ঢাকা , শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শহীদ জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করলো বিএনপি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো গণমাধ্যম সম্মিলন জানুয়ারির প্রথম অর্ধেকেও সম্পন্ন হয়নি বিতরণ কেউ ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে দমাতে পারবে না: তারেক রহমান বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে অস্বস্তিতে মিত্ররা, সুখবর দিল বিএনপি ইরানকে ধন্যবাদ দিলেন ট্রাম্প গুম-খুন-নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর সঙ্গে মতবিনিময়ে তারেক রহমান পদ্মাপাড়ে ২ কিলোমিটার জুড়ে সরিষা চাষ, নয়নাভিরাম দৃশ্যে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা ইসলামী আন্দোলনের এককভাবে ২৬৮ আসনে প্রার্থী ঘোষণা ভাঙলো জামায়াত জোট গণভোটের ফটোকার্ড শেয়ার করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশের ৯৬ ভাগ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এআই ব্যবহার করেন

অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম থেকে শুরু করে আর্থিক সেবা গ্রহণ, দৈনন্দিন কাজ সম্পাদন ও তথ্যপ্রাপ্তি-সবক্ষেত্রে বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে মোবাইল ফোন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কল্যাণে ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে দৈনন্দিন এসব সুবিধা; যার প্রভাবে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে মানুষের জীবন, কর্মসংস্থান ও পারস্পারিক যোগাযোগের ধারায়। বর্তমানে বাংলাদেশের ৯৬ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী নিয়মিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করেন, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ৮ শতাংশ বেশি।
গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত টেলিনর এশিয়া ডিজিটাল লাইভস ডিকোডেড ২০২৫ : বিল্ডিং ট্রাস্ট ইন বাংলাদেশ’স এআই ফিউচার শীর্ষক এক রিপোর্টে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এটি বাংলাদেশের ১,০০০ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ওপর পরিচালিত গবেষণার চতুর্থ সংস্করণ। গবেষণাটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অগ্রযাত্রা এবং দায়িত্বশীল, নৈতিক ও নিরাপদ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
টেলিনর এশিয়ার প্রধান ইওন ওমুন্ড রেভহগ বলেন, ‘বাংলাদেশে দৈনন্দিন জীবনকে বদলে দিতে মোবাইল ফোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। স্মার্ট ও আরও সংযুক্ত সমাজ গঠনে এটি শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। প্রাত্যহিক জীবনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বৃদ্ধি টেলিকম অপারেটরদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণে নতুন সুযোগ ও দায়িত্ব এনে দিয়েছে। সংযোগ হলো ভিত্তি, আর এর প্রতিটি স্তরে আস্থা গড়ে তোলা অপরিহার্য। বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে এবং সবার কাছে নিরাপদ ও সুরক্ষিত উপায়ে মোবাইল প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দিতে সংকল্পবদ্ধ টেলিনর এশিয়া।’
জীবনকে আরও স্মার্ট করে তুলতে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দৈনন্দিন বাস্তবতায় নিয়ে আসতে ভূমিকা রাখছে মোবাইল ফোন বাংলাদেশে অনলাইন শিক্ষা (৬২%), দূরবর্তী কাজ (৫৪%) এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার (৫০%) মতো ক্ষেত্রে স্মার্ট জীবনধারাকে এগিয়ে নিচ্ছে মোবাইল প্রযুক্তি। গত এক বছরে দূরবর্তী কাজ (+৩৯%) এবং বাজেট ও ব্যয় ব্যবস্থাপনায় (+৩৬%) মোবাইলের ব্যবহার বৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি লক্ষ করা গেছে।
প্রজন্মভেদেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে পার্থক্য দেখা যায়। স্মার্ট হোম ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ ও ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত ফিচারের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি উপলব্ধি করছে মিলেনিয়ালরা। এসব তথ্য ইঙ্গিত দেয় যে, মোবাইল ব্যবহারের বিস্তৃতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে আরও গভীরভাবে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রাসঙ্গিক করে তুলছে।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

শহীদ জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করলো বিএনপি

দেশের ৯৬ ভাগ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এআই ব্যবহার করেন

আপডেট টাইম : ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম থেকে শুরু করে আর্থিক সেবা গ্রহণ, দৈনন্দিন কাজ সম্পাদন ও তথ্যপ্রাপ্তি-সবক্ষেত্রে বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে মোবাইল ফোন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কল্যাণে ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে দৈনন্দিন এসব সুবিধা; যার প্রভাবে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে মানুষের জীবন, কর্মসংস্থান ও পারস্পারিক যোগাযোগের ধারায়। বর্তমানে বাংলাদেশের ৯৬ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী নিয়মিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করেন, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ৮ শতাংশ বেশি।
গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত টেলিনর এশিয়া ডিজিটাল লাইভস ডিকোডেড ২০২৫ : বিল্ডিং ট্রাস্ট ইন বাংলাদেশ’স এআই ফিউচার শীর্ষক এক রিপোর্টে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এটি বাংলাদেশের ১,০০০ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ওপর পরিচালিত গবেষণার চতুর্থ সংস্করণ। গবেষণাটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অগ্রযাত্রা এবং দায়িত্বশীল, নৈতিক ও নিরাপদ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
টেলিনর এশিয়ার প্রধান ইওন ওমুন্ড রেভহগ বলেন, ‘বাংলাদেশে দৈনন্দিন জীবনকে বদলে দিতে মোবাইল ফোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। স্মার্ট ও আরও সংযুক্ত সমাজ গঠনে এটি শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। প্রাত্যহিক জীবনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বৃদ্ধি টেলিকম অপারেটরদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণে নতুন সুযোগ ও দায়িত্ব এনে দিয়েছে। সংযোগ হলো ভিত্তি, আর এর প্রতিটি স্তরে আস্থা গড়ে তোলা অপরিহার্য। বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে এবং সবার কাছে নিরাপদ ও সুরক্ষিত উপায়ে মোবাইল প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দিতে সংকল্পবদ্ধ টেলিনর এশিয়া।’
জীবনকে আরও স্মার্ট করে তুলতে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দৈনন্দিন বাস্তবতায় নিয়ে আসতে ভূমিকা রাখছে মোবাইল ফোন বাংলাদেশে অনলাইন শিক্ষা (৬২%), দূরবর্তী কাজ (৫৪%) এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার (৫০%) মতো ক্ষেত্রে স্মার্ট জীবনধারাকে এগিয়ে নিচ্ছে মোবাইল প্রযুক্তি। গত এক বছরে দূরবর্তী কাজ (+৩৯%) এবং বাজেট ও ব্যয় ব্যবস্থাপনায় (+৩৬%) মোবাইলের ব্যবহার বৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি লক্ষ করা গেছে।
প্রজন্মভেদেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে পার্থক্য দেখা যায়। স্মার্ট হোম ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ ও ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত ফিচারের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি উপলব্ধি করছে মিলেনিয়ালরা। এসব তথ্য ইঙ্গিত দেয় যে, মোবাইল ব্যবহারের বিস্তৃতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে আরও গভীরভাবে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রাসঙ্গিক করে তুলছে।