ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিচারপতি মামনুন রহমান ও নাইমা হায়দারের পদত্যাগ

পদত্যাগ করেছেন হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দার। তাদের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে বলে সুপ্রিম কোর্টের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিচারপতি মামনুন রহমান গত ২ ফেব্রুয়ারি ই-মেইলে পাঠানো পত্রের মাধ্যমে এবং বিচারপতি নাইমা হায়দার গত ৫ ফেব্রুয়ারি নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করার ইচ্ছা পোষণ করেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। ইতোমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে তাদের পদত্যাগপত্র দুটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।
আইনজীবী রেজাউর রহমানের ছেলে মামনুন রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) এবং এলএলএম অর্জন করেন।
তিনি ১৯৮৯ সালের ২৬ নভেম্বর জেলা আদালতে, ১৯৯০ সালের ২৯ মে সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগে এবং ২০০১ সালের ২৫ অক্টোবর আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
২০০৪ সালের ২৩ অগাস্ট হাই কোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হন এবং ২০০৬ সালের ২৩ অগাস্ট একই বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন। মামনুন রহমান ১৯৯০ সালে ফ্রান্সের স্ট্রাসবার্গ, ১৯৯৭ সালে ভারতের নয়াদিল্লি, ২০০৭ সালে ভারতের কলকাতা এবং ২০০৯ সারে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন, সেমিনার এবং স্টাডি সেশনে অংশগ্রহণ করেন।
সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর মেয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও এলএলএম ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
এছাড়াও তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলি বা ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়াশোনা করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৯৩ সালে হাই কোর্ট বিভাগ ও ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন নাইমা হায়দার।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

বিচারপতি মামনুন রহমান ও নাইমা হায়দারের পদত্যাগ

আপডেট টাইম : ০৬:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
পদত্যাগ করেছেন হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দার। তাদের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে বলে সুপ্রিম কোর্টের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিচারপতি মামনুন রহমান গত ২ ফেব্রুয়ারি ই-মেইলে পাঠানো পত্রের মাধ্যমে এবং বিচারপতি নাইমা হায়দার গত ৫ ফেব্রুয়ারি নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করার ইচ্ছা পোষণ করেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। ইতোমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে তাদের পদত্যাগপত্র দুটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।
আইনজীবী রেজাউর রহমানের ছেলে মামনুন রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) এবং এলএলএম অর্জন করেন।
তিনি ১৯৮৯ সালের ২৬ নভেম্বর জেলা আদালতে, ১৯৯০ সালের ২৯ মে সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগে এবং ২০০১ সালের ২৫ অক্টোবর আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
২০০৪ সালের ২৩ অগাস্ট হাই কোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হন এবং ২০০৬ সালের ২৩ অগাস্ট একই বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন। মামনুন রহমান ১৯৯০ সালে ফ্রান্সের স্ট্রাসবার্গ, ১৯৯৭ সালে ভারতের নয়াদিল্লি, ২০০৭ সালে ভারতের কলকাতা এবং ২০০৯ সারে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন, সেমিনার এবং স্টাডি সেশনে অংশগ্রহণ করেন।
সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর মেয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও এলএলএম ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
এছাড়াও তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলি বা ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়াশোনা করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৯৩ সালে হাই কোর্ট বিভাগ ও ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন নাইমা হায়দার।