ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গণঅধিকার পরিষদের মিছিলে পুলিশের বাধা, আহত ১০

সংসদ অধিবেশনের প্রতিবাদে সংসদ ভবন অভিমুখে গণঅধিকার পরিষদের কালো পতাকা মিছিল পুলিশি বাধায় পণ্ড হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের লাঠিচার্জে দশ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে দলটি।

গণঅধিকার পরিষদ বিজয়নগরের আল রাজি ভবনের সামনে থেকে মিছিল বের করে। এ সময় পুলিশ তাদের ব্যানার কেড়ে নিয়ে আটকে দিলে কালো পতাকা মিছিল পণ্ড হয়ে যায়।

গণঅধিকার পরিষদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়েছে, দলটির নেতাকর্মীরা মিছিল করতে চাইলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এতে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন, উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ, শাকিল উজ্জামান, শহিদুল ইসলাম ফাহিম, ফাতিমা তাসনিম, জসিম উদ্দিন আকাশ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারজানা কিবরিয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নুসরাত কেয়া, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মামুনসহ প্রায় ১০ জন আহত হয়েছেন।

পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে গণঅধিকার পরিষদ। এ সময় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে হামলা করছে। আমরা চাইলে পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করে মিছিল করতে পারি, এতে আমাদের হয়ত কয়েকজনকে আটক করবে। কিন্তু, এতে লাভ কার? ২৮ অক্টোবর একজন পুলিশ মারা গেলো, এতিম হলো তার সন্তান, বিধবা হলো তার স্ত্রী, লাভ হলো সরকারের। আজকে একটা অবৈধ সংসদের অধিবেশন বসেছে। এই সংসদের কেউ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। এরা অবৈধভাবে সংসদে বসেছে। আজকে এই সরকার দৈত্য-দানবের মতো জনগণের ঘাড়ে চেপে বসেছে। আজকে ড. ইউনুসের মতো সম্মানি লোককে কোর্টের বারান্দায় ঘুরতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যারা আমাদের ওপর হামলা করছে, তাদের কিন্তু বিচার হবে। আমরা মরে গেলেও আমাদের সন্তানরা বেচেঁ থাকবে, আমাদের নেতাকর্মীরা বেঁচে থাকবে। তারা একদিন বিচার করবে।

সাধারণ সম্পাদক মো রাশেদ খাঁন বলেন, পুলিশের দায়িত্ব জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া। সেখানে পুলিশ উল্টো অবৈধ ক্ষমতা রক্ষার দায়িত্ব নিয়েছে। আমাদের আন্দোলন তো পুলিশের বিরুদ্ধে না। আজকে অবৈধ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছে, আমরা গণতান্ত্রিক রীতি-নীতি মেনেই প্রতিবাদ করছি। কিন্তু, এই অবৈধ সরকার কোনো রীতি-নীতির ধার ধারে না। এই সরকারের কাছে ক্ষমতাই মুখ্য বিষয়। আইয়ুব-ইয়াহিয়া কেউই ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি। এই ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগও ক্ষমতায় থাকতে পারবে না।

গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান খানের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন—উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ, শাকিল উজ্জামান, জেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মামুন।

উপস্থিত ছিলেন উচ্চতর পরিষদের সদস্য শহিদুল ইসলাম ফাহিম, আব্দুজ জাহের, ফাতিমা তাসনিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল হাসান, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জাল হোসেন, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি নাজিম উদ্দিন, যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসান, পেশাজীবী অধিকার পরিষদের সভাপতি ডা. জাফর মাহমুদ, ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারিকুল ইসলাম, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা সম্পদ সহ নেতাকর্মীরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

গণঅধিকার পরিষদের মিছিলে পুলিশের বাধা, আহত ১০

আপডেট টাইম : ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৪

সংসদ অধিবেশনের প্রতিবাদে সংসদ ভবন অভিমুখে গণঅধিকার পরিষদের কালো পতাকা মিছিল পুলিশি বাধায় পণ্ড হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের লাঠিচার্জে দশ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে দলটি।

গণঅধিকার পরিষদ বিজয়নগরের আল রাজি ভবনের সামনে থেকে মিছিল বের করে। এ সময় পুলিশ তাদের ব্যানার কেড়ে নিয়ে আটকে দিলে কালো পতাকা মিছিল পণ্ড হয়ে যায়।

গণঅধিকার পরিষদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়েছে, দলটির নেতাকর্মীরা মিছিল করতে চাইলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এতে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন, উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ, শাকিল উজ্জামান, শহিদুল ইসলাম ফাহিম, ফাতিমা তাসনিম, জসিম উদ্দিন আকাশ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারজানা কিবরিয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নুসরাত কেয়া, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মামুনসহ প্রায় ১০ জন আহত হয়েছেন।

পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে গণঅধিকার পরিষদ। এ সময় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে হামলা করছে। আমরা চাইলে পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করে মিছিল করতে পারি, এতে আমাদের হয়ত কয়েকজনকে আটক করবে। কিন্তু, এতে লাভ কার? ২৮ অক্টোবর একজন পুলিশ মারা গেলো, এতিম হলো তার সন্তান, বিধবা হলো তার স্ত্রী, লাভ হলো সরকারের। আজকে একটা অবৈধ সংসদের অধিবেশন বসেছে। এই সংসদের কেউ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। এরা অবৈধভাবে সংসদে বসেছে। আজকে এই সরকার দৈত্য-দানবের মতো জনগণের ঘাড়ে চেপে বসেছে। আজকে ড. ইউনুসের মতো সম্মানি লোককে কোর্টের বারান্দায় ঘুরতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যারা আমাদের ওপর হামলা করছে, তাদের কিন্তু বিচার হবে। আমরা মরে গেলেও আমাদের সন্তানরা বেচেঁ থাকবে, আমাদের নেতাকর্মীরা বেঁচে থাকবে। তারা একদিন বিচার করবে।

সাধারণ সম্পাদক মো রাশেদ খাঁন বলেন, পুলিশের দায়িত্ব জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া। সেখানে পুলিশ উল্টো অবৈধ ক্ষমতা রক্ষার দায়িত্ব নিয়েছে। আমাদের আন্দোলন তো পুলিশের বিরুদ্ধে না। আজকে অবৈধ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছে, আমরা গণতান্ত্রিক রীতি-নীতি মেনেই প্রতিবাদ করছি। কিন্তু, এই অবৈধ সরকার কোনো রীতি-নীতির ধার ধারে না। এই সরকারের কাছে ক্ষমতাই মুখ্য বিষয়। আইয়ুব-ইয়াহিয়া কেউই ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি। এই ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগও ক্ষমতায় থাকতে পারবে না।

গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান খানের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন—উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ, শাকিল উজ্জামান, জেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মামুন।

উপস্থিত ছিলেন উচ্চতর পরিষদের সদস্য শহিদুল ইসলাম ফাহিম, আব্দুজ জাহের, ফাতিমা তাসনিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল হাসান, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জাল হোসেন, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি নাজিম উদ্দিন, যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসান, পেশাজীবী অধিকার পরিষদের সভাপতি ডা. জাফর মাহমুদ, ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারিকুল ইসলাম, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা সম্পদ সহ নেতাকর্মীরা।