ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন তায়েফের বুকে যে মসজিদ মুসলিমদের জন্য এক টুকরো সান্ত্বনা পে স্কেলে বদলাচ্ছে ইনক্রিমেন্ট নীতি, কোন গ্রেডে কত শিগগিরই ১০ হাজার পুলিশ নিয়োগ অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে জোবায়েদকে হত্যা, তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বাংলাদেশি সমর্থকদের স্কালোনির ধন্যবাদ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান ‘মত পার্থক্য থাকতে পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়’ শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষিতে ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে আইফার্মারের সাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

বসন্তের আগেই গাছে গাছে আমের মুকুল

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ বাংলার প্রকৃতিতে এখনো বসন্ত আসেনি। মাঘের মাঝামাঝিতেই ফলের রাজার মুকুল ফুটছে গাছে গাছে। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, যশোরসহ কয়েকটি জেলায় মুকুলে মুকুলে ছেয়ে গেছে আম বাগান। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে পরাগের পাগল করা ঘ্রাণ।

আম বলতে এক সময় উত্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীকেই বোঝাতো। কিন্তু বর্তমান চিত্র অনেকটা ভিন্ন। নওগাঁর বরেন্দ্র এলাকা সাপাহার, পোরশা, নিয়ামতপুর, পাবনার ঈশ্বরদী, নাটোর ও দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে প্রায় সব জাতের আম উৎপাদন হচ্ছে। লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছর কৃষি জমিতে বাড়ছে আমের আবাদ।

আবহাওয়াগত ও জাতের কারণেই নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক মাস আগেই আমের মুকুল আসতে শুরু করেছে। তবে মাঘের শেষেই প্রতিটি গাছেই পুরোপুরিভাবে মুকুল ফুটতে শুরু করবে। যেসব গাছে আগাম মুকুল আসতে শুরু করেছে তার বাগান মালিকরা পরিচর্যাও শুরু করে দিয়েছেন রীতিমতো।

নওগাঁর বিভিন্ন বাগান ঘুরে দেখা গিয়েছে, বড় আকারের চেয়ে ছোট ও মাঝারি আকারের গাছে বেশি মুকুল ফুটেছে। সেই মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে বাগান মালিকদের চোখে ভাসছে স্বপ্ন। আমরুপালি, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি ও ক্ষীরসাপাত আম অন্যতম। তবে গাছের পুরো মুকুল ফুটতে আরো কয়েক সপ্তাহ লাগবে বলে জানান বাগান মালিকরা।

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক এস এম নুরম্নজ্জামান মণ্ডল বলেন, মূলত তিনটি পর্যায়ে আমের মুকুল আসে। যার প্রথম পর্যায় শুরু হয়েছে। পুরোনো জাতের গাছগুলোতে মুকুল ধরেছে।

রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আলিম উদ্দিন বলেন, জানুয়ারির এক-তৃতীয়াংশ সময় পার হলেও তেমন তীব্র শীত নেই। আর শীত না থাকলে একটু আগাম মুকুল আসতে পারে। সেটিই এসেছে। তবে, সব গাছে গাছে মুকুল আসতে আরো কিছুটা সময় লাগবে।

মুকুল আসার পর থেকেই তারা গাছের প্রাথমিক পরিচর্যা শুরু করেছেন। মুকুল রোগ বালাইয়ের আক্রমন থেকে রক্ষা করতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ স্প্রে করছেন তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বসন্তের আগেই গাছে গাছে আমের মুকুল

আপডেট টাইম : ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২০

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ বাংলার প্রকৃতিতে এখনো বসন্ত আসেনি। মাঘের মাঝামাঝিতেই ফলের রাজার মুকুল ফুটছে গাছে গাছে। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, যশোরসহ কয়েকটি জেলায় মুকুলে মুকুলে ছেয়ে গেছে আম বাগান। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে পরাগের পাগল করা ঘ্রাণ।

আম বলতে এক সময় উত্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীকেই বোঝাতো। কিন্তু বর্তমান চিত্র অনেকটা ভিন্ন। নওগাঁর বরেন্দ্র এলাকা সাপাহার, পোরশা, নিয়ামতপুর, পাবনার ঈশ্বরদী, নাটোর ও দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে প্রায় সব জাতের আম উৎপাদন হচ্ছে। লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছর কৃষি জমিতে বাড়ছে আমের আবাদ।

আবহাওয়াগত ও জাতের কারণেই নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক মাস আগেই আমের মুকুল আসতে শুরু করেছে। তবে মাঘের শেষেই প্রতিটি গাছেই পুরোপুরিভাবে মুকুল ফুটতে শুরু করবে। যেসব গাছে আগাম মুকুল আসতে শুরু করেছে তার বাগান মালিকরা পরিচর্যাও শুরু করে দিয়েছেন রীতিমতো।

নওগাঁর বিভিন্ন বাগান ঘুরে দেখা গিয়েছে, বড় আকারের চেয়ে ছোট ও মাঝারি আকারের গাছে বেশি মুকুল ফুটেছে। সেই মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে বাগান মালিকদের চোখে ভাসছে স্বপ্ন। আমরুপালি, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি ও ক্ষীরসাপাত আম অন্যতম। তবে গাছের পুরো মুকুল ফুটতে আরো কয়েক সপ্তাহ লাগবে বলে জানান বাগান মালিকরা।

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক এস এম নুরম্নজ্জামান মণ্ডল বলেন, মূলত তিনটি পর্যায়ে আমের মুকুল আসে। যার প্রথম পর্যায় শুরু হয়েছে। পুরোনো জাতের গাছগুলোতে মুকুল ধরেছে।

রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আলিম উদ্দিন বলেন, জানুয়ারির এক-তৃতীয়াংশ সময় পার হলেও তেমন তীব্র শীত নেই। আর শীত না থাকলে একটু আগাম মুকুল আসতে পারে। সেটিই এসেছে। তবে, সব গাছে গাছে মুকুল আসতে আরো কিছুটা সময় লাগবে।

মুকুল আসার পর থেকেই তারা গাছের প্রাথমিক পরিচর্যা শুরু করেছেন। মুকুল রোগ বালাইয়ের আক্রমন থেকে রক্ষা করতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ স্প্রে করছেন তারা।