ঢাকা , বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জের সিংহপুরুষ বিদ্যুৎমন্ত্রী টুকুর সংগ্রাম, রাজনীতি বর্ণাঢ্য জীবন বিয়ে নয়, বাগদান সম্পন্ন হয়েছে লুবাবার ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডের টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না: প্রধানমন্ত্রী আন্দোলনে যাচ্ছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট হেফাজতের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সাথে সাক্ষাৎ : ফটিকছড়িতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০০ মার্কিন পাইলটের আবাসন গুঁড়িয়ে দিলো ইরান, বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস আওয়ামী লীগের আমলে পাচার হয়েছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার : প্রধানমন্ত্রী বাসস এমডি মাহবুব মোর্শেদের নিয়োগ বাতিল করে প্রজ্ঞাপন সরকারি চাকরিতে শূন্যপদ ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০ তরমুজের নাম বেঙ্গল টাইগার! জেনে নিন তরমুজের ইতিহাস, পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং পাকা তরমুজ চেনার উপায়

মার্চে এলো দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স

বিদায়ী মার্চ মাসে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭৫ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি। দেশের ইতিহাসে একক কোনো মাসে আসা সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এটি। আজ বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বলছে, চলতি বছরের মার্চে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫ হাজার ডলার। গত ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩০১ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার। গত বছরের মার্চে এসেছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার।

এর আগে দেশের ইতিহাসে একক কোনো মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল গত বছরের মার্চে। ওই মাসটিতে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল গত বছরের ডিসেম্বরে। ওই মাসে রেমিট্যান্স আসে ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার। তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে গত জানুয়ারিতে। যার পরিমাণ ছিল ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মার্চে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ২৬৪ কোটি ৫০ হাজার ডলার, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৪ কোটি দুই লাখ ৮০ হাজার ডলার ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। এছাড়া বিদেশি ব্যাংকগুলোর শাখার মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে এক কোটি ২০ হাজার ডলার।

দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে গত মার্চে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকটির মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ৫৮ কোটি ৯৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। এই ব্যাংকটির মাধ্যমে এসেছে ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। পরের অবস্থানে থাকা ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৩৯ কোটি ৮৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

অন্যদিকে, গত মার্চে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি এমন ব্যাংকের সংখ্যা সাতটি। এর মধ্যে রয়েছে একটি বিশেষায়িত ব্যাংক, দুইটি বেসরকারি ব্যাংক ও চারটি বিদেশি ব্যাংক। মার্চে এই সময়ে বিশেষায়িত খাতের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বেসরকারি খাতের আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংকে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এছাড়া বিদেশি খাতের ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় কোনো প্রবাসী আয় আসেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সিরাজগঞ্জের সিংহপুরুষ বিদ্যুৎমন্ত্রী টুকুর সংগ্রাম, রাজনীতি বর্ণাঢ্য জীবন

মার্চে এলো দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে

বিদায়ী মার্চ মাসে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭৫ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি। দেশের ইতিহাসে একক কোনো মাসে আসা সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এটি। আজ বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বলছে, চলতি বছরের মার্চে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫ হাজার ডলার। গত ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩০১ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার। গত বছরের মার্চে এসেছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার।

এর আগে দেশের ইতিহাসে একক কোনো মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল গত বছরের মার্চে। ওই মাসটিতে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল গত বছরের ডিসেম্বরে। ওই মাসে রেমিট্যান্স আসে ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার। তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে গত জানুয়ারিতে। যার পরিমাণ ছিল ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মার্চে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ২৬৪ কোটি ৫০ হাজার ডলার, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৪ কোটি দুই লাখ ৮০ হাজার ডলার ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। এছাড়া বিদেশি ব্যাংকগুলোর শাখার মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে এক কোটি ২০ হাজার ডলার।

দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে গত মার্চে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকটির মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ৫৮ কোটি ৯৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। এই ব্যাংকটির মাধ্যমে এসেছে ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। পরের অবস্থানে থাকা ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৩৯ কোটি ৮৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

অন্যদিকে, গত মার্চে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি এমন ব্যাংকের সংখ্যা সাতটি। এর মধ্যে রয়েছে একটি বিশেষায়িত ব্যাংক, দুইটি বেসরকারি ব্যাংক ও চারটি বিদেশি ব্যাংক। মার্চে এই সময়ে বিশেষায়িত খাতের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বেসরকারি খাতের আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংকে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এছাড়া বিদেশি খাতের ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় কোনো প্রবাসী আয় আসেনি।