ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

চট্টগ্রামে জোড়া খুন, ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মামলা

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানার চন্দনপুরা এক্সেস রোড এলাকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) বাকলিয়া থানায় নিহত মোহাম্মদ মানিকের মা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় চট্টগ্রামের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী শারমিনকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও আরও পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং ৬-৭ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গত ২৯ মার্চ দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে চন্দনপুরা এক্সেস রোড এলাকায় একটি প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন মোহাম্মদ মানিক ও আবদুল্লাহ। একই ঘটনায় আরও দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, চট্টগ্রামের দুই সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ ও সারোয়ার হোসেন বাবলার মধ্যে বিরোধের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। নিহত মানিক সারোয়ারের গাড়ির চালক এবং আবদুল্লাহ তার ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন।

ঘটনার দিন রাতে নতুন ব্রিজ এলাকায় আড্ডা শেষে সারোয়ার, মানিক, আবদুল্লাহ ও আরও কয়েকজন বহদ্দারহাটের দিকে রওনা হন। রাজাখালী ব্রিজে পৌঁছালে ৬-৭টি মোটরসাইকেল থেকে তাদের প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। প্রাণে বাঁচতে মানিক গাড়িটি ঘুরিয়ে বাকলিয়া এক্সেস রোড হয়ে চকবাজারের দিকে নিয়ে যান। সোয়া ২টার দিকে চকবাজার থানার নবাব সিরাজউদ্দৌলা সড়কে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা গাড়ি থামিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়, এতে মানিক ও আবদুল্লাহ গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী শারমিন পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হামলার নির্দেশ দেন। তারা সারোয়ার হোসেন বাবলা ও তার সহযোগীদের হত্যার পরিকল্পনা করেছিল।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন জানান, সাতজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। এই হত্যাকাণ্ড চট্টগ্রামের অপরাধ চিত্রকে আরও উন্মোচিত করেছে, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

চট্টগ্রামে জোড়া খুন, ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মামলা

আপডেট টাইম : ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানার চন্দনপুরা এক্সেস রোড এলাকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) বাকলিয়া থানায় নিহত মোহাম্মদ মানিকের মা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় চট্টগ্রামের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী শারমিনকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও আরও পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং ৬-৭ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গত ২৯ মার্চ দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে চন্দনপুরা এক্সেস রোড এলাকায় একটি প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন মোহাম্মদ মানিক ও আবদুল্লাহ। একই ঘটনায় আরও দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, চট্টগ্রামের দুই সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ ও সারোয়ার হোসেন বাবলার মধ্যে বিরোধের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। নিহত মানিক সারোয়ারের গাড়ির চালক এবং আবদুল্লাহ তার ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন।

ঘটনার দিন রাতে নতুন ব্রিজ এলাকায় আড্ডা শেষে সারোয়ার, মানিক, আবদুল্লাহ ও আরও কয়েকজন বহদ্দারহাটের দিকে রওনা হন। রাজাখালী ব্রিজে পৌঁছালে ৬-৭টি মোটরসাইকেল থেকে তাদের প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। প্রাণে বাঁচতে মানিক গাড়িটি ঘুরিয়ে বাকলিয়া এক্সেস রোড হয়ে চকবাজারের দিকে নিয়ে যান। সোয়া ২টার দিকে চকবাজার থানার নবাব সিরাজউদ্দৌলা সড়কে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা গাড়ি থামিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়, এতে মানিক ও আবদুল্লাহ গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী শারমিন পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হামলার নির্দেশ দেন। তারা সারোয়ার হোসেন বাবলা ও তার সহযোগীদের হত্যার পরিকল্পনা করেছিল।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন জানান, সাতজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। এই হত্যাকাণ্ড চট্টগ্রামের অপরাধ চিত্রকে আরও উন্মোচিত করেছে, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।