ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজা পরিকল্পনা নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের ভোট সোমবার

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সোমবার (১৭ নভেম্বর) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা সমর্থনের প্রস্তাবে ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন কূটনীতিকরা।

আরব নিউজ সূত্রে জানা গেছে, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা শুরু করে। এই প্রস্তাবটি ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে দুই বছর ধরে চলা যুদ্ধের যুদ্ধবিরতির পরবর্তী প্রক্রিয়া এবং ট্রাম্পের পরিকল্পনাকে সমর্থন করার লক্ষ্যেই আনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার যে খসড়া প্রস্তাবটি দেখা গেছে, তাতে “বোর্ড অফ পিস” গঠনের বিষয়টি স্বাগত জানানো হয়েছে। এটি গাজার জন্য একটি অন্তর্বর্তীকালীন শাসন কাঠামো, যেখানে ট্রাম্প তাত্ত্বিকভাবে প্রধান হিসেবে থাকার কথা। এই ম্যান্ডেট চলবে ২০২৭ সালের শেষ পর্যন্ত।

প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে একটি সাময়িক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী (আইএসএফ) গঠনের অনুমোদন দেওয়া হবে। এই বাহিনী ইসরায়েল, মিসর এবং নবগঠিত ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে কাজ করবে-সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গাজাকে অস্ত্রমুক্ত করার জন্য।

আগের খসড়াগুলোতে এই বিষয়টি ছিল না, তবে সর্বশেষ খসড়ায় ভবিষ্যতে সম্ভাব্য একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিকল্পনা নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের ভোট সোমবার

আপডেট টাইম : ০২:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সোমবার (১৭ নভেম্বর) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা সমর্থনের প্রস্তাবে ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন কূটনীতিকরা।

আরব নিউজ সূত্রে জানা গেছে, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা শুরু করে। এই প্রস্তাবটি ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে দুই বছর ধরে চলা যুদ্ধের যুদ্ধবিরতির পরবর্তী প্রক্রিয়া এবং ট্রাম্পের পরিকল্পনাকে সমর্থন করার লক্ষ্যেই আনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার যে খসড়া প্রস্তাবটি দেখা গেছে, তাতে “বোর্ড অফ পিস” গঠনের বিষয়টি স্বাগত জানানো হয়েছে। এটি গাজার জন্য একটি অন্তর্বর্তীকালীন শাসন কাঠামো, যেখানে ট্রাম্প তাত্ত্বিকভাবে প্রধান হিসেবে থাকার কথা। এই ম্যান্ডেট চলবে ২০২৭ সালের শেষ পর্যন্ত।

প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে একটি সাময়িক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী (আইএসএফ) গঠনের অনুমোদন দেওয়া হবে। এই বাহিনী ইসরায়েল, মিসর এবং নবগঠিত ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে কাজ করবে-সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গাজাকে অস্ত্রমুক্ত করার জন্য।

আগের খসড়াগুলোতে এই বিষয়টি ছিল না, তবে সর্বশেষ খসড়ায় ভবিষ্যতে সম্ভাব্য একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।