ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

হাদিসের কথা অন্যের আসনে বসে যাওয়া অনুচিত

عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ لاَ يُقِمْ أَحَدُكُمْ أَخَاهُ مِنْ مَجْلِسِهِ ثُمَّ يَجْلِسُ فِيهِ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

ইবনে উমর (রা.) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তোমাদের মাঝে কোনো ব্যক্তি যেন তার কোনো ভাইকে তার আসন থেকে তুলে দিয়ে সেই আসনে না বসে

আবু ঈসা (ইমাম তিরমিজি) বলেন, এ হাদিসটি হাসান সহীহ।

-(তিরমিজি, হাদিস: ২৭৪৯; বুখারি, হাদিস: ৬২৬৯; মুসলিম, হাদিস: ২১৭৭)

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা :

এই হাদিসটি ইসলামের শালীনতা, ভদ্রতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের অনন্য উদাহরণ। এখানে মূলত অন্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং অহংকার পরিহারের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।

কাউকে আসন থেকে উঠিয়ে দেওয়া মানে হলো: কোনো বৈঠক বা মজলিসে কেউ আগে বসে থাকলে তাকে সেখান থেকে উঠিয়ে দিয়ে নিজে সেখানে বসা। এটি নিষেধ। এটি অন্যের অপমান ও অহংকার প্রকাশের নিদর্শন বলে গণ্য হয়।

ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি হলো: সব মুসলমান পরস্পরের ভাই, কেউ কাউকে তুচ্ছজ্ঞান করবে না।

বসার আসনে আগেই বসা ব্যক্তিকে সম্মান করা উচিত, তাকে উঠিয়ে দেওয়া অনুচিত।তবে যদি কেউ স্বেচ্ছায় উঠে জায়গা দেয়, কিংবা কাউকে সম্মানের কারণে নিজে উঠে জায়গা দেয়, তাহলে তা অনুমোদিত ও নেক আমল হিসেবেই বিবেচিত হবে।

-(ইবনে হাজার, ফাতহুল বারি)।

এই হাদীস আমাদের শিক্ষা দেয়

একজন মুসলমান অন্য মুসলমানের মর্যাদা রক্ষা করবে,

অহংকার বা ক্ষমতার অপব্যবহার করে কারো অধিকার হরণ করবে না,

বিনয় ও শালীনতার সঙ্গে সমাজে চলবে।

এটিই ইসলামী সামাজিক শিষ্টাচারের নান্দনিকতা।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে আমল করার তাফিক দান করুন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

হাদিসের কথা অন্যের আসনে বসে যাওয়া অনুচিত

আপডেট টাইম : ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫

عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ لاَ يُقِمْ أَحَدُكُمْ أَخَاهُ مِنْ مَجْلِسِهِ ثُمَّ يَجْلِسُ فِيهِ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

ইবনে উমর (রা.) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তোমাদের মাঝে কোনো ব্যক্তি যেন তার কোনো ভাইকে তার আসন থেকে তুলে দিয়ে সেই আসনে না বসে

আবু ঈসা (ইমাম তিরমিজি) বলেন, এ হাদিসটি হাসান সহীহ।

-(তিরমিজি, হাদিস: ২৭৪৯; বুখারি, হাদিস: ৬২৬৯; মুসলিম, হাদিস: ২১৭৭)

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা :

এই হাদিসটি ইসলামের শালীনতা, ভদ্রতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের অনন্য উদাহরণ। এখানে মূলত অন্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং অহংকার পরিহারের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।

কাউকে আসন থেকে উঠিয়ে দেওয়া মানে হলো: কোনো বৈঠক বা মজলিসে কেউ আগে বসে থাকলে তাকে সেখান থেকে উঠিয়ে দিয়ে নিজে সেখানে বসা। এটি নিষেধ। এটি অন্যের অপমান ও অহংকার প্রকাশের নিদর্শন বলে গণ্য হয়।

ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি হলো: সব মুসলমান পরস্পরের ভাই, কেউ কাউকে তুচ্ছজ্ঞান করবে না।

বসার আসনে আগেই বসা ব্যক্তিকে সম্মান করা উচিত, তাকে উঠিয়ে দেওয়া অনুচিত।তবে যদি কেউ স্বেচ্ছায় উঠে জায়গা দেয়, কিংবা কাউকে সম্মানের কারণে নিজে উঠে জায়গা দেয়, তাহলে তা অনুমোদিত ও নেক আমল হিসেবেই বিবেচিত হবে।

-(ইবনে হাজার, ফাতহুল বারি)।

এই হাদীস আমাদের শিক্ষা দেয়

একজন মুসলমান অন্য মুসলমানের মর্যাদা রক্ষা করবে,

অহংকার বা ক্ষমতার অপব্যবহার করে কারো অধিকার হরণ করবে না,

বিনয় ও শালীনতার সঙ্গে সমাজে চলবে।

এটিই ইসলামী সামাজিক শিষ্টাচারের নান্দনিকতা।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে আমল করার তাফিক দান করুন।