়ানের জন্যই হয়ত তারা এটা করেছে”।

 

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে সাবিনা আক্তার তুহিন, একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে তার অবস্থান পরিষ্কার করার চেষ্টা করেন। তিনি লিখেছেন “আমার গতকালের স্ট্যাটাসের জন্য যদি আমার কোন ভুল হয়ে থাকে এবং কেউ মর্মাহত হয়ে থাকেন আমি এ ব্যাপারে দু:খিত” ।

 

তিনি দীর্ঘ এই স্ট্যাটাসে আরো লিখেছেন আমাদের ছবি দেয়ার উদ্দেশ্য কেবল আমরা নারী সমাজ খাদিজার পাশে আছি এটা বোঝানোর জন্য আর ও বেঁচে আছে এটা জানানোর জন্য ।আমার স্ট্যাটাসে বদরুলের ফাঁসি চেয়ে নির্মম ঘটনার নিন্দা করে স্ট্যাটাস দেয়া হয়েছে ।আমার যদি ভুল হয়ে থাকে তবে আমি ক্ষমা পার্থী ।আমরা সব নির্যাতিত নারী সমাজের পাশে আছি থাকবো”

 

প্রেম নিবেদনে ব্যর্থ হয়ে সিলেটের এমসি কলেজ প্রাঙ্গণে এই ছাত্রীকে এলোপাতারিভাবে কুপিয়ে আহত করে এক ছাত্রলীগ নেতা। গুরুতর আহত ছাত্রী খাদিজা বেগম ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে এখন চিকিৎসাধীন।-বিবিসি