ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাছের সংকটে অস্তিত্বের লড়াইয়ে ভাঙ্গুড়ার ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি শিল্প ইয়োহেই সাসাকাওয়ার নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী, ভ্যাকসিন উৎপাদন কারখানা নিয়ে আলোচনা দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়তে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর গুরুত্বপূর্ণ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জাইকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ জাইকার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সেই বই থেকে দাঁড়িপাল্লা বাদ, সংশোধিত পৃষ্ঠা চূড়ান্ত সোনালী ব্যাংকের এমডি বহাল, তিন ব্যাংকে নতুন নিয়োগ মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযান মালিকদের জন্য সুখবর ড় সাইবার হামলার ঝুঁকিতে ৭০ শতাংশ ওয়েবসাইট দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের সুযোগ পাচ্ছে নতুন কুঁড়ির ৪০ জন ফ্রান্স থেকে স্পেন : ইউরোপজুড়ে কেন আন্দোলনে নেমেছে জেন-জি

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমদানি বাড়ায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ২৩-২৪ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা নেমেছে ১৫-১৬ টাকায়। আর নিম্নমানের পেঁয়াজের কেজি ১১-১২ টাকা।

করোনার কারণে ৭৫ দিন বন্ধ থাকার পর গত ৮ জুন স্বাস্থ্যবিধি মেনে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়।

আমদানিকারক বাবলুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। সামনে যেহেতু কোরবানি ঈদ, এ সময় পেঁযাজের চাহিদা বেড়ে যায়। এতে পেঁয়াজের আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে, করোনা সংক্রমণরোধে দেশের বিভিন্ন জেলাকে রেড জোন ঘোষণা করার কারণে পেঁয়াজের চাহিদাও কমেছে। যার প্রভাবে দাম কমেছে।

গত সপ্তাহে স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় ২৭৮টি ট্রাকে ৫ হাজার ৮৮৯ মেট্টিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। আর চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই কর্মদিবসে ৭০ ট্রাকে এসেছে ১ হাজার ৭০০ মেট্টিক টন পেঁয়াজ।

তিনি আরো জানান. স্বাস্থবিধি মেনে বন্দর দিয়ে সীমিত পরিসরে আমদানি-রফতানি হওয়ায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আসতে কিছুটা বাড়তি সময় লাগছে। এতে ট্রাকগুলোর বন্দরে প্রবেশ করতে ৪-৫ দিন লাগছে। ফলে অতিরিক্ত গরমে বেশি সময় ট্রাকে বদ্ধ অবস্থায় থাকায় পেঁয়াজ পচে নষ্ট হয়ে মান খারাপ হচ্ছে। এ কারণে দাম কমছে। আমদানিকারকরাও পড়ছেন লোকসানে।

 

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

মাছের সংকটে অস্তিত্বের লড়াইয়ে ভাঙ্গুড়ার ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি শিল্প

আপডেট টাইম : ০২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমদানি বাড়ায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ২৩-২৪ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা নেমেছে ১৫-১৬ টাকায়। আর নিম্নমানের পেঁয়াজের কেজি ১১-১২ টাকা।

করোনার কারণে ৭৫ দিন বন্ধ থাকার পর গত ৮ জুন স্বাস্থ্যবিধি মেনে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়।

আমদানিকারক বাবলুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। সামনে যেহেতু কোরবানি ঈদ, এ সময় পেঁযাজের চাহিদা বেড়ে যায়। এতে পেঁয়াজের আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে, করোনা সংক্রমণরোধে দেশের বিভিন্ন জেলাকে রেড জোন ঘোষণা করার কারণে পেঁয়াজের চাহিদাও কমেছে। যার প্রভাবে দাম কমেছে।

গত সপ্তাহে স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় ২৭৮টি ট্রাকে ৫ হাজার ৮৮৯ মেট্টিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। আর চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই কর্মদিবসে ৭০ ট্রাকে এসেছে ১ হাজার ৭০০ মেট্টিক টন পেঁয়াজ।

তিনি আরো জানান. স্বাস্থবিধি মেনে বন্দর দিয়ে সীমিত পরিসরে আমদানি-রফতানি হওয়ায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আসতে কিছুটা বাড়তি সময় লাগছে। এতে ট্রাকগুলোর বন্দরে প্রবেশ করতে ৪-৫ দিন লাগছে। ফলে অতিরিক্ত গরমে বেশি সময় ট্রাকে বদ্ধ অবস্থায় থাকায় পেঁয়াজ পচে নষ্ট হয়ে মান খারাপ হচ্ছে। এ কারণে দাম কমছে। আমদানিকারকরাও পড়ছেন লোকসানে।