২০১৭ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক স্তরের বিনামূল্যের পাঠ্যবইয়ের শুদ্ধিপত্র দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এনসিটিবির দেওয়া প্রথম শ্রেণির একটি, তৃতীয় শ্রেণির তিনটি ও পঞ্চম শ্রেণির দুটি বইয়ের শুদ্ধিপত্র গতকাল প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। শুদ্ধিপত্রে বলা হয়েছে, প্রথম শ্রেণির ‘আমার বাংলা বই’য়ের ৫৩ পৃষ্ঠায় ‘মৌ’-এর স্থলে হবে ‘মউ’। তৃতীয় শ্রেণির ‘আমার বাংলা বই’য়ের ৬৮ পৃষ্ঠায় কুসুমকুমারী দাশের ‘আদর্শ ছেলে’ কবিতাটির প্রথম লাইন ‘আমাদের দেশে সেই ছেলে কবে হবে’-এর শুদ্ধিপত্রে দেওয়া হয়েছে ‘আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে’। এ ছাড়া চতুর্থ লাইনে ‘মানুষ হতেই হবে’-এর সংশোধনী দিয়ে করা হয়েছে ‘মানুষ হইতে হবে’। নবম লাইনের ‘চাই’কে ‘চায়’ করা হয়েছে। কুসুমকুমারী দাশের সংক্ষেপিত কবিতাটির তথ্য সূত্রে বলা হয়েছে, কুসুমকুমারী দাশের কবিতা, সুমিতা চক্রবর্তী সম্পাদিত প্রকাশনা, কলকাতা-৭৩-এর ভারবি প্রকাশনা থেকে ২০০১ সালে প্রথম প্রকাশ। তৃতীয় শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ের ৫৮ পৃষ্ঠায় ‘আমাদের জাতির পিতা’ লেখাটিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মায়ের নাম লেখা হয়েছিল ‘সায়েরা বেগম’। এর স্থলে ‘সায়েরা খাতুন’ হিসেবে শুদ্ধিপত্র দিয়েছে এনসিটিবি। একই শ্রেণির ‘হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা’ (ইংরেজি ভার্সন) পেছনের কভারে ‘ঐবধত্ঃ’-এর স্থলে ‘যঁত্ঃ’ শব্দ দিয়ে সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে। পঞ্চম শ্রেণির ‘আমার বাংলা বই’য়ের তৃতীয় পৃষ্ঠায় ‘সমুদ’-এর স্থলে সংশোধনী দিয়ে ‘সমুদ্র’ এবং ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ের দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় ‘ঘোষনা’ বানানটি ‘ঘোষণা’ হিসেবে শুদ্ধ করেছে এনসিটিবি। তবে প্রাথমিকের পাঠ্যবইয়ে এসব সংশোধনী আনলেও মাধ্যমিকের বইয়ে কোনো সংশোধন আনেনি এনসিটিবি। এনসিটিবির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মাধ্যমিকের বইয়ে কোনো ভুল পাওয়া যায়নি। এ জন্য এ ক্ষেত্রে কোনো সংশোধনী দেওয়া হবে না। আর প্রাথমিকের ক্ষেত্রে এই ছয়টি ক্ষেত্রেই ভুল পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য, চলতি শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের ৩৬ কোটি ২১ লাখ ৮২ হাজার ২৮৫টি বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। কয়েকটি বইয়ের ভুলত্রুটি নিয়ে জানুয়ারি মাসের শুরুতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এসব নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
সংবাদ শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় বেসরকারি খাতে ৬৮ হাজারের বেশি প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী নিয়োগ
ভিসা নীতিমালার খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন
রাঙামাটির সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ বৃহস্পতিবার
রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ঘোষণা, বাস্তবায়নে কতটা আশার আলো
চাকরিজীবীদের জন্য দুই দফায় মিলবে যে ছুটি
প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাত না কাটানোর পরামর্শ অলির
সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ৩ বাহিনীর জন্য বড় পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বৃহত্তর বগুড়াতে মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন) কারখানা স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। উন্নত ও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক নজরদারী প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে সামারিক বাহিনীর উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ প্রক্রিয়ায় কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপির প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদে সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আগামী ১০ বছরে ৮৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনী আরও প্রযুক্তিনির্ভর, বহুমাত্রিক, আত্মনির্ভর ও যুদ্ধোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হবে। জাতীয় প্রতিরক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। নৌবাহিনীর জন্য আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ এবং সাবমেরিন সংযোজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সামরিক শিল্পাঞ্চল (ডিআইজি) স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে। জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বৈদেশিক নির্ভরতা হ্রাস এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অধিকতর উন্নত সামরিক প্রযুক্তি, ড্রোন প্রযুক্তি, সেন্সর ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক্স এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেছেন, বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নের কার্যক্রমও চলছে। নেত্রকোনা-৫ আসনের জামায়াতে ইসলামীন সংসদ সদস্য (এমপি) মাছুম মোস্তফার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন অগ্রাধিকার পাচ্ছে। তিন বছর এবং সাত বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।
কৃষি থেকে শিল্পে রুপান্তর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিবর্তন
এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা
প্রাথমিকের পাঠ্যবইয়ের আংশিক ভুল শুধরে শুদ্ধিপত্র প্রকাশ
-
বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক - আপডেট টাইম : ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মে ২০১৭
- 460
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ



























