ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন দেখছে বগুড়া প্রশাসনের নাকের ডগায় ভুয়া জার্মান ক্লাব বিদেশি ক্লাবের সাইনবোর্ডে রমরমা মাদক ব্যবসা ঢাকা উত্তরে দুই, দক্ষিণে চার নেতা আলোচনায় বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী নয় বছর পর খুলল ওসমানী উদ্যান পদত্যাগের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘সেরা পরামর্শ’ দিয়েছিলেন: ইশরাক ‘ডিআইজির বাড়ি’ বলে অভয় দেওয়া হয় আমন্ত্রিতদের ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুটি নতুন কূপ ম্যাজিস্ট্রেসি ছেড়ে রাজনীতিতে, সালাহউদ্দিনের একাল-সেকাল সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী সাইবার সুরক্ষাসহ গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

এক মহানায়কের নাম ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম

বাঙালী কন্ঠ ডেস্কঃ সারোয়ার আলম। র‍্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন-র‌্যাব এর সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তিনি। বিভিন্ন অনিয়ম খাদ্য, ওষুধ থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের গুণগত মান ও ভেজাল এবং মেয়াদ, হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, অতিরিক্ত ফি নেয়াসহ নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে দেশের মানুষের মনে আস্থার জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি ঢাকার ফকিরাপুলে একটি ক্যাসিনোতে অভিযান চালানোর পর নায়ক বনে যান সারোয়ার। এ অভিযানের জন্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমসহ সব জায়গায়ই প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।

বুধবার ওই ক্যাসিনোতে অভিযান চালিয়ে ১৪২ জনকে আটক করে র‍্যাব। এ অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন সারোয়ার আলম।

ওইদিনই ক্লাবটির প্রেসিডেন্ট খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়ার বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। খালেদ ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

এদিকে, আজ শুক্রবারও যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা পরিচয় দেয়া জি কে শামীমের নিকেতনের ৫ নম্বর রোডের ১৪৪ নম্বর বাসায় অভিযান চালায় র‍্যাব। এ অভিযানের নেতৃত্বেও ছিলেন সারোয়ার আলম।

শামীমের বাসা থেকে থেকে ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআরের নথি, নগদ ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, অস্ত্র, বিদেশি মুদ্রা, মদ, আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক জব্দ করা হয়।

এদিকে, জি কে শামীমকেও আটক করা হয়। সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

আট বছর আগে মেয়াদোত্তীর্ণ গবাদি পশুর বিভিন্ন ভ্যাকসিন, এন্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন ধরণের ওষুধ রিপ্যাক করে বিক্রয় করায় সম্প্রতি রাজধানীর ফকিরাপুলে এডভান্স এনিম্যাল সায়েন্স কোং লিমিটেড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ছয় জনকে ২ বছর করে কারাদণ্ড ও ৭৫ লাখ টাকা জরিমানা করে র‌্যাব-২, প্রাণিসম্পদ অধিদফতর ও ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের সহযোগিতায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এছাড়া ১০ কোটি টাকা মূল্যের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও জব্দ করা হয়। এ অভিযানেও ছিলেন সারোয়ার আলম। অভিযানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

এছাড়া প্রায় প্রতিদিনই রাজধানীর কোনো না কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা কিংবা খাবারের দোকানে অভিযান চালাচ্ছেন সারোয়ার আলম। একই সঙ্গে কিশোরদের মাদকসেবন থেকে শুরু করে রাজধানীতে ঘটা নানান অপরাধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধেও সমানতালে অভিযান চালাচ্ছেন তিনি।

এদিকে, সারোয়ার আলমকে নিয়ে সামাজিক যোগযোগের মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। অনেকে এ পোস্ট নিজের অ্যাকাউন্টে শেয়ার করে সারোয়ার আলমের প্রশংসা করছেন।

ভাইরাল হওয়া পোষ্ট-

র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম, আপনি এই শতাব্দির শ্রেষ্ঠ জীবিত কিংবদন্তী।

আপনি ভীনগ্রহে থেকে ছুটে আসা দুর্নীতিতে ডুবে যাওয়া সুড়ঙ্গের শেষ আলো। গ্রীক বীর হারকিউলিসের চেয়েও শক্তিশালী ও সাহসী। আপনি রুপকথার শেষ যুবরাজ।

প্রতিটি দুর্নীতিবাজ রাঘব বোয়ালের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর নেপথ্যের নায়ককে খুঁজতে গেলেই আপনার নাম দেখি, আপনি ওয়ান ম্যান আর্মি। ক্যাসিনো ধরার মত সাহসীকে খুঁজতে গিয়েও দেখি আপনি।

স্যার, আপনাকে শ্রদ্ধা জানানোর ভাষা আমি শিখিনি। আপনি অন্ততপক্ষে ১০০ বছর বেঁচে থাকুন। কাউকে আয়ু ধার দেয়ার বিধান থাকলে আপনাকে আমার এই মধ্য বয়স থেকেও কিছুদিনের আয়ু ধার দিতাম। আপনি বাঁচলেই বাংলাদেশ বাঁচবে।

আপনার প্রতি স্নেহ, প্রীতি, ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও শুভকামনা।

ভালোবাসা অবিরাম স্যার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন দেখছে বগুড়া

এক মহানায়কের নাম ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম

আপডেট টাইম : ০২:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অক্টোবর ২০১৯

বাঙালী কন্ঠ ডেস্কঃ সারোয়ার আলম। র‍্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন-র‌্যাব এর সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তিনি। বিভিন্ন অনিয়ম খাদ্য, ওষুধ থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের গুণগত মান ও ভেজাল এবং মেয়াদ, হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, অতিরিক্ত ফি নেয়াসহ নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে দেশের মানুষের মনে আস্থার জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি ঢাকার ফকিরাপুলে একটি ক্যাসিনোতে অভিযান চালানোর পর নায়ক বনে যান সারোয়ার। এ অভিযানের জন্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমসহ সব জায়গায়ই প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।

বুধবার ওই ক্যাসিনোতে অভিযান চালিয়ে ১৪২ জনকে আটক করে র‍্যাব। এ অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন সারোয়ার আলম।

ওইদিনই ক্লাবটির প্রেসিডেন্ট খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়ার বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। খালেদ ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

এদিকে, আজ শুক্রবারও যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা পরিচয় দেয়া জি কে শামীমের নিকেতনের ৫ নম্বর রোডের ১৪৪ নম্বর বাসায় অভিযান চালায় র‍্যাব। এ অভিযানের নেতৃত্বেও ছিলেন সারোয়ার আলম।

শামীমের বাসা থেকে থেকে ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআরের নথি, নগদ ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, অস্ত্র, বিদেশি মুদ্রা, মদ, আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক জব্দ করা হয়।

এদিকে, জি কে শামীমকেও আটক করা হয়। সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

আট বছর আগে মেয়াদোত্তীর্ণ গবাদি পশুর বিভিন্ন ভ্যাকসিন, এন্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন ধরণের ওষুধ রিপ্যাক করে বিক্রয় করায় সম্প্রতি রাজধানীর ফকিরাপুলে এডভান্স এনিম্যাল সায়েন্স কোং লিমিটেড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ছয় জনকে ২ বছর করে কারাদণ্ড ও ৭৫ লাখ টাকা জরিমানা করে র‌্যাব-২, প্রাণিসম্পদ অধিদফতর ও ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের সহযোগিতায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এছাড়া ১০ কোটি টাকা মূল্যের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও জব্দ করা হয়। এ অভিযানেও ছিলেন সারোয়ার আলম। অভিযানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

এছাড়া প্রায় প্রতিদিনই রাজধানীর কোনো না কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা কিংবা খাবারের দোকানে অভিযান চালাচ্ছেন সারোয়ার আলম। একই সঙ্গে কিশোরদের মাদকসেবন থেকে শুরু করে রাজধানীতে ঘটা নানান অপরাধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধেও সমানতালে অভিযান চালাচ্ছেন তিনি।

এদিকে, সারোয়ার আলমকে নিয়ে সামাজিক যোগযোগের মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। অনেকে এ পোস্ট নিজের অ্যাকাউন্টে শেয়ার করে সারোয়ার আলমের প্রশংসা করছেন।

ভাইরাল হওয়া পোষ্ট-

র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম, আপনি এই শতাব্দির শ্রেষ্ঠ জীবিত কিংবদন্তী।

আপনি ভীনগ্রহে থেকে ছুটে আসা দুর্নীতিতে ডুবে যাওয়া সুড়ঙ্গের শেষ আলো। গ্রীক বীর হারকিউলিসের চেয়েও শক্তিশালী ও সাহসী। আপনি রুপকথার শেষ যুবরাজ।

প্রতিটি দুর্নীতিবাজ রাঘব বোয়ালের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর নেপথ্যের নায়ককে খুঁজতে গেলেই আপনার নাম দেখি, আপনি ওয়ান ম্যান আর্মি। ক্যাসিনো ধরার মত সাহসীকে খুঁজতে গিয়েও দেখি আপনি।

স্যার, আপনাকে শ্রদ্ধা জানানোর ভাষা আমি শিখিনি। আপনি অন্ততপক্ষে ১০০ বছর বেঁচে থাকুন। কাউকে আয়ু ধার দেয়ার বিধান থাকলে আপনাকে আমার এই মধ্য বয়স থেকেও কিছুদিনের আয়ু ধার দিতাম। আপনি বাঁচলেই বাংলাদেশ বাঁচবে।

আপনার প্রতি স্নেহ, প্রীতি, ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও শুভকামনা।

ভালোবাসা অবিরাম স্যার।