ঢাকা , সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা গুমের সঙ্গে জড়িত কেউ আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না: আইনমন্ত্রী পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন অভিযান পুরোপুরি ব্যর্থ: ইরান স্পিকারের সহধর্মিণীর দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে সংবিধানের সমালোচনাকারীরা স্ব-বিরোধিতায় ভুগছেন সংসদে আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে আবেগঘন পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী বাধ্যতামূলক অবসর-চাকরিচ্যুতির বিধান রেখে সরকারি চাকরি সংশোধন বিল পাস ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন নোবেল ২০২৫ সালে বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে ১১ লাখ বাংলাদেশির সরকারি চাকরিতে প্রবেশসীমা ৩২ বছর করে সংসদে বিল পাস

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমদানি বাড়ায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ২৩-২৪ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা নেমেছে ১৫-১৬ টাকায়। আর নিম্নমানের পেঁয়াজের কেজি ১১-১২ টাকা।

করোনার কারণে ৭৫ দিন বন্ধ থাকার পর গত ৮ জুন স্বাস্থ্যবিধি মেনে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়।

আমদানিকারক বাবলুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। সামনে যেহেতু কোরবানি ঈদ, এ সময় পেঁযাজের চাহিদা বেড়ে যায়। এতে পেঁয়াজের আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে, করোনা সংক্রমণরোধে দেশের বিভিন্ন জেলাকে রেড জোন ঘোষণা করার কারণে পেঁয়াজের চাহিদাও কমেছে। যার প্রভাবে দাম কমেছে।

গত সপ্তাহে স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় ২৭৮টি ট্রাকে ৫ হাজার ৮৮৯ মেট্টিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। আর চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই কর্মদিবসে ৭০ ট্রাকে এসেছে ১ হাজার ৭০০ মেট্টিক টন পেঁয়াজ।

তিনি আরো জানান. স্বাস্থবিধি মেনে বন্দর দিয়ে সীমিত পরিসরে আমদানি-রফতানি হওয়ায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আসতে কিছুটা বাড়তি সময় লাগছে। এতে ট্রাকগুলোর বন্দরে প্রবেশ করতে ৪-৫ দিন লাগছে। ফলে অতিরিক্ত গরমে বেশি সময় ট্রাকে বদ্ধ অবস্থায় থাকায় পেঁয়াজ পচে নষ্ট হয়ে মান খারাপ হচ্ছে। এ কারণে দাম কমছে। আমদানিকারকরাও পড়ছেন লোকসানে।

 

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা

আপডেট টাইম : ০২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমদানি বাড়ায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ২৩-২৪ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা নেমেছে ১৫-১৬ টাকায়। আর নিম্নমানের পেঁয়াজের কেজি ১১-১২ টাকা।

করোনার কারণে ৭৫ দিন বন্ধ থাকার পর গত ৮ জুন স্বাস্থ্যবিধি মেনে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়।

আমদানিকারক বাবলুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। সামনে যেহেতু কোরবানি ঈদ, এ সময় পেঁযাজের চাহিদা বেড়ে যায়। এতে পেঁয়াজের আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে, করোনা সংক্রমণরোধে দেশের বিভিন্ন জেলাকে রেড জোন ঘোষণা করার কারণে পেঁয়াজের চাহিদাও কমেছে। যার প্রভাবে দাম কমেছে।

গত সপ্তাহে স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় ২৭৮টি ট্রাকে ৫ হাজার ৮৮৯ মেট্টিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। আর চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই কর্মদিবসে ৭০ ট্রাকে এসেছে ১ হাজার ৭০০ মেট্টিক টন পেঁয়াজ।

তিনি আরো জানান. স্বাস্থবিধি মেনে বন্দর দিয়ে সীমিত পরিসরে আমদানি-রফতানি হওয়ায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আসতে কিছুটা বাড়তি সময় লাগছে। এতে ট্রাকগুলোর বন্দরে প্রবেশ করতে ৪-৫ দিন লাগছে। ফলে অতিরিক্ত গরমে বেশি সময় ট্রাকে বদ্ধ অবস্থায় থাকায় পেঁয়াজ পচে নষ্ট হয়ে মান খারাপ হচ্ছে। এ কারণে দাম কমছে। আমদানিকারকরাও পড়ছেন লোকসানে।