ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সরকার সব সময় রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাওরে ডাকাতদের ‘শেষ ওয়ার্নিং’ দিলেন এমপি ফজলুর রহমান অধ্যাপক পাভেলকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী রেশন সুবিধা পাচ্ছেন ১২-২০ গ্রেডের চাকরিজীবীরা

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল।

বিএনপি সংস্কার চায় না এবং জুলাই জাতীয় সনদ মানে না বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। জুলাই সনদের প্রতিটি বাক্য আমরা ধারণ করি। এটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলিল। ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা রহিত করা রয়েছে। তিনি কোনো আদেশ দ্বারা সার্বভৌম সংসদের ক্ষমতা হ্রাস করতে পারেন না।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ শীর্ষক বিষয়ে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আর্টিকেল ৭২ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন ডেকেছেন। উপদেষ্টা হিসেবে যখন শপথ নিয়েছেন তখন সংবিধান এবং রাষ্ট্রপতি ভালো ছিলেন। আদেশটা বৈধ আইন না।

সংবিধানের চতুর্থ তফশিলের ধারা ১৭/২ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আদেশের জন্মই বৈধ হলো না। এই আদেশটা নিউট্রাল জেন্ডার। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সংস্কার চায় না এবং জুলাই জাতীয় সনদ মানে না বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। জুলাই সনদের প্রতিটি বাক্য আমরা ধারণ করি। এটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলিল। ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা রহিত করা রয়েছে। তিনি কোনো আদেশ দ্বারা সার্বভৌম সংসদের ক্ষমতা হ্রাস করতে পারেন না।

তিনি বলেন, জনরায়কে সম্মান করতে হবে। কিন্তু এই ৭০ শতাংশ মানুষের তো সমর্থন দেওয়ার কথা ছিল জুলাই সনদের পক্ষে হ্যাঁ বা না বলার। এ আদেশ এখতিয়ার বহির্ভূত। অধ্যাদেশের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি সার্বিভৌম ক্ষমতাকে খর্ব করেছেন। অন্তর্বতী সরকার সংবিধান লঙ্ঘন করেছে। নোট অব ডিসেন্টসহ প্রশ্ন লিখলেন না, এটি জাতীয় প্রতারণা। চার প্রশ্নের জবাবে একটি উত্তরে কেন বাধ্য করা হলো? আমি রাষ্ট্রপতিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনি কি আদেশ জারি করতে পারেন? তিনি বলেছিলেন, আমি তো পারি না, আমাকে পারাচ্ছে। রাজ হংসীকে জোর করে সোনার ডিম পাড়ানোর মতো। এখন সেটি অবৈধ ডিম।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের কাগজ সংসদে পাঠানোর এখতিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের ছিল না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের কাগজ সংসদ সদস্যদের হাতে কীভাবে গেল, তা সংসদ সচিবের কাছে জানতে চাই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল।

বিএনপি সংস্কার চায় না এবং জুলাই জাতীয় সনদ মানে না বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। জুলাই সনদের প্রতিটি বাক্য আমরা ধারণ করি। এটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলিল। ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা রহিত করা রয়েছে। তিনি কোনো আদেশ দ্বারা সার্বভৌম সংসদের ক্ষমতা হ্রাস করতে পারেন না।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ শীর্ষক বিষয়ে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আর্টিকেল ৭২ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন ডেকেছেন। উপদেষ্টা হিসেবে যখন শপথ নিয়েছেন তখন সংবিধান এবং রাষ্ট্রপতি ভালো ছিলেন। আদেশটা বৈধ আইন না।

সংবিধানের চতুর্থ তফশিলের ধারা ১৭/২ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আদেশের জন্মই বৈধ হলো না। এই আদেশটা নিউট্রাল জেন্ডার। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সংস্কার চায় না এবং জুলাই জাতীয় সনদ মানে না বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। জুলাই সনদের প্রতিটি বাক্য আমরা ধারণ করি। এটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলিল। ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা রহিত করা রয়েছে। তিনি কোনো আদেশ দ্বারা সার্বভৌম সংসদের ক্ষমতা হ্রাস করতে পারেন না।

তিনি বলেন, জনরায়কে সম্মান করতে হবে। কিন্তু এই ৭০ শতাংশ মানুষের তো সমর্থন দেওয়ার কথা ছিল জুলাই সনদের পক্ষে হ্যাঁ বা না বলার। এ আদেশ এখতিয়ার বহির্ভূত। অধ্যাদেশের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি সার্বিভৌম ক্ষমতাকে খর্ব করেছেন। অন্তর্বতী সরকার সংবিধান লঙ্ঘন করেছে। নোট অব ডিসেন্টসহ প্রশ্ন লিখলেন না, এটি জাতীয় প্রতারণা। চার প্রশ্নের জবাবে একটি উত্তরে কেন বাধ্য করা হলো? আমি রাষ্ট্রপতিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনি কি আদেশ জারি করতে পারেন? তিনি বলেছিলেন, আমি তো পারি না, আমাকে পারাচ্ছে। রাজ হংসীকে জোর করে সোনার ডিম পাড়ানোর মতো। এখন সেটি অবৈধ ডিম।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের কাগজ সংসদে পাঠানোর এখতিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের ছিল না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের কাগজ সংসদ সদস্যদের হাতে কীভাবে গেল, তা সংসদ সচিবের কাছে জানতে চাই।