ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

বিদ্যমান এইচ-ওয়ান বি ভিসাধারীরা এক লাখ ডলার ফি থেকে মুক্ত

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, নতুন এইচ-ওয়ান বি ভিসার জন্য ১ লাখ ডলার ফি কেবল নতুন আবেদনকারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে। যারা ইতিমধ্যেই ভিসা পেয়েছেন, তাদের জন্য এ ফি দিতে হবে না।

এই ঘোষণা আসে একদিন পর, যখন মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক বলেছিলেন যে- ফি বার্ষিকভাবে পরিশোধ করতে হবে এবং এটি নতুন ভিসা আবেদনকারীদের পাশাপাশি নবায়নকারী ভিসাধারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

লুটনিকের মন্তব্যের পর অ্যামাজন, মাইক্রোসফট, মেটা এবং আলফাবেট (গুগলের প্যারেন্ট কোম্পানি) সহ বড় বড় টেক কোম্পানিগুলো তাদের এইচ-ওয়ান বি ভিসাধারী কর্মীদের সতর্ক করেছে যে তারা দেশে থাকুন অথবা দ্রুত ফিরে আসুন।

তবে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলাইন লিভিট্ স্পষ্ট করে বলেছেন যে, ফি কেবল নতুন ভিসার জন্য প্রযোজ্য এবং এই নিয়ম বর্তমান ভিসাধারীদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াতের ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে না।

তিনি লিখেছেন, ‘এটি বার্ষিক ফি নয়। এটি কেবল পিটিশনের জন্য একবারের ফি।’

লিভিট্ আরও উল্লেখ করেছেন, ‘যারা ইতিমধ্যেই এইচ-ওয়ান বি ভিসা রাখছেন এবং বর্তমানে দেশের বাইরে আছেন, তাদের পুনঃপ্রবেশের জন্য এ ফি দিতে হবে না। এটি কেবল নতুন ভিসার জন্য প্রযোজ্য, নবায়ন বা বিদ্যমান ভিসাধারীদের জন্য নয়।’

এইচ-ওয়ান বি একটি বিশেষ ভিসা কর্মসূচি, যার আওতায় মার্কিন কোম্পানিগুলো অস্থায়ীভাবে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ দিয়ে থাকে। ২০০৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি বা প্রকল্পের আওতায় প্রতি বছর ৮৫ হাজার বিদেশি কর্মীকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ও কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়। মার্কিন পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, অ্যামাজন, মাইক্রোসফট, মেটা, অ্যাপল, গুগল প্রভৃতি কোম্পানিগুলো এই ভিসা কর্মসূচির সবচেয়ে বড় লাভবান বা সুবিধাভোগী। শত শত বিদেশি কর্মী এসব কোম্পানিতে কাজ করেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিখাতের কর্মীদের বলা হয় স্টেম ওয়ার্কার।

এতদিন এই প্রোগ্রামে নিবন্ধিত কোম্পানিগুলোকে ভিসা বাবদ প্রতি বছর ১ হাজার ৫০০ ডলার ফি দিতে হতো। সেটি এখন এক লাফে বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

বিদ্যমান এইচ-ওয়ান বি ভিসাধারীরা এক লাখ ডলার ফি থেকে মুক্ত

আপডেট টাইম : ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, নতুন এইচ-ওয়ান বি ভিসার জন্য ১ লাখ ডলার ফি কেবল নতুন আবেদনকারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে। যারা ইতিমধ্যেই ভিসা পেয়েছেন, তাদের জন্য এ ফি দিতে হবে না।

এই ঘোষণা আসে একদিন পর, যখন মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক বলেছিলেন যে- ফি বার্ষিকভাবে পরিশোধ করতে হবে এবং এটি নতুন ভিসা আবেদনকারীদের পাশাপাশি নবায়নকারী ভিসাধারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

লুটনিকের মন্তব্যের পর অ্যামাজন, মাইক্রোসফট, মেটা এবং আলফাবেট (গুগলের প্যারেন্ট কোম্পানি) সহ বড় বড় টেক কোম্পানিগুলো তাদের এইচ-ওয়ান বি ভিসাধারী কর্মীদের সতর্ক করেছে যে তারা দেশে থাকুন অথবা দ্রুত ফিরে আসুন।

তবে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলাইন লিভিট্ স্পষ্ট করে বলেছেন যে, ফি কেবল নতুন ভিসার জন্য প্রযোজ্য এবং এই নিয়ম বর্তমান ভিসাধারীদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াতের ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে না।

তিনি লিখেছেন, ‘এটি বার্ষিক ফি নয়। এটি কেবল পিটিশনের জন্য একবারের ফি।’

লিভিট্ আরও উল্লেখ করেছেন, ‘যারা ইতিমধ্যেই এইচ-ওয়ান বি ভিসা রাখছেন এবং বর্তমানে দেশের বাইরে আছেন, তাদের পুনঃপ্রবেশের জন্য এ ফি দিতে হবে না। এটি কেবল নতুন ভিসার জন্য প্রযোজ্য, নবায়ন বা বিদ্যমান ভিসাধারীদের জন্য নয়।’

এইচ-ওয়ান বি একটি বিশেষ ভিসা কর্মসূচি, যার আওতায় মার্কিন কোম্পানিগুলো অস্থায়ীভাবে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ দিয়ে থাকে। ২০০৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি বা প্রকল্পের আওতায় প্রতি বছর ৮৫ হাজার বিদেশি কর্মীকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ও কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়। মার্কিন পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, অ্যামাজন, মাইক্রোসফট, মেটা, অ্যাপল, গুগল প্রভৃতি কোম্পানিগুলো এই ভিসা কর্মসূচির সবচেয়ে বড় লাভবান বা সুবিধাভোগী। শত শত বিদেশি কর্মী এসব কোম্পানিতে কাজ করেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিখাতের কর্মীদের বলা হয় স্টেম ওয়ার্কার।

এতদিন এই প্রোগ্রামে নিবন্ধিত কোম্পানিগুলোকে ভিসা বাবদ প্রতি বছর ১ হাজার ৫০০ ডলার ফি দিতে হতো। সেটি এখন এক লাফে বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করা হয়েছে।