ঢাকা , শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় বেসরকারি খাতে ৬৮ হাজারের বেশি প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী নিয়োগ ভিসা নীতিমালার খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন রাঙামাটির সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ঘোষণা, বাস্তবায়নে কতটা আশার আলো চাকরিজীবীদের জন্য দুই দফায় মিলবে যে ছুটি প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাত না কাটানোর পরামর্শ অলির সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ৩ বাহিনীর জন্য বড় পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  তিনি বলেন, বৃহত্তর বগুড়াতে মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন) কারখানা স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। উন্নত ও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক নজরদারী প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে সামারিক বাহিনীর উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ প্রক্রিয়ায় কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপির প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদে সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আগামী ১০ বছরে ৮৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনী আরও প্রযুক্তিনির্ভর, বহুমাত্রিক, আত্মনির্ভর ও যুদ্ধোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হবে।  জাতীয় প্রতিরক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। নৌবাহিনীর জন্য আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ এবং সাবমেরিন সংযোজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সামরিক শিল্পাঞ্চল (ডিআইজি) স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে। জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বৈদেশিক নির্ভরতা হ্রাস এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অধিকতর উন্নত সামরিক প্রযুক্তি, ড্রোন প্রযুক্তি, সেন্সর ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক্স এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেছেন, বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নের কার্যক্রমও চলছে। নেত্রকোনা-৫ আসনের জামায়াতে ইসলামীন সংসদ সদস্য (এমপি) মাছুম মোস্তফার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন অগ্রাধিকার পাচ্ছে। তিন বছর এবং সাত বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। কৃষি থেকে শিল্পে রুপান্তর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিবর্তন এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা

নতুন অফিস খুঁজে পেলেও এখনো ঠিকানাহীন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ

নতুন ভবন নির্মাণের জন্য কেন্দ্রীয় কার‌্যালয়ে থাকা দলের সব অফিসই ছেড়ে দিয়েছে এর সহযোগী সংগঠনগুলো। দলটির সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো নিজেদের জন্য

নতুন ভবন নির্মাণের জন্য কেন্দ্রীয় কার‌্যালয়ে থাকা দলের সব অফিসই ছেড়ে দিয়েছে এর সহযোগী সংগঠনগুলো। দলটির সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো নিজেদের জন্য নতুন অফিস খুঁজে পেলেও এখনো ঠিকানাহীন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগের পুরনো কার‌্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগ ছাড়াও সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগ, আওয়ামী যুবলীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, তাঁতি লীগ, যুব মহিলা লীগ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের অফিস ছিল। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে সহযোগী সংগঠন (তাঁতি লীগ ছাড়া) ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো নতুন ঠিকানায় উঠে গেছে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল কার‌্যালয় ছেড়ে দিলেও এখন পর‌্যন্ত নতুন কোনো অফিস নির্ধারণ করতে পারেনি তারা। তবে যত দিন কার‌্যালয় না পাওয়া যাবে, তত দিন ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে অফিসের মালামাল রাখা হবে তাদের।

এ ব্যাপারে জানতে দক্ষিণের সভাপতি আবুল হাসনাত ও সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

অন্যদিকে একই সমস্যার সম্মুখীন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগও। মহানগরের দুই শীর্ষ নেতার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, উত্তরের অফিস দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এলাকা থেকে স্থানান্তরের কথা ভাবছেন নেতারা। তারা এ জন্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গেও আলোচনা করবেন। আর প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেত পেলেই তারা তাদের কর্মকাণ্ড শুরু করবেন। তবে আপাতত ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কিংবা রমনা ভবন ব্যবহারের সম্ভবনা আছে।

বিষয়টি জানতে চাইলে সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান বলেন, “আমাদের নতুন অফিসের জন্য ভবন খুঁজছি। আশা করি শিগগিরই তা পেয়ে যাব।”

জানা গেছে, যুবলীগের নতুন কার‌্যালয় ভাড়া নেয়া হয়েছে ২৫ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ ও ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে। বিষয়টি  নিশ্চিত করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ বলেন, “নেত্রী (শেখ হাসিনা) আমাদের বলেছেন ধানমণ্ডি কার্যালয়ে অফিস করতে। এখন থেকে আমাদের অফিসের কার্যক্রম সেখান থেকে পরিচালনা হবে। তবে পরে কোথাও ভালো অফিস পেলে সেখানে চলে যাবে সংগঠনের অফিস।”

মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফুন্নেছা মোশাররফ বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার‌্যালয়টি আমাদের নতুন কার‌্যালয় হিসেবে ব্যবহার করব।”

এখান থেকে যুব মহিলা লীগের কার‌্যক্রমও পরিচালনা করা হবে বলে জানান সংগঠনটির সভাপতি নাজমা আকতার।

তাতীঁ লীগের আহ্বায়ক এনাজুর রহমান চৌধুরী বলেন, “আমরা সাময়িকভাবে খদ্দর মার্কেটের ছয় তলায় একজন উকিলের চেম্বারে আমাদের মালপত্র রেখেছি। কেন্দ্র থেকে বলা হয়েছে ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে সহযোগী সংগঠনের জন্য অফিস বরাদ্দ দেয়া হবে। অফিস পেলেই আমরা সেখানে মালামাল স্থানান্তর করব।”

সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগ ও দলটির ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের নতুন অফিস ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউর চার তালায়। নতুন অফিসে মালপত্র স্থানান্তরের কাজ শুরু হয়েছে বলে ছাত্রলীগ জানায়।

শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ার পর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের বর্তমান অফিসটি ভাড়া নেয়া হয়। এরপর গত ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে লিজ নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলেও সেটা সেই সময় শেষ করা যায়নি। পরে বর্তমান সরকারের আগের মেয়াদে ওই লিজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আওয়ামী লীগ। পাশে আরো কিছু জায়গাও দলীয় ফান্ড থেকে কেনা হয়।

লিজ ও জমি ক্রয় প্রক্রিয়া শেষ হলে ২০১১ সালের জানুয়ারিতে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয় ক্ষমতাসীন দলটি। পরে নকশা প্রস্তুত ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদনের পর এখন বাস্তবায়নের দিকে যাচ্ছে দলটি।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগের পুরনো কার‌্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগ ছাড়াও সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগ, আওয়ামী যুবলীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, তাঁতি লীগ, যুব মহিলা লীগ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের অফিস ছিল। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে সহযোগী সংগঠন (তাঁতি লীগ ছাড়া) ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো নতুন ঠিকানায় উঠে গেছে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল কার‌্যালয় ছেড়ে দিলেও এখন পর‌্যন্ত নতুন কোনো অফিস নির্ধারণ করতে পারেনি তারা। তবে যত দিন কার‌্যালয় না পাওয়া যাবে, তত দিন ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে অফিসের মালামাল রাখা হবে তাদের।

এ ব্যাপারে জানতে দক্ষিণের সভাপতি আবুল হাসনাত ও সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

অন্যদিকে একই সমস্যার সম্মুখীন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগও। মহানগরের দুই শীর্ষ নেতার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, উত্তরের অফিস দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এলাকা থেকে স্থানান্তরের কথা ভাবছেন নেতারা। তারা এ জন্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গেও আলোচনা করবেন। আর প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেত পেলেই তারা তাদের কর্মকাণ্ড শুরু করবেন। তবে আপাতত ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কিংবা রমনা ভবন ব্যবহারের সম্ভবনা আছে।

বিষয়টি জানতে চাইলে সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান বলেন, “আমাদের নতুন অফিসের জন্য ভবন খুঁজছি। আশা করি শিগগিরই তা পেয়ে যাব।”

জানা গেছে, যুবলীগের নতুন কার‌্যালয় ভাড়া নেয়া হয়েছে ২৫ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ ও ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে। বিষয়টি ঢাকাটাইমসকে নিশ্চিত করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ বলেন, “নেত্রী (শেখ হাসিনা) আমাদের বলেছেন ধানমণ্ডি কার্যালয়ে অফিস করতে। এখন থেকে আমাদের অফিসের কার্যক্রম সেখান থেকে পরিচালনা হবে। তবে পরে কোথাও ভালো অফিস পেলে সেখানে চলে যাবে সংগঠনের অফিস।”

মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফুন্নেছা মোশাররফ বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার‌্যালয়টি আমাদের নতুন কার‌্যালয় হিসেবে ব্যবহার করব।”

এখান থেকে যুব মহিলা লীগের কার‌্যক্রমও পরিচালনা করা হবে বলে জানান সংগঠনটির সভাপতি নাজমা আকতার।

তাতীঁ লীগের আহ্বায়ক এনাজুর রহমান চৌধুরী বলেন, “আমরা সাময়িকভাবে খদ্দর মার্কেটের ছয় তলায় একজন উকিলের চেম্বারে আমাদের মালপত্র রেখেছি। কেন্দ্র থেকে বলা হয়েছে ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে সহযোগী সংগঠনের জন্য অফিস বরাদ্দ দেয়া হবে। অফিস পেলেই আমরা সেখানে মালামাল স্থানান্তর করব।”

সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগ ও দলটির ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের নতুন অফিস ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউর চার তালায়। নতুন অফিসে মালপত্র স্থানান্তরের কাজ শুরু হয়েছে বলে ছাত্রলীগ জানায়।

শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ার পর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের বর্তমান অফিসটি ভাড়া নেয়া হয়। এরপর গত ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে লিজ নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলেও সেটা সেই সময় শেষ করা যায়নি। পরে বর্তমান সরকারের আগের মেয়াদে ওই লিজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আওয়ামী লীগ। পাশে আরো কিছু জায়গাও দলীয় ফান্ড থেকে কেনা হয়।

লিজ ও জমি ক্রয় প্রক্রিয়া শেষ হলে ২০১১ সালের জানুয়ারিতে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয় ক্ষমতাসীন দলটি। পরে নকশা প্রস্তুত ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদনের পর এখন বাস্তবায়নের দিকে যাচ্ছে দলটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

মালয়েশিয়ায় বেসরকারি খাতে ৬৮ হাজারের বেশি প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী নিয়োগ

নতুন অফিস খুঁজে পেলেও এখনো ঠিকানাহীন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ

আপডেট টাইম : ০৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ জুলাই ২০১৬

নতুন ভবন নির্মাণের জন্য কেন্দ্রীয় কার‌্যালয়ে থাকা দলের সব অফিসই ছেড়ে দিয়েছে এর সহযোগী সংগঠনগুলো। দলটির সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো নিজেদের জন্য

নতুন ভবন নির্মাণের জন্য কেন্দ্রীয় কার‌্যালয়ে থাকা দলের সব অফিসই ছেড়ে দিয়েছে এর সহযোগী সংগঠনগুলো। দলটির সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো নিজেদের জন্য নতুন অফিস খুঁজে পেলেও এখনো ঠিকানাহীন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগের পুরনো কার‌্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগ ছাড়াও সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগ, আওয়ামী যুবলীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, তাঁতি লীগ, যুব মহিলা লীগ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের অফিস ছিল। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে সহযোগী সংগঠন (তাঁতি লীগ ছাড়া) ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো নতুন ঠিকানায় উঠে গেছে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল কার‌্যালয় ছেড়ে দিলেও এখন পর‌্যন্ত নতুন কোনো অফিস নির্ধারণ করতে পারেনি তারা। তবে যত দিন কার‌্যালয় না পাওয়া যাবে, তত দিন ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে অফিসের মালামাল রাখা হবে তাদের।

এ ব্যাপারে জানতে দক্ষিণের সভাপতি আবুল হাসনাত ও সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

অন্যদিকে একই সমস্যার সম্মুখীন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগও। মহানগরের দুই শীর্ষ নেতার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, উত্তরের অফিস দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এলাকা থেকে স্থানান্তরের কথা ভাবছেন নেতারা। তারা এ জন্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গেও আলোচনা করবেন। আর প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেত পেলেই তারা তাদের কর্মকাণ্ড শুরু করবেন। তবে আপাতত ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কিংবা রমনা ভবন ব্যবহারের সম্ভবনা আছে।

বিষয়টি জানতে চাইলে সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান বলেন, “আমাদের নতুন অফিসের জন্য ভবন খুঁজছি। আশা করি শিগগিরই তা পেয়ে যাব।”

জানা গেছে, যুবলীগের নতুন কার‌্যালয় ভাড়া নেয়া হয়েছে ২৫ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ ও ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে। বিষয়টি  নিশ্চিত করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ বলেন, “নেত্রী (শেখ হাসিনা) আমাদের বলেছেন ধানমণ্ডি কার্যালয়ে অফিস করতে। এখন থেকে আমাদের অফিসের কার্যক্রম সেখান থেকে পরিচালনা হবে। তবে পরে কোথাও ভালো অফিস পেলে সেখানে চলে যাবে সংগঠনের অফিস।”

মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফুন্নেছা মোশাররফ বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার‌্যালয়টি আমাদের নতুন কার‌্যালয় হিসেবে ব্যবহার করব।”

এখান থেকে যুব মহিলা লীগের কার‌্যক্রমও পরিচালনা করা হবে বলে জানান সংগঠনটির সভাপতি নাজমা আকতার।

তাতীঁ লীগের আহ্বায়ক এনাজুর রহমান চৌধুরী বলেন, “আমরা সাময়িকভাবে খদ্দর মার্কেটের ছয় তলায় একজন উকিলের চেম্বারে আমাদের মালপত্র রেখেছি। কেন্দ্র থেকে বলা হয়েছে ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে সহযোগী সংগঠনের জন্য অফিস বরাদ্দ দেয়া হবে। অফিস পেলেই আমরা সেখানে মালামাল স্থানান্তর করব।”

সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগ ও দলটির ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের নতুন অফিস ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউর চার তালায়। নতুন অফিসে মালপত্র স্থানান্তরের কাজ শুরু হয়েছে বলে ছাত্রলীগ জানায়।

শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ার পর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের বর্তমান অফিসটি ভাড়া নেয়া হয়। এরপর গত ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে লিজ নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলেও সেটা সেই সময় শেষ করা যায়নি। পরে বর্তমান সরকারের আগের মেয়াদে ওই লিজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আওয়ামী লীগ। পাশে আরো কিছু জায়গাও দলীয় ফান্ড থেকে কেনা হয়।

লিজ ও জমি ক্রয় প্রক্রিয়া শেষ হলে ২০১১ সালের জানুয়ারিতে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয় ক্ষমতাসীন দলটি। পরে নকশা প্রস্তুত ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদনের পর এখন বাস্তবায়নের দিকে যাচ্ছে দলটি।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগের পুরনো কার‌্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগ ছাড়াও সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগ, আওয়ামী যুবলীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, তাঁতি লীগ, যুব মহিলা লীগ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের অফিস ছিল। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে সহযোগী সংগঠন (তাঁতি লীগ ছাড়া) ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো নতুন ঠিকানায় উঠে গেছে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল কার‌্যালয় ছেড়ে দিলেও এখন পর‌্যন্ত নতুন কোনো অফিস নির্ধারণ করতে পারেনি তারা। তবে যত দিন কার‌্যালয় না পাওয়া যাবে, তত দিন ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে অফিসের মালামাল রাখা হবে তাদের।

এ ব্যাপারে জানতে দক্ষিণের সভাপতি আবুল হাসনাত ও সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

অন্যদিকে একই সমস্যার সম্মুখীন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগও। মহানগরের দুই শীর্ষ নেতার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, উত্তরের অফিস দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এলাকা থেকে স্থানান্তরের কথা ভাবছেন নেতারা। তারা এ জন্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গেও আলোচনা করবেন। আর প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেত পেলেই তারা তাদের কর্মকাণ্ড শুরু করবেন। তবে আপাতত ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কিংবা রমনা ভবন ব্যবহারের সম্ভবনা আছে।

বিষয়টি জানতে চাইলে সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান বলেন, “আমাদের নতুন অফিসের জন্য ভবন খুঁজছি। আশা করি শিগগিরই তা পেয়ে যাব।”

জানা গেছে, যুবলীগের নতুন কার‌্যালয় ভাড়া নেয়া হয়েছে ২৫ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ ও ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে। বিষয়টি ঢাকাটাইমসকে নিশ্চিত করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ বলেন, “নেত্রী (শেখ হাসিনা) আমাদের বলেছেন ধানমণ্ডি কার্যালয়ে অফিস করতে। এখন থেকে আমাদের অফিসের কার্যক্রম সেখান থেকে পরিচালনা হবে। তবে পরে কোথাও ভালো অফিস পেলে সেখানে চলে যাবে সংগঠনের অফিস।”

মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফুন্নেছা মোশাররফ বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার‌্যালয়টি আমাদের নতুন কার‌্যালয় হিসেবে ব্যবহার করব।”

এখান থেকে যুব মহিলা লীগের কার‌্যক্রমও পরিচালনা করা হবে বলে জানান সংগঠনটির সভাপতি নাজমা আকতার।

তাতীঁ লীগের আহ্বায়ক এনাজুর রহমান চৌধুরী বলেন, “আমরা সাময়িকভাবে খদ্দর মার্কেটের ছয় তলায় একজন উকিলের চেম্বারে আমাদের মালপত্র রেখেছি। কেন্দ্র থেকে বলা হয়েছে ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে সহযোগী সংগঠনের জন্য অফিস বরাদ্দ দেয়া হবে। অফিস পেলেই আমরা সেখানে মালামাল স্থানান্তর করব।”

সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগ ও দলটির ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের নতুন অফিস ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউর চার তালায়। নতুন অফিসে মালপত্র স্থানান্তরের কাজ শুরু হয়েছে বলে ছাত্রলীগ জানায়।

শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ার পর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের বর্তমান অফিসটি ভাড়া নেয়া হয়। এরপর গত ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে লিজ নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলেও সেটা সেই সময় শেষ করা যায়নি। পরে বর্তমান সরকারের আগের মেয়াদে ওই লিজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আওয়ামী লীগ। পাশে আরো কিছু জায়গাও দলীয় ফান্ড থেকে কেনা হয়।

লিজ ও জমি ক্রয় প্রক্রিয়া শেষ হলে ২০১১ সালের জানুয়ারিতে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয় ক্ষমতাসীন দলটি। পরে নকশা প্রস্তুত ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদনের পর এখন বাস্তবায়নের দিকে যাচ্ছে দলটি।