ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাড়ছে ইরানি হামলার তীব্রতা, অবিলম্বে নাগরিকদের ইসরায়েল ছাড়তে বললো চীন প্রধানমন্ত্রী দেশকে তাঁর পিতার মতোই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন : ভূমিমন্ত্রী ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় মেসি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে কিশোরকে কুপিয়ে হত্যা ঈদের ছুটি শেষে অফিস শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী এক-এগারোর সময়ের আলোচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার জাতীয় পতাকা বিধি যথাযথভাবে প্রতিপালনের নির্দেশনা জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক আজ বর্ণবাদ নির্মূলে বৈশ্বিক ঐক্যের আহ্বান জানালো বাংলাদেশ ঈদের ছুটি শেষে সচিবালয়ে ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কুশল বিনিময়

সারা দেশে ৫৬০ মডেল মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা

প্রতিটি উপজেলায় একটি এবং জেলায় একটি করে সারা দেশে মোট ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সৌদি সরকারের অর্থায়নে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। বর্তমানে সারা দেশে তিন লাখ মসজিদ রয়েছে। যার বেশির ভাগই স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতায় নির্মিত। এছাড়া পটুয়াখালী থেকে গোপালগঞ্জ ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন এবং গোপালগঞ্জে ৪০০ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পও অনুমোদন দিয়েছে একনেক।

প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ মঙ্গলবার শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় সারাদেশে মসজিদ নির্মাণ প্রকল্পটিসহ ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রকল্প অনুমোদনের বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান। অনুমোদিত ১৩ প্রকল্পে ব্যয় হবে ২০ হাজার ৪০২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। প্রকল্প সাহায্য ১০ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা।

জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী গত জুনে সৌদি আরব সফরে মডেল মসজিদ নির্মাণের জন্য সৌদি সরকারকে অর্থায়নে প্রস্তাব দেন। তখন তারা সেটা রাজি হয়। সে প্রেক্ষাপটে এই মসজিদ প্রকল্প। সৌদি আরব দেবে ৮ হাজার ১৬৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা দেবে। ৬৪ জেলায় ৬৮টি স্থানে এবং উপজেলার ৪৯২টি স্থানে এসব নির্মিত হবে। এখানে মহিলা পুরুষ উভয়ের জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা ও দ্বীনি শিক্ষাকেন্দ্র হবে। বিদেশি পর্যটকদের ভ্রমন সুবিধাও তাতে থাকবে।
প্রকল্পে ব্যয় ৯ হাজার ৬২ কোটি টাকা।

পটুয়াখালীর পায়রায় কয়রাভিত্তিক বিদ্যুত কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুত জাতীয় গ্রিডে নেয়ার জন্য ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে। এই জন্য গোপালগঞ্জে একটি ৪০০ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র করা হবে। এতে ব্যয় হবে ৩ হাজার ২৯৪ কোটি টাকা। ওই এলাকার বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর পর বাকিটা আমিনবাজার ৪০০/২৩০/১৩২ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রের মাধ্যমে ঢাকায় সরবরাহ করা হবে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি এটি বাস্তবায়ন করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

বাড়ছে ইরানি হামলার তীব্রতা, অবিলম্বে নাগরিকদের ইসরায়েল ছাড়তে বললো চীন

সারা দেশে ৫৬০ মডেল মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা

আপডেট টাইম : ০৬:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৭

প্রতিটি উপজেলায় একটি এবং জেলায় একটি করে সারা দেশে মোট ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সৌদি সরকারের অর্থায়নে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। বর্তমানে সারা দেশে তিন লাখ মসজিদ রয়েছে। যার বেশির ভাগই স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতায় নির্মিত। এছাড়া পটুয়াখালী থেকে গোপালগঞ্জ ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন এবং গোপালগঞ্জে ৪০০ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পও অনুমোদন দিয়েছে একনেক।

প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ মঙ্গলবার শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় সারাদেশে মসজিদ নির্মাণ প্রকল্পটিসহ ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রকল্প অনুমোদনের বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান। অনুমোদিত ১৩ প্রকল্পে ব্যয় হবে ২০ হাজার ৪০২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। প্রকল্প সাহায্য ১০ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা।

জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী গত জুনে সৌদি আরব সফরে মডেল মসজিদ নির্মাণের জন্য সৌদি সরকারকে অর্থায়নে প্রস্তাব দেন। তখন তারা সেটা রাজি হয়। সে প্রেক্ষাপটে এই মসজিদ প্রকল্প। সৌদি আরব দেবে ৮ হাজার ১৬৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা দেবে। ৬৪ জেলায় ৬৮টি স্থানে এবং উপজেলার ৪৯২টি স্থানে এসব নির্মিত হবে। এখানে মহিলা পুরুষ উভয়ের জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা ও দ্বীনি শিক্ষাকেন্দ্র হবে। বিদেশি পর্যটকদের ভ্রমন সুবিধাও তাতে থাকবে।
প্রকল্পে ব্যয় ৯ হাজার ৬২ কোটি টাকা।

পটুয়াখালীর পায়রায় কয়রাভিত্তিক বিদ্যুত কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুত জাতীয় গ্রিডে নেয়ার জন্য ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে। এই জন্য গোপালগঞ্জে একটি ৪০০ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র করা হবে। এতে ব্যয় হবে ৩ হাজার ২৯৪ কোটি টাকা। ওই এলাকার বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর পর বাকিটা আমিনবাজার ৪০০/২৩০/১৩২ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রের মাধ্যমে ঢাকায় সরবরাহ করা হবে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি এটি বাস্তবায়ন করবে।