রাজশাহীর মাঠজুড়ে এ বছর আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। তারপরেও বাজারে আলুর দাম না থাকায় হাসি নেই চাষিদের মুখে। জমির ইজারা আর উৎপাদন খরচই উঠছে না তাদের।
জমি থেকেই আলু বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১২ টাকা। এতো অল্প দামে আলু বিক্রি করে লোকশানের মুখে পড়েছেন কৃষক।
কৃষকের অভিযোগ, হিমাগারে আগের চেয়ে দ্বিগুণ মূল্যে আলু রেখে এখনও সিন্ডিকেটের থাবায় তারা অসহায়। অনেকে বুকিং দেওয়ার পরও হিমাগারে আলু রাখতে পারছেন না।
গতবছর কেজিপ্রতি কোল্ড স্টোরেজ ভাড়া ছিলো ৪ টাকা। এবার তা বাড়িয়ে আট টাকা করা হয়েছে। হিমাগারে আলু রাখার খরচ দ্বিগুণ হওয়ায় সেদিক দিয়েও লোকসানের শঙ্কায় কৃষকরা।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর বলছে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আলুর উৎপাদন অনেক ভালো হয়েছে। কৃষক, আলু ব্যবসায়ী ও কোল্ডস্টোরেজের মালিক সবপক্ষই যেন লাভবান হয়, এমন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে তারা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের বিভাগীয় কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় ৩ লাখ ৬৫ হাজার হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 

























