ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

বর্ষায় সুস্থ থাকতে এড়িয়ে চলুন আট খাবার

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ বর্ষাকাল যেমন আনন্দের তেমনি দুঃখেরও। কারণ এই মৌসুমে নানা রকম অসুখ-বিসুখের প্রকোপ বেড়ে যায়। জ্বর, ঠাণ্ডা-কাশি ইত্যাদি সহ পেটের নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাই বর্ষায় খাবার খাওয়া উচিত বুঝে শুনে। কারণ এই সময় খাবারের মাধ্যমে নানানভাবে রোগজীবাণু দেহে প্রবেশ করে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বর্ষায় সুস্থ থাকতে আটটি খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সুস্থ থাকতে বর্ষাকালে  আমাদের কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলা উচিত-

দই

যাদের অ্যাজমা এবং সাইনাসের সমস্যা থাকলে দই এড়িয়ে চলা উচিত।

আম

আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে, বর্ষাকালে আম খেলে গুরুতর ব্রণের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

নদী ও সামদ্রিক খাবার

বর্ষাকাল মাছের ডিম ছাড়ার সময়। তাই এ সময় মাছ না খেয়ে মাংস-জাতীয় খাবার খাওয়া ভালো।

চাট-জাতীয় খাবার

প্রচলিত চাট-জাতীয় খাবার যেমন- ফুচকা, ভেলপুরি, দই-ফুচকা ইত্যাদি বর্ষাকালে খাওয়া ঠিক নয়। এতে ব্যবহৃত চটকদার টক পানীয় যকৃতে সংক্রমণের সৃষ্টি করে। যার ফলে ডায়ারিয়া ও জন্ডিস হতে পারে।

কাঁচা খাবার

কাঁচা খাবার বর্ষাকালে এড়িয়ে চলা ভালো। এতে শরীরে জীবাণুর সংক্রমণ হতে পারে। যদি তাজা খাবার খাওয়ার ডায়েট অনুসরণ করে থাকেন, তাহলে সিদ্ধ করে খাওয়া ভালো।

মাশরুম

মাশরুম মূলত ভেজা মাটিতে জন্মে। তাই বর্ষাকালে এতে সংক্রমণ ও ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে। সে কারণে বর্ষাকালে মাশরুম না খাওয়াই ভালো।

রাস্তার পাশের ফলের রস

রাস্তার পরিশোধিত পানিতে খোলা অবস্থায় রাখা ফলের রস খেলে শরীর অসুস্থ হতে পারে। তাই রাস্তায় না খেয়ে বরং বাড়িতেই তাজা ফলের রস তৈরি করে পান করা উচিত।

ভাজাপোড়া খাবার

ভাজাপোড়া খাবার সবসময়ই হজমে সমস্যা করে। বর্ষার ভ্যাপসা পরিবেশে এর ফলাফল হয় আরও খারাপ। তাই ভাজাপোড়া খাবার যেমন- সমুচা, জিলাপি, পুরি এবং অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

বর্ষায় সুস্থ থাকতে এড়িয়ে চলুন আট খাবার

আপডেট টাইম : ১০:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ জুন ২০২১

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ বর্ষাকাল যেমন আনন্দের তেমনি দুঃখেরও। কারণ এই মৌসুমে নানা রকম অসুখ-বিসুখের প্রকোপ বেড়ে যায়। জ্বর, ঠাণ্ডা-কাশি ইত্যাদি সহ পেটের নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাই বর্ষায় খাবার খাওয়া উচিত বুঝে শুনে। কারণ এই সময় খাবারের মাধ্যমে নানানভাবে রোগজীবাণু দেহে প্রবেশ করে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বর্ষায় সুস্থ থাকতে আটটি খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সুস্থ থাকতে বর্ষাকালে  আমাদের কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলা উচিত-

দই

যাদের অ্যাজমা এবং সাইনাসের সমস্যা থাকলে দই এড়িয়ে চলা উচিত।

আম

আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে, বর্ষাকালে আম খেলে গুরুতর ব্রণের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

নদী ও সামদ্রিক খাবার

বর্ষাকাল মাছের ডিম ছাড়ার সময়। তাই এ সময় মাছ না খেয়ে মাংস-জাতীয় খাবার খাওয়া ভালো।

চাট-জাতীয় খাবার

প্রচলিত চাট-জাতীয় খাবার যেমন- ফুচকা, ভেলপুরি, দই-ফুচকা ইত্যাদি বর্ষাকালে খাওয়া ঠিক নয়। এতে ব্যবহৃত চটকদার টক পানীয় যকৃতে সংক্রমণের সৃষ্টি করে। যার ফলে ডায়ারিয়া ও জন্ডিস হতে পারে।

কাঁচা খাবার

কাঁচা খাবার বর্ষাকালে এড়িয়ে চলা ভালো। এতে শরীরে জীবাণুর সংক্রমণ হতে পারে। যদি তাজা খাবার খাওয়ার ডায়েট অনুসরণ করে থাকেন, তাহলে সিদ্ধ করে খাওয়া ভালো।

মাশরুম

মাশরুম মূলত ভেজা মাটিতে জন্মে। তাই বর্ষাকালে এতে সংক্রমণ ও ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে। সে কারণে বর্ষাকালে মাশরুম না খাওয়াই ভালো।

রাস্তার পাশের ফলের রস

রাস্তার পরিশোধিত পানিতে খোলা অবস্থায় রাখা ফলের রস খেলে শরীর অসুস্থ হতে পারে। তাই রাস্তায় না খেয়ে বরং বাড়িতেই তাজা ফলের রস তৈরি করে পান করা উচিত।

ভাজাপোড়া খাবার

ভাজাপোড়া খাবার সবসময়ই হজমে সমস্যা করে। বর্ষার ভ্যাপসা পরিবেশে এর ফলাফল হয় আরও খারাপ। তাই ভাজাপোড়া খাবার যেমন- সমুচা, জিলাপি, পুরি এবং অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন।