ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকার জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের পাশে আছে, থাকবে জুলাই কারও একার নয়, বাংলাদেশের সব মানুষের: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ আমরা যেন জুলাইকে হারিয়ে না ফেলি: ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট সাকিব আল হাসানের মাগুরার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা, ভাঙচুর মালয়েশিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ুতি (রহ.) তাফসির শাস্ত্রের কিংবদন্তি যিনি আগস্টের ৫ তারিখ যেভাবে ‘৩৬ জুলাই’ হলো মাটি ও মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সংস্কারের মাধ্যমে চলমান প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি)। ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে বাহিনীর পক্ষ থেকে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচি থেকে এই প্রত্যয় জানানো হয়। বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর খিলগাঁওয়ে আনসার ও ভিডিপি সদর দপ্তরে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনাসভা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাহিনীর মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। দপ্তরের পাশাপাশি সারা দেশে বাহিনীর রেঞ্জ, জেলা, ব্যাটালিয়ন ও উপজেলা কার্যালয়েও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক বলেন, ‘বিভিন্ন স্তরের অনৈতিক চর্চা, অপেশাদারি ও জবাবদিহিহীনতার সংস্কৃতি জনগণের প্রত্যাশা ও বাস্তবতার মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে। সততা, স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশ ও জনগণের সেবাই প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রধান কর্তব্য।’ তিনি আরো উল্লেখ করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে আনসার ও ভিডিপির প্রশাসনিক, প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল কার্যক্রমে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে। সাম্যতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে বিভিন্ন কার্যক্রম ডিজিটাল রূপান্তরের আওতায় আনা হয়েছে, যার ইতিবাচক প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে তৃণমূল পর্যায়ে। সকল নেতিবাচক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে বাহিনীটি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে সুসংহত অবস্থান তৈরি করছে বলেও তিনি জানান। দিবসটি উপলক্ষে দেশের প্রতিটি কার্যালয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। এ ছাড়া শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, আনসার ও ভিডিপি হাসপাতালে রোগীদের উন্নতমানের খাবার পরিবেশন এবং শহীদদের রুহের মাগফিরাত ও দেশ-জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমি, রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা ও নতুন বাংলাদেশের রূপান্তরের অভিযাত্রা তুলে ধরে নির্মিত আটটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। এসব প্রামাণ্যচিত্রের শিক্ষা ও মূল্যবোধ আত্মস্থ করে দায়িত্ব পালনের জন্য বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান মহাপরিচালক। অনুষ্ঠানে বাহিনীর উপমহাপরিচালক, পরিচালকসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

একুশের সাজ হোক মনোমুগ্ধকর

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ বসন্তের মাস ফেব্রুয়ারি জুড়েই রয়েছে নানা আয়োজন। এর মধ্যে অন্যতম হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ৮ ফাল্গুন, ১৩৫৯। দিনটি ছিল ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি।

ইতিহাসের লাল রঙে অর্জিত এ দিনটিকে পালন করা হয় কালো রং ধারণ করে। খালি পায়ে প্রভাতফেরি আর ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে শুরু হয় ভাষা দিবসের আয়োজন। একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে আমাদের গর্ব। তেমনি শহীদ দিবস হিসেবে আত্মত্যাগ ও শোকের। নিশ্চয় এ দিনটি নিয়ে আপনারও রয়েছে নানা পরিকল্পনা! কী পোশাক পরবেন, কীভাবে সাজবেন তা নিয়ে ভেবেছেন কিছু?

দম্পতিদের একজন সাদা ও অন্যজন কালো পোশাক পরতে পারেন

এদিন সাদা পাড়ে কালো শাড়ি বা সাদা কালো কামিজ পরতে পারেন। আর ছেলেরা পরতে পারেন কালো পাঞ্জাবি বা টি-শার্ট। এক্ষেত্রে বিভিন্ন বর্ণমালা বা গান কবিতার লাইন লেখা শাড়ি বা পাঞ্জাবি বেছে নিতে পারেন।

তবে ডিজাইন যাই হোক রঙের ক্ষেত্রে সাদা-কালোকে প্রাধান্য দেয়াই উত্তম। সাদা কালো ছাড়াও কালোর সঙ্গে লালের মিশ্রণও বিগত বছরগুলোতে চোখে পরছে। দেশের বিভিন্ন বুটিক হাউজগুলোর ডিজাইনাররা কাল রঙের সঙ্গে সাদা আর লাল দু’টি রংকেই এবার প্রাধান্য দিয়েছেন।

এছাড়াও সবুজ, হলুদ, নীল এসব রঙেও সাজছে একুশের পোশাক। কাপড়ের ক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন সুতি, তাঁত, মসলিন বা সিল্ক। বর্তমানের আবহাওয়ার সঙ্গে এসব কাপড় বেশ আরামদায়ক হবে। শিশুরাই বা বাদ থাকবে কেন? তাদের পোশাকেও ডিজাইনাররা নানা রঙে ফুটিয়ে তুলেছেন বাংলা বর্ণমালার আন্দোলনের ইতিহাস।

নারীরা শাড়ির সঙ্গে সাদামাটা খোঁপা করতে পারেন। সাজের ক্ষেত্রে চোখে কালো আইশ্যাডো আর কাজল লাগিয়ে নিন। ন্যুড কালারের লিপস্টিক ব্যবহার করুন।  হাতে পরে নিন কাঠের, সুতার বা কাঁচের কালো চুড়ি। কপালে কালো একটি টিপ দিলেও কিন্তু মন্দ দেখাবে না। ছেলেরা পাঞ্জাবির সঙ্গে মাথায় বেঁধে নিতে পারেন বর্ণমালা লেখা রুমাল। হাতে ব্রেসলেটও পরতে পারেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সরকার জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের পাশে আছে, থাকবে

একুশের সাজ হোক মনোমুগ্ধকর

আপডেট টাইম : ০১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ বসন্তের মাস ফেব্রুয়ারি জুড়েই রয়েছে নানা আয়োজন। এর মধ্যে অন্যতম হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ৮ ফাল্গুন, ১৩৫৯। দিনটি ছিল ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি।

ইতিহাসের লাল রঙে অর্জিত এ দিনটিকে পালন করা হয় কালো রং ধারণ করে। খালি পায়ে প্রভাতফেরি আর ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে শুরু হয় ভাষা দিবসের আয়োজন। একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে আমাদের গর্ব। তেমনি শহীদ দিবস হিসেবে আত্মত্যাগ ও শোকের। নিশ্চয় এ দিনটি নিয়ে আপনারও রয়েছে নানা পরিকল্পনা! কী পোশাক পরবেন, কীভাবে সাজবেন তা নিয়ে ভেবেছেন কিছু?

দম্পতিদের একজন সাদা ও অন্যজন কালো পোশাক পরতে পারেন

এদিন সাদা পাড়ে কালো শাড়ি বা সাদা কালো কামিজ পরতে পারেন। আর ছেলেরা পরতে পারেন কালো পাঞ্জাবি বা টি-শার্ট। এক্ষেত্রে বিভিন্ন বর্ণমালা বা গান কবিতার লাইন লেখা শাড়ি বা পাঞ্জাবি বেছে নিতে পারেন।

তবে ডিজাইন যাই হোক রঙের ক্ষেত্রে সাদা-কালোকে প্রাধান্য দেয়াই উত্তম। সাদা কালো ছাড়াও কালোর সঙ্গে লালের মিশ্রণও বিগত বছরগুলোতে চোখে পরছে। দেশের বিভিন্ন বুটিক হাউজগুলোর ডিজাইনাররা কাল রঙের সঙ্গে সাদা আর লাল দু’টি রংকেই এবার প্রাধান্য দিয়েছেন।

এছাড়াও সবুজ, হলুদ, নীল এসব রঙেও সাজছে একুশের পোশাক। কাপড়ের ক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন সুতি, তাঁত, মসলিন বা সিল্ক। বর্তমানের আবহাওয়ার সঙ্গে এসব কাপড় বেশ আরামদায়ক হবে। শিশুরাই বা বাদ থাকবে কেন? তাদের পোশাকেও ডিজাইনাররা নানা রঙে ফুটিয়ে তুলেছেন বাংলা বর্ণমালার আন্দোলনের ইতিহাস।

নারীরা শাড়ির সঙ্গে সাদামাটা খোঁপা করতে পারেন। সাজের ক্ষেত্রে চোখে কালো আইশ্যাডো আর কাজল লাগিয়ে নিন। ন্যুড কালারের লিপস্টিক ব্যবহার করুন।  হাতে পরে নিন কাঠের, সুতার বা কাঁচের কালো চুড়ি। কপালে কালো একটি টিপ দিলেও কিন্তু মন্দ দেখাবে না। ছেলেরা পাঞ্জাবির সঙ্গে মাথায় বেঁধে নিতে পারেন বর্ণমালা লেখা রুমাল। হাতে ব্রেসলেটও পরতে পারেন।