ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থায়ীভাবে বদলে দিয়েছে বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

সরকার বানাতে চেয়েছিল সিঙ্গাপুর, হয়েছে আজিমপুর কবরস্থান

সরকার বাংলাদেশকে বানাতে চেয়েছিল সিঙ্গাপুর, কিন্তু হয়েছে আজিমপুর কবরস্থান বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।  তিনি বলেছেন, আজ সবাই আক্রান্ত।  দেশে ক্ষমতার রাজনীতি চলছে।  ক্ষমতায় যেতে পারলে বিনা পুঁজিতে আয় করা যাবে।

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ‘নির্দয় একক কর্তৃত্ব, ফ্যাসিস্টদের হিংস্র আক্রমণে বধ্যভূমিতে বাংলাদেশ— দায় কার?’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

অল কমিউনিটি ফোরাম এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় যে দেশে (যুক্তরাষ্ট্র) থাকেন, তারা শিগগিরই জয়ের দুর্নীতি প্রকাশ করবে।

সভায় গয়েশ্বর


চন্দ্র বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনা ঘটিয়ে আওয়ামী লীগ ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।  শুধু গভর্নরের পদত্যাগের মাধ্যমে ৮০০ কোটি টাকা বৈধ হয়ে গেল।

তিনি বলেন, চাপাবাজি দিয়ে কাপুরুষদের দাবিয়ে রাখা যায়, কিন্তু দেশের মানুষকে দাবিয়ে রাখা যায় না।  সরকারের দুর্নীতির চিত্র এখন আকাশে-বাতাসে ভাসছে।  মিডিয়ায় সেরকম আসছে না।

গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, হয়তো আমরা দুর্নীতির কথা বলছি না।  আবার আমরা যা বলছি তা-ও সাহস করে প্রকাশ করতে পারছে না।  সরকার মিথ্যাচার, চাপাবাজি আর লুটপাটের মধ্যে দিয়ে চলছে।

তিনি বলেন, দেশের মানুষ নির্বোধ নয়, তারা সব কিছু বোঝে।  তাই চাপাবাজি ছেড়ে দিয়ে গণতান্ত্রিক পথে আসলে সরকার, শেখ হাসিনা নিরাপদ হবে ও  নিরাপদ হবে জনগণও।

গয়েশ্বর বলেন, সরকারের অপশাসনে আওয়ামী লীগও নিরাপদ নয়।  আমরা সবার শান্তি চাই।  সরকার ২০১৯ সাল ২০২২ সাল পর্যন্ত ক্ষমতার পরিকল্পনা করেছে।  পরিকল্পনা করলেও সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয় না।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইঞ্জিনিয়র মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, অল কমিউনিটি ফোরামের সাধারণ সম্পাদক কাবিরুল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ

সরকার বানাতে চেয়েছিল সিঙ্গাপুর, হয়েছে আজিমপুর কবরস্থান

আপডেট টাইম : ০৩:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মে ২০১৬

সরকার বাংলাদেশকে বানাতে চেয়েছিল সিঙ্গাপুর, কিন্তু হয়েছে আজিমপুর কবরস্থান বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।  তিনি বলেছেন, আজ সবাই আক্রান্ত।  দেশে ক্ষমতার রাজনীতি চলছে।  ক্ষমতায় যেতে পারলে বিনা পুঁজিতে আয় করা যাবে।

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ‘নির্দয় একক কর্তৃত্ব, ফ্যাসিস্টদের হিংস্র আক্রমণে বধ্যভূমিতে বাংলাদেশ— দায় কার?’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

অল কমিউনিটি ফোরাম এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় যে দেশে (যুক্তরাষ্ট্র) থাকেন, তারা শিগগিরই জয়ের দুর্নীতি প্রকাশ করবে।

সভায় গয়েশ্বর


চন্দ্র বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনা ঘটিয়ে আওয়ামী লীগ ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।  শুধু গভর্নরের পদত্যাগের মাধ্যমে ৮০০ কোটি টাকা বৈধ হয়ে গেল।

তিনি বলেন, চাপাবাজি দিয়ে কাপুরুষদের দাবিয়ে রাখা যায়, কিন্তু দেশের মানুষকে দাবিয়ে রাখা যায় না।  সরকারের দুর্নীতির চিত্র এখন আকাশে-বাতাসে ভাসছে।  মিডিয়ায় সেরকম আসছে না।

গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, হয়তো আমরা দুর্নীতির কথা বলছি না।  আবার আমরা যা বলছি তা-ও সাহস করে প্রকাশ করতে পারছে না।  সরকার মিথ্যাচার, চাপাবাজি আর লুটপাটের মধ্যে দিয়ে চলছে।

তিনি বলেন, দেশের মানুষ নির্বোধ নয়, তারা সব কিছু বোঝে।  তাই চাপাবাজি ছেড়ে দিয়ে গণতান্ত্রিক পথে আসলে সরকার, শেখ হাসিনা নিরাপদ হবে ও  নিরাপদ হবে জনগণও।

গয়েশ্বর বলেন, সরকারের অপশাসনে আওয়ামী লীগও নিরাপদ নয়।  আমরা সবার শান্তি চাই।  সরকার ২০১৯ সাল ২০২২ সাল পর্যন্ত ক্ষমতার পরিকল্পনা করেছে।  পরিকল্পনা করলেও সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয় না।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইঞ্জিনিয়র মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, অল কমিউনিটি ফোরামের সাধারণ সম্পাদক কাবিরুল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ।