ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের সফরের জন্য এখনও অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ভারত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের জন্য ভারত এখনও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীতে ভারতীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, তারেক রহমান ভারত সফর করলে দুই দেশের যেকোনো সমস্যা সমাধানে কাজ করা সম্ভব—এমন বিশ্বাস রয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জনগণের প্রধানমন্ত্রী। তাই ভারত সরকার তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফর নিয়ে ভারত এখনো আশাবাদী বলেও জানান তিনি।

দুই দেশের সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসন ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ স্লোগান নিয়ে কাজ করছে, ভারতও একই নীতিতে বিশ্বাসী। অতীতকে ভুলে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে নতুন ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করার সুযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে পারস্পরিক ও নিঃস্বার্থ বিশ্বাস প্রয়োজন। দুই দেশের মধ্যে যে কোনো সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সুযোগ রয়েছে।

এসময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের ক্ষেত্রে যে ইস্যু গুলো রয়েছে, তার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে চায় বাংলাদেশ। পাশাপাশি বাংলাদেশ এমন এক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চায়, যেখানে দু দেশেই সমানভাবে উপকৃত হবে বলেও জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের সফরের জন্য এখনও অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ভারত

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের জন্য ভারত এখনও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীতে ভারতীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, তারেক রহমান ভারত সফর করলে দুই দেশের যেকোনো সমস্যা সমাধানে কাজ করা সম্ভব—এমন বিশ্বাস রয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জনগণের প্রধানমন্ত্রী। তাই ভারত সরকার তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফর নিয়ে ভারত এখনো আশাবাদী বলেও জানান তিনি।

দুই দেশের সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসন ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ স্লোগান নিয়ে কাজ করছে, ভারতও একই নীতিতে বিশ্বাসী। অতীতকে ভুলে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে নতুন ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করার সুযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে পারস্পরিক ও নিঃস্বার্থ বিশ্বাস প্রয়োজন। দুই দেশের মধ্যে যে কোনো সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সুযোগ রয়েছে।

এসময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের ক্ষেত্রে যে ইস্যু গুলো রয়েছে, তার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে চায় বাংলাদেশ। পাশাপাশি বাংলাদেশ এমন এক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চায়, যেখানে দু দেশেই সমানভাবে উপকৃত হবে বলেও জানান তিনি।