তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক বলেছেন, সারাদেশে প্রয়োজনীয় ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরীর মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের সুচিন্তিত কার্যক্রম বাস্তবায়ন এগিয়ে চলেছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে (সুইজারল্যান্ডের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টা) সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম-এর ৪৭তম বার্ষিক সভার ‘ডিজিটাল ইকোনমি এন্ড সোসাইটি ইন সাউথ এশিয়া’ শীর্ষক এক মিনিস্ট্রারিয়েল আলোচনায় অংশ নিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী পলক এ কথা বলেন।
ঢাকায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ একথা জানানো হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানে বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আমাদের সরকারের এ সকল কর্মকান্ড বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে। এজন্যই ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল বলে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে ডিজিটাল ইকোনমির পথে। ”
প্রতিমন্ত্রী পলক নানা ধরণের প্রশিক্ষণ ও উদ্যোক্তাদের জন্য গৃহিত কার্যক্রম এবং দেশব্যাপী অবকাঠামোগত উন্নয়নের সার্বিক চিত্র তুলে ধরে বলেন, ডিজিটাল ইনক্লুশন প্রক্রিয়ায় আমরা সমাজের সকল অংশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি দক্ষ জনগোষ্ঠী সৃষ্টি করছি, গড়ে তুলছি একটি যুগোপযোগী স্টার্ট-আপ কালচার। ফলে, আমাদের উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকগণ ৪র্থ শিল্প বিপ্লবে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম।
অনলাইন টেন্ডারিং, অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিং, ইউটিলিটি বিলসহ প্রায় সকল সরকারি সেবার বিল অনলাইনে প্রদানের মাধ্যমে বর্তমানে ৬৯ শতাংশ সরকারি লেনদেন অনলাইনেই পরিশোধ করা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ডিজিটাল ইকোনমির যথাযথ প্রয়োগ ও প্রতিফলনের অন্যতম উদাহরণ বাংলাদেশ। আগামী দিনে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় এই ডিজিটাল ইকোনমির সর্বোকৃষ্ট উদাহরণ হবে।
এই মিনিস্ট্রারিয়েল আলোচনায় আরো অংশ নিয়েছেন শ্রীলংকার টেলিকমিউনিকেশন এন্ড ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার মন্ত্রী হারিন ফার্নান্দো, পাকিস্তানের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী আনুশা রহমান খান, ইন্টারনেট ম্যাটারস- এর লিন সেন্ট আমুর, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম এর ডিজিটাল ইকোনমি এন্ড সোসাইটি’র নির্বাহী চেয়ারম্যানের সিনিয়র উপদেষ্টা ফাডি ছেহাহি প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১২ মার্চ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম জুনাইদ আহ্মেদ পলককে ইয়ং গ্লোবাল লিডার মনোনীত করে।
সংবাদ শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় বেসরকারি খাতে ৬৮ হাজারের বেশি প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী নিয়োগ
ভিসা নীতিমালার খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন
রাঙামাটির সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ বৃহস্পতিবার
রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ঘোষণা, বাস্তবায়নে কতটা আশার আলো
চাকরিজীবীদের জন্য দুই দফায় মিলবে যে ছুটি
প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাত না কাটানোর পরামর্শ অলির
সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ৩ বাহিনীর জন্য বড় পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বৃহত্তর বগুড়াতে মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন) কারখানা স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। উন্নত ও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক নজরদারী প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে সামারিক বাহিনীর উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ প্রক্রিয়ায় কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপির প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদে সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আগামী ১০ বছরে ৮৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনী আরও প্রযুক্তিনির্ভর, বহুমাত্রিক, আত্মনির্ভর ও যুদ্ধোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হবে। জাতীয় প্রতিরক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। নৌবাহিনীর জন্য আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ এবং সাবমেরিন সংযোজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সামরিক শিল্পাঞ্চল (ডিআইজি) স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে। জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বৈদেশিক নির্ভরতা হ্রাস এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অধিকতর উন্নত সামরিক প্রযুক্তি, ড্রোন প্রযুক্তি, সেন্সর ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক্স এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেছেন, বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নের কার্যক্রমও চলছে। নেত্রকোনা-৫ আসনের জামায়াতে ইসলামীন সংসদ সদস্য (এমপি) মাছুম মোস্তফার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন অগ্রাধিকার পাচ্ছে। তিন বছর এবং সাত বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।
কৃষি থেকে শিল্পে রুপান্তর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিবর্তন
এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা
ডিজিটাল অর্থনীতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ : পলক
-
বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক - আপডেট টাইম : ০২:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৭
- 718
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ



























