ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় বেসরকারি খাতে ৬৮ হাজারের বেশি প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী নিয়োগ ভিসা নীতিমালার খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন রাঙামাটির সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ঘোষণা, বাস্তবায়নে কতটা আশার আলো চাকরিজীবীদের জন্য দুই দফায় মিলবে যে ছুটি প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাত না কাটানোর পরামর্শ অলির সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ৩ বাহিনীর জন্য বড় পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  তিনি বলেন, বৃহত্তর বগুড়াতে মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন) কারখানা স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। উন্নত ও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক নজরদারী প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে সামারিক বাহিনীর উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ প্রক্রিয়ায় কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপির প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদে সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আগামী ১০ বছরে ৮৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনী আরও প্রযুক্তিনির্ভর, বহুমাত্রিক, আত্মনির্ভর ও যুদ্ধোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হবে।  জাতীয় প্রতিরক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। নৌবাহিনীর জন্য আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ এবং সাবমেরিন সংযোজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সামরিক শিল্পাঞ্চল (ডিআইজি) স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে। জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বৈদেশিক নির্ভরতা হ্রাস এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অধিকতর উন্নত সামরিক প্রযুক্তি, ড্রোন প্রযুক্তি, সেন্সর ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক্স এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেছেন, বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নের কার্যক্রমও চলছে। নেত্রকোনা-৫ আসনের জামায়াতে ইসলামীন সংসদ সদস্য (এমপি) মাছুম মোস্তফার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন অগ্রাধিকার পাচ্ছে। তিন বছর এবং সাত বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। কৃষি থেকে শিল্পে রুপান্তর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিবর্তন এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা

ফাইনালে ভারতকে হারাতে বাংলাদেশের চাই ১০৭ রান

বাঙালী কন্ঠ ডেস্কঃ দারুণ বোলিং করল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। তাতে ভারতীয় যুব দল যে শুরুতেই খেই হারাল আর ঘুরে দাঁড়াতে পারল না। প্রতিপক্ষটিকে অল্প রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে প্রথমবারের মতো যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন আরও জোরালো করেছে জুনিয়র টাইগাররা।

কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শুক্রবার টুর্নামেন্টের ফাইনালে বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে অল-আউট হওয়ার আগে ভারতের সংগ্রহ ১০৬ রান। প্রথমবারের মতো যুব এশিয়া কাপের শিরোপা জিততে বাংলাদেশের চাই ১০৭ রান।

শুরু থেকেই ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে চেপে ধরে আকবর আলির দল। টসে হারাটা যেন তাদের জন্য শাপেবর হয়ে দাঁড়ায়। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ব্রেক থ্রু এনে দেন বাংলাদেশ দলের তানজিম হাসান সাকিব। তার বলে কট বিহাইন্ড হন ভারতের ওপেনার অর্জুন আজাদ (০)।

দলীয় ৬ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ভারত। মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী বলে তানজিদ হাসানকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিন নম্বরে নামা তিলক ভার্মা (২)। দলীয় স্কোরে আর দুই রান জমা পড়তেই রান আউট হয়ে ফেরেন ভারতের আরেক ওপেনিং ব্যাটসম্যান সুভেদ পার্কার (৪)।

এরপর জ্বলে ওঠেন শামিম হোসেন। তিনটি তুলে নিয়ে ভারতকে আরও অন্ধকারে ঢেলে দেন বাংলাদেশ দলের এই অফ-স্পিনার।

শেষ দিকে ভারতের হয়ে একাই লড়ছেন করন লাল। কিন্তু দলকে খুব বেশি এগিয়ে নিতে পারেননি তিনি। ৪৩ বলে ৩৭ রান করা এই ব্যাটসম্যান মৃত্যুঞ্জয়ের বলে আউট হলে যবনিকাপাত ঘটে ভারতীয় ইনিংসের।

বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে ছয় ওভার বল করে মাত্র ৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন শামিম। ১৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন মৃত্যুঞ্জয়। একটি করে উইকেট নেন তানজিব হাসান সাকিব ও শাহিন আলম।

বাংলা‌দেশের যুবাদ‌ের সাম‌ন‌ে প্রথম শির‌োপা জ‌য়ের হাতছান‌ি। আর ভার‌তের সামন‌ে সপ্তম শ‌ির‌োপা জয়‌ের সু‌য‌োগ। ১৯৮৯ থেকে শুরু হয়ে ২০১৮ পর্যন্ত ভারতের যুবারা এশ‌িয়া কাপ‌ের শ‌ির‌োপা জিতেছে ছয়বার। একবার জিতেছে আফগানিস্তান। অবশ্য ২০১২ আসরে ভারত-পাকিস্তান যৌথ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ায় বেসরকারি খাতে ৬৮ হাজারের বেশি প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী নিয়োগ

ফাইনালে ভারতকে হারাতে বাংলাদেশের চাই ১০৭ রান

আপডেট টাইম : ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

বাঙালী কন্ঠ ডেস্কঃ দারুণ বোলিং করল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। তাতে ভারতীয় যুব দল যে শুরুতেই খেই হারাল আর ঘুরে দাঁড়াতে পারল না। প্রতিপক্ষটিকে অল্প রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে প্রথমবারের মতো যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন আরও জোরালো করেছে জুনিয়র টাইগাররা।

কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শুক্রবার টুর্নামেন্টের ফাইনালে বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে অল-আউট হওয়ার আগে ভারতের সংগ্রহ ১০৬ রান। প্রথমবারের মতো যুব এশিয়া কাপের শিরোপা জিততে বাংলাদেশের চাই ১০৭ রান।

শুরু থেকেই ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে চেপে ধরে আকবর আলির দল। টসে হারাটা যেন তাদের জন্য শাপেবর হয়ে দাঁড়ায়। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ব্রেক থ্রু এনে দেন বাংলাদেশ দলের তানজিম হাসান সাকিব। তার বলে কট বিহাইন্ড হন ভারতের ওপেনার অর্জুন আজাদ (০)।

দলীয় ৬ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ভারত। মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী বলে তানজিদ হাসানকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিন নম্বরে নামা তিলক ভার্মা (২)। দলীয় স্কোরে আর দুই রান জমা পড়তেই রান আউট হয়ে ফেরেন ভারতের আরেক ওপেনিং ব্যাটসম্যান সুভেদ পার্কার (৪)।

এরপর জ্বলে ওঠেন শামিম হোসেন। তিনটি তুলে নিয়ে ভারতকে আরও অন্ধকারে ঢেলে দেন বাংলাদেশ দলের এই অফ-স্পিনার।

শেষ দিকে ভারতের হয়ে একাই লড়ছেন করন লাল। কিন্তু দলকে খুব বেশি এগিয়ে নিতে পারেননি তিনি। ৪৩ বলে ৩৭ রান করা এই ব্যাটসম্যান মৃত্যুঞ্জয়ের বলে আউট হলে যবনিকাপাত ঘটে ভারতীয় ইনিংসের।

বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে ছয় ওভার বল করে মাত্র ৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন শামিম। ১৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন মৃত্যুঞ্জয়। একটি করে উইকেট নেন তানজিব হাসান সাকিব ও শাহিন আলম।

বাংলা‌দেশের যুবাদ‌ের সাম‌ন‌ে প্রথম শির‌োপা জ‌য়ের হাতছান‌ি। আর ভার‌তের সামন‌ে সপ্তম শ‌ির‌োপা জয়‌ের সু‌য‌োগ। ১৯৮৯ থেকে শুরু হয়ে ২০১৮ পর্যন্ত ভারতের যুবারা এশ‌িয়া কাপ‌ের শ‌ির‌োপা জিতেছে ছয়বার। একবার জিতেছে আফগানিস্তান। অবশ্য ২০১২ আসরে ভারত-পাকিস্তান যৌথ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।