ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাছের সংকটে অস্তিত্বের লড়াইয়ে ভাঙ্গুড়ার ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি শিল্প ইয়োহেই সাসাকাওয়ার নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী, ভ্যাকসিন উৎপাদন কারখানা নিয়ে আলোচনা দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়তে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর গুরুত্বপূর্ণ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জাইকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ জাইকার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সেই বই থেকে দাঁড়িপাল্লা বাদ, সংশোধিত পৃষ্ঠা চূড়ান্ত সোনালী ব্যাংকের এমডি বহাল, তিন ব্যাংকে নতুন নিয়োগ মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযান মালিকদের জন্য সুখবর ড় সাইবার হামলার ঝুঁকিতে ৭০ শতাংশ ওয়েবসাইট দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের সুযোগ পাচ্ছে নতুন কুঁড়ির ৪০ জন ফ্রান্স থেকে স্পেন : ইউরোপজুড়ে কেন আন্দোলনে নেমেছে জেন-জি

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ হবিগঞ্জে আদালতের নির্দেশে স্ত্রী তার মায়ের কাছে ফিরে যাওয়ায় আদালতের সামনে স্বামী আত্মহত্যা করেছেন।

সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা নির্বাহী আদালতের সামনে নিজের পেটে ছুরিকাঘাত করে হাফিজ মিয়া (৩২) আত্মহত্যা করেন। তিনি সদর উপজেলার সুলতান মামদপুর গ্রামের নূর মিয়ার ছেলে। এ তথ্য নিশ্চিত করেন আদালত পরিদর্শক মো. আল-আমিন।

আদালত পরিদর্শক মো. আল-আমিন বলেন, স্ত্রীর সঙ্গে হাফিজের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিলো না। তাই তারা দুইজন আলাদা বসবাস করছিলেন। সম্প্রতি হাফিজ স্ত্রীকে ফিরে পেতে হবিগঞ্জ নির্বাহী আদালতে মামলা করেন। সোমবার বিচারক হাফিজের স্ত্রীর ইচ্ছায় তাকে তার মায়ের সঙ্গে যাওয়ার আদেশ দেন। কিছুক্ষণ পর হাফিজ বাইরে এসে আদালত ভবনের সামনে নিজের বুকে ছুরিকাঘাত করেন।

মো. আল-আমিন বলেন, সেখানে উপস্থিত মানুষ তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। সিলেট নেওয়ার পথে হাফিজের মৃত্যু হয়।

সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মিঠুন রায় বলেন, হাফিজের বুকে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। সদর হাসপাতালে তার প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

মাছের সংকটে অস্তিত্বের লড়াইয়ে ভাঙ্গুড়ার ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি শিল্প

আপডেট টাইম : ১২:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ হবিগঞ্জে আদালতের নির্দেশে স্ত্রী তার মায়ের কাছে ফিরে যাওয়ায় আদালতের সামনে স্বামী আত্মহত্যা করেছেন।

সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা নির্বাহী আদালতের সামনে নিজের পেটে ছুরিকাঘাত করে হাফিজ মিয়া (৩২) আত্মহত্যা করেন। তিনি সদর উপজেলার সুলতান মামদপুর গ্রামের নূর মিয়ার ছেলে। এ তথ্য নিশ্চিত করেন আদালত পরিদর্শক মো. আল-আমিন।

আদালত পরিদর্শক মো. আল-আমিন বলেন, স্ত্রীর সঙ্গে হাফিজের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিলো না। তাই তারা দুইজন আলাদা বসবাস করছিলেন। সম্প্রতি হাফিজ স্ত্রীকে ফিরে পেতে হবিগঞ্জ নির্বাহী আদালতে মামলা করেন। সোমবার বিচারক হাফিজের স্ত্রীর ইচ্ছায় তাকে তার মায়ের সঙ্গে যাওয়ার আদেশ দেন। কিছুক্ষণ পর হাফিজ বাইরে এসে আদালত ভবনের সামনে নিজের বুকে ছুরিকাঘাত করেন।

মো. আল-আমিন বলেন, সেখানে উপস্থিত মানুষ তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। সিলেট নেওয়ার পথে হাফিজের মৃত্যু হয়।

সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মিঠুন রায় বলেন, হাফিজের বুকে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। সদর হাসপাতালে তার প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।