ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন তায়েফের বুকে যে মসজিদ মুসলিমদের জন্য এক টুকরো সান্ত্বনা পে স্কেলে বদলাচ্ছে ইনক্রিমেন্ট নীতি, কোন গ্রেডে কত শিগগিরই ১০ হাজার পুলিশ নিয়োগ অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে জোবায়েদকে হত্যা, তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বাংলাদেশি সমর্থকদের স্কালোনির ধন্যবাদ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান ‘মত পার্থক্য থাকতে পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়’ শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষিতে ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে আইফার্মারের সাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

মানুষ কেন প্রেমে পড়ে

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ ভালোবেসে সখী নিভৃতে যতনেআমার নামটি লিখো তোমারমনের মন্দিরে।আমার পরাণে যে গান বাজিছে তাহার তালটি শিখো তোমার চরণমঞ্জীরে।

এই রবীন্দ্র সংগীতের মাঝে ফুটে উঠেছে প্রেমের কথা ভালোবাসার কথা। ভালোবাসার মানুষের প্রতি আবেগের কথা। কিন্তু কেন এমন হয়? কেনই বা বিপরীত লিঙ্গের একজনের প্রতি এ ধরনের আকর্ষণ অনুভব করি আমরা? অন্যভাবে বললে আমরা কেন প্রেমে পড়ি?
অনেকেই এজন্য মনকে দায়ী করেন, অনেকে বলেন মনের অজান্তেই প্রেমে পড়ে গিয়েছেন।

কিন্তু মেডিকেল সায়েন্স এই ব্যাপারটার পেছনে মূলত ৩টি হরমোনের কথাই বলছে। সেগুলো হলো- টেস্টোস্টেরন, ইস্ট্রোজেন আর প্রজেস্টেরন।

টেস্টোস্টেরন মূলত ছেলেদের শরীরে বেশি থাকে, এটি ছেলেদের পুরুষত্বের জন্য দায়ী যা শুক্রাশয়ের লেডিগ কোষ (খবুফরম ঈবষষ) থেকে উৎপন্ন হয়। ২০০২ সালে একটি গবেষণায় দেখা যায়, একজন মহিলার সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথোপকথনের পরে পুরুষের মাঝে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়ে। পুরুষেরা নারীদের মুগ্ধ (ওসঢ়ৎবংং) করার চেষ্টা করেছিল- এই বর্ধন এই রূপে সম্পর্কিত ছিল।
মেয়েদের শরীরে ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন নামক দু’টি হরমোন বেশি পরিমাণে থাকে। ডিম্বাশয় থেকেই মূলত এই দু’টি হরমোন তৈরি হয়। ইস্ট্রোজেন নামটি গ্রিক শব্দ ‘ঙরংঃৎড়ং’ থেকে এসেছে যার অর্থ ‘যৌন আকাঙ্ক্ষা’।

বয়ঃসন্ধিকালে উপরোক্ত ৩টি হরমোন বৃদ্ধি পায়, যার দরুন পিউবার্টি বা বয়ঃসন্ধির সময়টাতেই কিশোর-কিশোরীরা সবচেয়ে বেশি প্রেমে পড়ে। এবং অল্প বয়স, বাস্তবিক জ্ঞান এবং জীবন সম্পর্কে ধারণা কম থাকায় এই বয়সের প্রেমগুলোর সফল পরিণতি ঘটে না। ঠিক একই কারণে ভুল করে ফেলে আদরের সন্তান। তাই অভিভাবকদের উচিত সন্তানের বয়ঃসন্ধিকালে আরো বেশি যত্নবান হওয়া।
প্রেম নিয়ে নিয়ে নানা মনীষী নানা কথা বলেছেন। তবে মেডিকেল সায়েন্সর অনেকেই মনে করেন প্রেম বলে আসলে কিছু নেই! সবই ‘ইস্ট্রোজেন আর টেস্টোস্টেরনের খেলা’।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মানুষ কেন প্রেমে পড়ে

আপডেট টাইম : ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ ভালোবেসে সখী নিভৃতে যতনেআমার নামটি লিখো তোমারমনের মন্দিরে।আমার পরাণে যে গান বাজিছে তাহার তালটি শিখো তোমার চরণমঞ্জীরে।

এই রবীন্দ্র সংগীতের মাঝে ফুটে উঠেছে প্রেমের কথা ভালোবাসার কথা। ভালোবাসার মানুষের প্রতি আবেগের কথা। কিন্তু কেন এমন হয়? কেনই বা বিপরীত লিঙ্গের একজনের প্রতি এ ধরনের আকর্ষণ অনুভব করি আমরা? অন্যভাবে বললে আমরা কেন প্রেমে পড়ি?
অনেকেই এজন্য মনকে দায়ী করেন, অনেকে বলেন মনের অজান্তেই প্রেমে পড়ে গিয়েছেন।

কিন্তু মেডিকেল সায়েন্স এই ব্যাপারটার পেছনে মূলত ৩টি হরমোনের কথাই বলছে। সেগুলো হলো- টেস্টোস্টেরন, ইস্ট্রোজেন আর প্রজেস্টেরন।

টেস্টোস্টেরন মূলত ছেলেদের শরীরে বেশি থাকে, এটি ছেলেদের পুরুষত্বের জন্য দায়ী যা শুক্রাশয়ের লেডিগ কোষ (খবুফরম ঈবষষ) থেকে উৎপন্ন হয়। ২০০২ সালে একটি গবেষণায় দেখা যায়, একজন মহিলার সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথোপকথনের পরে পুরুষের মাঝে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়ে। পুরুষেরা নারীদের মুগ্ধ (ওসঢ়ৎবংং) করার চেষ্টা করেছিল- এই বর্ধন এই রূপে সম্পর্কিত ছিল।
মেয়েদের শরীরে ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন নামক দু’টি হরমোন বেশি পরিমাণে থাকে। ডিম্বাশয় থেকেই মূলত এই দু’টি হরমোন তৈরি হয়। ইস্ট্রোজেন নামটি গ্রিক শব্দ ‘ঙরংঃৎড়ং’ থেকে এসেছে যার অর্থ ‘যৌন আকাঙ্ক্ষা’।

বয়ঃসন্ধিকালে উপরোক্ত ৩টি হরমোন বৃদ্ধি পায়, যার দরুন পিউবার্টি বা বয়ঃসন্ধির সময়টাতেই কিশোর-কিশোরীরা সবচেয়ে বেশি প্রেমে পড়ে। এবং অল্প বয়স, বাস্তবিক জ্ঞান এবং জীবন সম্পর্কে ধারণা কম থাকায় এই বয়সের প্রেমগুলোর সফল পরিণতি ঘটে না। ঠিক একই কারণে ভুল করে ফেলে আদরের সন্তান। তাই অভিভাবকদের উচিত সন্তানের বয়ঃসন্ধিকালে আরো বেশি যত্নবান হওয়া।
প্রেম নিয়ে নিয়ে নানা মনীষী নানা কথা বলেছেন। তবে মেডিকেল সায়েন্সর অনেকেই মনে করেন প্রেম বলে আসলে কিছু নেই! সবই ‘ইস্ট্রোজেন আর টেস্টোস্টেরনের খেলা’।