ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৬১৭৪ বাংলাদেশি, মারা গেছেন ৫৫ গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতা চালু করা হবে: মির্জা ফখরুল বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সেই মিন্নির কারাজীবনের অজানা অধ্যায় সামনে এলো আবাসিক ভবন থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার শেখ মুজিব ও হাসিনা বন্দনায় সরব ‘ফাটাকেস্ট’ হতে চাওয়া সিলেটের সেই ডিসির অন্দরমহল মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করতে ঐকমত্য চীন-মালয়েশিয়া একই পরিবারের ৪ জনকে কুপিয়ে হত্যা হোমনায় পাশাপাশি ৪ কবরে দাফন, বাকরুদ্ধ একমাত্র জীবিত সন্তান সিফাত এনসিপির দুই শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়িক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওরাকল গত এক বছরে প্রায় ২১ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

কোম্পানির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৩১ মে পর্যন্ত তাদের পূর্ণকালীন কর্মী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় এক লাখ একচল্লিশ হাজার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল প্রায় এক লাখ বাষট্টি হাজার। অর্থাৎ এক বছরে প্রায় ১৩ শতাংশ কর্মী কমেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এর ফলে কর্মী সংখ্যা আরও কমতে পারে।

এই ছাঁটাই প্রযুক্তি খাতে চলমান বৃহত্তর প্রবণতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে কোম্পানিগুলো বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অবকাঠামো ও তথ্যকেন্দ্র নির্মাণে।

একই প্রবণতায় অ্যামাজন এবং ফেসবুকের মূল কোম্পানিও সাম্প্রতিক সময়ে হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে, যদিও তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিপুল বিনিয়োগ চালিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, গত এক বছরে প্রযুক্তি খাতে এক লক্ষেরও বেশি কর্মী চাকরি হারিয়েছেন।

ওরাকল জানিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিলে বড় আকারে কর্মী ছাঁটাই করা হলেও তার পূর্ণ তথ্য আগে প্রকাশ করা হয়নি। এই পুনর্গঠনের কারণে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় এক দশমিক আট বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় বহুগুণ বেশি।

কোম্পানিটি সতর্ক করেছে যে এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়া কিছু ক্ষেত্রে কর্মী সংকট তৈরি করতে পারে, যা উৎপাদনশীলতা ও আয়ের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

অন্যদিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে প্রতিযোগিতা বাড়াতে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বিপুল বিনিয়োগ করছে। অ্যামাজন, গুগল এবং মেটা সম্মিলিতভাবে এই খাতে শত শত বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

হজ শেষে ফিরেছেন ৬৬১৭৪ বাংলাদেশি, মারা গেছেন ৫৫

এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই

আপডেট টাইম : ০৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়িক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওরাকল গত এক বছরে প্রায় ২১ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

কোম্পানির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৩১ মে পর্যন্ত তাদের পূর্ণকালীন কর্মী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় এক লাখ একচল্লিশ হাজার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল প্রায় এক লাখ বাষট্টি হাজার। অর্থাৎ এক বছরে প্রায় ১৩ শতাংশ কর্মী কমেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এর ফলে কর্মী সংখ্যা আরও কমতে পারে।

এই ছাঁটাই প্রযুক্তি খাতে চলমান বৃহত্তর প্রবণতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে কোম্পানিগুলো বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অবকাঠামো ও তথ্যকেন্দ্র নির্মাণে।

একই প্রবণতায় অ্যামাজন এবং ফেসবুকের মূল কোম্পানিও সাম্প্রতিক সময়ে হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে, যদিও তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিপুল বিনিয়োগ চালিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, গত এক বছরে প্রযুক্তি খাতে এক লক্ষেরও বেশি কর্মী চাকরি হারিয়েছেন।

ওরাকল জানিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিলে বড় আকারে কর্মী ছাঁটাই করা হলেও তার পূর্ণ তথ্য আগে প্রকাশ করা হয়নি। এই পুনর্গঠনের কারণে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় এক দশমিক আট বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় বহুগুণ বেশি।

কোম্পানিটি সতর্ক করেছে যে এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়া কিছু ক্ষেত্রে কর্মী সংকট তৈরি করতে পারে, যা উৎপাদনশীলতা ও আয়ের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

অন্যদিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে প্রতিযোগিতা বাড়াতে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বিপুল বিনিয়োগ করছে। অ্যামাজন, গুগল এবং মেটা সম্মিলিতভাবে এই খাতে শত শত বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা করেছে।