ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

কিশোর বয়সের মানসিক স্বাস্থ্য

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ কিশোর বয়সে এসে ছেলেমেয়েদের মন মানসিকতায় অনেক পরিবর্তন আসে। বাস্তবতার চেয়ে আবেগকে বেশি প্রাধান্য দেয় এই বয়সীরা। অন্যের দ্বারাও খুব বেশি প্রভাবিত হয়।  এই সময়টাতে পা পিছলে গেলে জীবনের পরবর্তী ধাপে অন্ধকার নেমে আসে। কিন্তু যদি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা যায় তাহলেই সুন্দর ও মসৃণ পথ সম্ভব।

আবেগের বশে পড়ে কিশোর বয়সে অনেকেই অনেক ভুল করে ফেলে এবং এর জন্য পরে অনুশোচনা করতে হয়। এই বয়সটাতে প্রায় সময়ই এই ঘটনা ঘটে। এ থেকে মুক্তির জন্য ছেলেমেয়েদের নিজেদের পাশাপাশি তাদের পিতামাতাকেও কিছু দায়িত্ব পালন করতে হবে।

পিতামাতার করণীয়: 

১.বাবা মায়ের এই বয়সটাতে উচিত ছেলেমেয়েদের সাথে বন্ধুর মত সম্পর্ক রাখা। তাদের নিজেদের আবেগ- অনুভূতি ভাগাভাগি করে নেওয়া সুযোগ দিন।

২. নিজেদের মত করে চিন্তা না করে সন্তানের মত করে ভাবুন। তবে তা যেনো অবশ্যই সন্তানের ভালোর জন্য হয়।

৩. সন্তান কোন সমস্যায় পড়লে খোলাখুলি কথা বলুন এবং কীভাবে তার সমাধান হতে পারে সে বিষয়ে কথা বলুন।

৪. ছেলেমেয়েদের অনুপ্রেরণা যোগান, তাদের সাহসী ও আত্মবিশ্বাসী হতে সাহায্য করুন।

পিতামাতার পাশাপাশি ছেলেমেয়েদের উচিত এই বয়সে পড়াশোনার প্রতি বেশি মনোযোগী হওয়া।  এছাড়া বই পড়া, পচ্ছন্দের গান শোনা, নিজের পচ্ছন্দের কাজ করার মাধ্যমে সময় কাটানো যেতে পারে। চেষ্টা করতে হবে আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

কিশোর বয়সের মানসিক স্বাস্থ্য

আপডেট টাইম : ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুলাই ২০২১

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ কিশোর বয়সে এসে ছেলেমেয়েদের মন মানসিকতায় অনেক পরিবর্তন আসে। বাস্তবতার চেয়ে আবেগকে বেশি প্রাধান্য দেয় এই বয়সীরা। অন্যের দ্বারাও খুব বেশি প্রভাবিত হয়।  এই সময়টাতে পা পিছলে গেলে জীবনের পরবর্তী ধাপে অন্ধকার নেমে আসে। কিন্তু যদি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা যায় তাহলেই সুন্দর ও মসৃণ পথ সম্ভব।

আবেগের বশে পড়ে কিশোর বয়সে অনেকেই অনেক ভুল করে ফেলে এবং এর জন্য পরে অনুশোচনা করতে হয়। এই বয়সটাতে প্রায় সময়ই এই ঘটনা ঘটে। এ থেকে মুক্তির জন্য ছেলেমেয়েদের নিজেদের পাশাপাশি তাদের পিতামাতাকেও কিছু দায়িত্ব পালন করতে হবে।

পিতামাতার করণীয়: 

১.বাবা মায়ের এই বয়সটাতে উচিত ছেলেমেয়েদের সাথে বন্ধুর মত সম্পর্ক রাখা। তাদের নিজেদের আবেগ- অনুভূতি ভাগাভাগি করে নেওয়া সুযোগ দিন।

২. নিজেদের মত করে চিন্তা না করে সন্তানের মত করে ভাবুন। তবে তা যেনো অবশ্যই সন্তানের ভালোর জন্য হয়।

৩. সন্তান কোন সমস্যায় পড়লে খোলাখুলি কথা বলুন এবং কীভাবে তার সমাধান হতে পারে সে বিষয়ে কথা বলুন।

৪. ছেলেমেয়েদের অনুপ্রেরণা যোগান, তাদের সাহসী ও আত্মবিশ্বাসী হতে সাহায্য করুন।

পিতামাতার পাশাপাশি ছেলেমেয়েদের উচিত এই বয়সে পড়াশোনার প্রতি বেশি মনোযোগী হওয়া।  এছাড়া বই পড়া, পচ্ছন্দের গান শোনা, নিজের পচ্ছন্দের কাজ করার মাধ্যমে সময় কাটানো যেতে পারে। চেষ্টা করতে হবে আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখার।