ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজার মামলা জট, ঝুলে আছে হাজারো নিয়োগ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে হচ্ছে না ভর্তি পরীক্ষা

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ তৈরি করা সফটওয়্যারের প্রয়োজনীয় সক্ষমতা না থাকায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে না। ফলে এবার সরাসরিই পরীক্ষায় বসতে হবে শিক্ষার্থীদের।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে (ইউজিসি) অনুষ্ঠিত এ সংক্রান্ত এক সভায় বিশেষজ্ঞরা এ মতামত দেন। সংস্থাটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে এ সফটওয়্যারের পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর যে সফটওয়্যার প্রস্তাব করেছিলেন- তা বিশেষজ্ঞ কমিটি নাকচ করে দেয়।

বিশেষজ্ঞ কমিটির মতে, ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার মতো প্রয়োজনীয় সক্ষমতা এ সফটওয়্যারের নেই। এ সফটওয়্যার দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা নিতে গেলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।  নেটওয়ার্ক এবং টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন সঠিক নাও হতে পারে।

তাদের মতে, ছোট্ট পরিসরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়নে এ ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করা যেতে পারে। বৃহৎ পরিসরে পরীক্ষা নেয়ার জন্য এ সফটওয়্যারের আরো উন্নয়ন প্রয়োজন।

সভায় সফটওয়্যারের উদ্ভাবক মুনাজ আহমেদ জানান, তার সফটওয়্যারটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার জন্য এখনও উপযোগী নয়।

এদিকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ভিসি জানান, বৈঠকে যে সফটওয়্যার প্রস্তাব করা হয়েছে সেটি নতুন নয়। এ ধরনের সফটওয়্যার চীনে ব্যবহার করে বর্তমানে পরীক্ষা নেয়ার কাজ চলছে।

সভায় ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম, প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. হাফিজ মো. হাসান বাবু, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মোস্তফা আকবর প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে হচ্ছে না ভর্তি পরীক্ষা

আপডেট টাইম : ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২০

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ তৈরি করা সফটওয়্যারের প্রয়োজনীয় সক্ষমতা না থাকায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে না। ফলে এবার সরাসরিই পরীক্ষায় বসতে হবে শিক্ষার্থীদের।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে (ইউজিসি) অনুষ্ঠিত এ সংক্রান্ত এক সভায় বিশেষজ্ঞরা এ মতামত দেন। সংস্থাটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে এ সফটওয়্যারের পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর যে সফটওয়্যার প্রস্তাব করেছিলেন- তা বিশেষজ্ঞ কমিটি নাকচ করে দেয়।

বিশেষজ্ঞ কমিটির মতে, ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার মতো প্রয়োজনীয় সক্ষমতা এ সফটওয়্যারের নেই। এ সফটওয়্যার দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা নিতে গেলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।  নেটওয়ার্ক এবং টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন সঠিক নাও হতে পারে।

তাদের মতে, ছোট্ট পরিসরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়নে এ ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করা যেতে পারে। বৃহৎ পরিসরে পরীক্ষা নেয়ার জন্য এ সফটওয়্যারের আরো উন্নয়ন প্রয়োজন।

সভায় সফটওয়্যারের উদ্ভাবক মুনাজ আহমেদ জানান, তার সফটওয়্যারটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার জন্য এখনও উপযোগী নয়।

এদিকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ভিসি জানান, বৈঠকে যে সফটওয়্যার প্রস্তাব করা হয়েছে সেটি নতুন নয়। এ ধরনের সফটওয়্যার চীনে ব্যবহার করে বর্তমানে পরীক্ষা নেয়ার কাজ চলছে।

সভায় ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম, প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. হাফিজ মো. হাসান বাবু, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মোস্তফা আকবর প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন।