ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

জনতা ব্যাংকের ৪১৮ কোটি টাকা কর্তন শর্ত পূরণ হলে টাকা ফেরত দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) শর্ত লঙ্ঘন করায় রাষ্ট্রীয় মালিকানার জনতা ব্যাংককের ৪১৮ কোটি টাকা কেটে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কেটে নেওয়া এ টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সংরক্ষিত থাকবে। তবে এর বিপরীতে জনতা ব্যাংককে কোনো সুদ পরিশোধ করবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর শর্ত পূরণ হয়ে গেলে টাকা ফেরত পাবে ওই ব্যাংক। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত জনতা ব্যাংকের হিসাব থেকে এ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর হয়েছে। এতে ব্যাংকগুলোর ঋণ প্রবৃদ্ধির একটি সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া আছে। সে হিসেবে গত বছরে জনতা ব্যাংকের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ। কিন্তু ব্যাংকটি ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৫ শতাংশ। এ প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত বিতরণ হওয়া ঋণের একটি অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা করতে হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন নির্বাহী পরিচালক বলেন, নির্ধারিত সময়ে টাকা জমা না করায় গতকালই কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রক্ষিত জনতা ব্যাংকের হিসাব থেকে ওই টাকা কেটে নিয়েছে।
এ ব্যাপারে জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবদুস সালাম জানান, ব্যাংকের ঋণ বিতরণের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ১২ শতাংশের বেশি হয়েছে। এ জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সূত্রে জানা যায়, গত বছরে জনতা ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য থাকলেও তা হয়েছে ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ। এ ছাড়া খেলাপি ঋণ থেকে ১২’শ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য থাকলেও ব্যাংকটি মাত্র ৬৪০ কোটি টাকা আদায় করতে পেরেছে। অবলোপনকৃত ঋণ থেকে ৩৩০ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে মাত্র ১১১ কোটি টাকা। এ ছাড়া লোকসানি শাখা ৩০টিতে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬টিতে।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

জনতা ব্যাংকের ৪১৮ কোটি টাকা কর্তন শর্ত পূরণ হলে টাকা ফেরত দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আপডেট টাইম : ০৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৭
সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) শর্ত লঙ্ঘন করায় রাষ্ট্রীয় মালিকানার জনতা ব্যাংককের ৪১৮ কোটি টাকা কেটে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কেটে নেওয়া এ টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সংরক্ষিত থাকবে। তবে এর বিপরীতে জনতা ব্যাংককে কোনো সুদ পরিশোধ করবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর শর্ত পূরণ হয়ে গেলে টাকা ফেরত পাবে ওই ব্যাংক। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত জনতা ব্যাংকের হিসাব থেকে এ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর হয়েছে। এতে ব্যাংকগুলোর ঋণ প্রবৃদ্ধির একটি সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া আছে। সে হিসেবে গত বছরে জনতা ব্যাংকের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ। কিন্তু ব্যাংকটি ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৫ শতাংশ। এ প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত বিতরণ হওয়া ঋণের একটি অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা করতে হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন নির্বাহী পরিচালক বলেন, নির্ধারিত সময়ে টাকা জমা না করায় গতকালই কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রক্ষিত জনতা ব্যাংকের হিসাব থেকে ওই টাকা কেটে নিয়েছে।
এ ব্যাপারে জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবদুস সালাম জানান, ব্যাংকের ঋণ বিতরণের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ১২ শতাংশের বেশি হয়েছে। এ জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সূত্রে জানা যায়, গত বছরে জনতা ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য থাকলেও তা হয়েছে ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ। এ ছাড়া খেলাপি ঋণ থেকে ১২’শ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য থাকলেও ব্যাংকটি মাত্র ৬৪০ কোটি টাকা আদায় করতে পেরেছে। অবলোপনকৃত ঋণ থেকে ৩৩০ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে মাত্র ১১১ কোটি টাকা। এ ছাড়া লোকসানি শাখা ৩০টিতে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬টিতে।