ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থায়ীভাবে বদলে দিয়েছে বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যা

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রে এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয় সময় শনিবার সকালে লুইজিয়ানার ব্যাটন রাউজ এলাকায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

নিহত মো. ফিরোজ-উল-আমিন (২৯) লুইজিয়ানা স্টেস্ট ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পিএইচডি করছিলেন। তার বিশেষায়িত সাবজেক্ট ছিল সাইবার সিকিউরিটি।

এ বিষয়ের খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক তৃতীয় গোল্ডেন জি রিচার্ড-এর অধীনে পিএইচডি করছিলেন তিনি। বাংলাদেশে থাকাকালে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিএসই-তে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় একটি গ্যাস স্টেশনে ক্লার্ক হিসেবে কাজ করতে মো. ফিরোজ-উল-আমিন। শনিবার সকালে সেখানে এক ডাকাতি সংঘটিত হয়। এ সময় গ্যাস স্টেশনটিতে কর্মরত ফিরোজকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

অধ্যাপক তৃতীয় গোল্ডেন জি রিচার্ড বলেন, এটি খুবই বিপজ্জনক ঘটনা। সে এখানে (গ্যাস স্টেশনে) কাজ করতো এটি আমার জানা ছিল না।

ফিরোজের মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন লুইজিয়ানা স্টেস্ট ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট এফ. কিং আলেক্সান্ডার।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, পিএইচডি শিক্ষার্থী মো. ফিরোজ-উল-আমিন-এর মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো লুইজিয়ানা স্টেস্ট ইউনিভার্সিটি শোকাহত। সে ছিল অবিশ্বাস্য রকমের একজন মেধাবী ছাত্র ও গবেষক; যার একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ ছিল।

মো. ফিরোজকে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচিং অ্যাসিট্যান্টশিপের জন্যও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। শিগগিরই তিনি এ দায়িত্ব নেবেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছিল।

নিহতের বন্ধু মধুপর্ণা বলেন, ফিরোজের তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। সোমবার নাগাদ মরদেহ হস্তান্তর করা হতে পারে। স্থানীয় মসজিদে জানাজা শেষ তার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে নিহতের বন্ধুরা। এজন্য তহবিল সংগ্রহে ‘গো ফান্ড মি’তে  একটি পেজ খোলারও পরিকল্পনার করছেন তারা।

এ বিষয়ে ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাসের মুখপাত্র শামিম আহমেদ বলেন, আমরা তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যা

আপডেট টাইম : ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রে এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয় সময় শনিবার সকালে লুইজিয়ানার ব্যাটন রাউজ এলাকায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

নিহত মো. ফিরোজ-উল-আমিন (২৯) লুইজিয়ানা স্টেস্ট ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পিএইচডি করছিলেন। তার বিশেষায়িত সাবজেক্ট ছিল সাইবার সিকিউরিটি।

এ বিষয়ের খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক তৃতীয় গোল্ডেন জি রিচার্ড-এর অধীনে পিএইচডি করছিলেন তিনি। বাংলাদেশে থাকাকালে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিএসই-তে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় একটি গ্যাস স্টেশনে ক্লার্ক হিসেবে কাজ করতে মো. ফিরোজ-উল-আমিন। শনিবার সকালে সেখানে এক ডাকাতি সংঘটিত হয়। এ সময় গ্যাস স্টেশনটিতে কর্মরত ফিরোজকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

অধ্যাপক তৃতীয় গোল্ডেন জি রিচার্ড বলেন, এটি খুবই বিপজ্জনক ঘটনা। সে এখানে (গ্যাস স্টেশনে) কাজ করতো এটি আমার জানা ছিল না।

ফিরোজের মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন লুইজিয়ানা স্টেস্ট ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট এফ. কিং আলেক্সান্ডার।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, পিএইচডি শিক্ষার্থী মো. ফিরোজ-উল-আমিন-এর মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো লুইজিয়ানা স্টেস্ট ইউনিভার্সিটি শোকাহত। সে ছিল অবিশ্বাস্য রকমের একজন মেধাবী ছাত্র ও গবেষক; যার একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ ছিল।

মো. ফিরোজকে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচিং অ্যাসিট্যান্টশিপের জন্যও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। শিগগিরই তিনি এ দায়িত্ব নেবেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছিল।

নিহতের বন্ধু মধুপর্ণা বলেন, ফিরোজের তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। সোমবার নাগাদ মরদেহ হস্তান্তর করা হতে পারে। স্থানীয় মসজিদে জানাজা শেষ তার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে নিহতের বন্ধুরা। এজন্য তহবিল সংগ্রহে ‘গো ফান্ড মি’তে  একটি পেজ খোলারও পরিকল্পনার করছেন তারা।

এ বিষয়ে ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাসের মুখপাত্র শামিম আহমেদ বলেন, আমরা তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।