ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজার মামলা জট, ঝুলে আছে হাজারো নিয়োগ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান

স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষায় বসার অনুরোধ মেডিকেল শিক্ষার্থীদের

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পেশাগত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য মেডিকেল শিক্ষার্থীদের অনুরোধ জানিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের গাইড লাইন ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে আসন্ন ২০২১ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ হতে নিয়মিত ও অনিয়মিত ব্যাচের সকল প্রফেশনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার নির্দিষ্ট সময়ের এক মাস পূর্বে শুধুমাত্র পরীক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোস্টেলে অবস্থান করতে পারবেন, অন্য কোনো শিক্ষার্থী হলে অবস্থান করতে পারবেন না।

সোমবার (৯ নভেম্বর) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. একেএম আহসান হাবিব স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপিতে বলা হয়, দেশে বর্তমানে ৩৬টি সরকারি ও ৭০টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে শিক্ষা কার্যক্রম চালু আছে ৷ গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে মেডিকেল শিক্ষা ব্যবস্থায় কিছু ভিন্নতা রয়েছে। এখানে শিক্ষার্থীদের ত্বাত্তিক পাঠদানের সাথে প্রতিক্ষেত্রে ব্যবহারিক শিক্ষার আবশ্যিকতা রয়েছে। চিকিৎসা শিক্ষায় এমবিবিএস/বিডিএস শিক্ষার্থীদের বছরে মে ও নভেম্বর/ ফেব্রুয়ারি ও আগস্ট এ দু’টি টার্মে প্রফেশনাল পরীক্ষা হয়ে থাকে । একজন ছাত্রকে চিকিৎসক হওয়ার পূর্বে চারটি প্রফেশনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয় ৷

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের কারণে অন্যান্য শিক্ষা ব্যবস্থার মত চিকিৎসা শিক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয় হওয়ার প্রেক্ষিতে ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের সেশনজট মুক্ত রাখতে পরীক্ষা নেয়া ছাড়া বিকল্প নেই ৷ চিকিৎসা শিক্ষা ভিন্নধর্মী হওয়ায় বিদ্যমান বিধিতে পরীক্ষা ব্যতিত অন্য কোনোভাবে একজন শিক্ষার্থীকে পরবর্তী ধাপে উত্তীর্ণ হওয়ারও সুযোগ নেই ৷

সকল মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষবৃন্দ ও বিএমডিসির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একাধিক সভার মাধ্যমে পরীক্ষা গ্রহণ সম্পর্কিত বিভিন্ন দিক নিয়ে পর্যালোচনা করা হয় ৷ এতে সকলের সম্মতিক্রমে আগামী ২০২১ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ হতে সকল ব্যাচের প্রফেশনাল পরীক্ষাসমূহ স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের গাইড লাইন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। পর্যায়ক্রমে ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য প্রফেশনাল পরীক্ষাগুলো নেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ইতিমধ্যে অনিয়মিত ব্যাচের চূড়ান্ত প্রফেশনাল পরীক্ষা চলমান রয়েছে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষার নির্দিষ্ট সময়ের এক মাস পূর্বে শুধুমাত্র পরীক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোস্টেলে অবস্থানের অনুমতি প্রদান করা হয় এবং অন্য কোনো শিক্ষার্থী হোস্টেলে অবস্থান করতে পারবে না। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের পক্ষ থেকে সকলকে কোনো প্রকার আন্দোলনে অংশ না নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়৷ অধিদফতর চিকিৎসা শিক্ষার গুণগত মান অক্ষুন্ন রেখে শিক্ষার্থীদের সেশনজট দূর করতে বদ্ধপরিকর বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা

স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষায় বসার অনুরোধ মেডিকেল শিক্ষার্থীদের

আপডেট টাইম : ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর ২০২০

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পেশাগত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য মেডিকেল শিক্ষার্থীদের অনুরোধ জানিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের গাইড লাইন ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে আসন্ন ২০২১ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ হতে নিয়মিত ও অনিয়মিত ব্যাচের সকল প্রফেশনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার নির্দিষ্ট সময়ের এক মাস পূর্বে শুধুমাত্র পরীক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোস্টেলে অবস্থান করতে পারবেন, অন্য কোনো শিক্ষার্থী হলে অবস্থান করতে পারবেন না।

সোমবার (৯ নভেম্বর) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. একেএম আহসান হাবিব স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপিতে বলা হয়, দেশে বর্তমানে ৩৬টি সরকারি ও ৭০টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে শিক্ষা কার্যক্রম চালু আছে ৷ গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে মেডিকেল শিক্ষা ব্যবস্থায় কিছু ভিন্নতা রয়েছে। এখানে শিক্ষার্থীদের ত্বাত্তিক পাঠদানের সাথে প্রতিক্ষেত্রে ব্যবহারিক শিক্ষার আবশ্যিকতা রয়েছে। চিকিৎসা শিক্ষায় এমবিবিএস/বিডিএস শিক্ষার্থীদের বছরে মে ও নভেম্বর/ ফেব্রুয়ারি ও আগস্ট এ দু’টি টার্মে প্রফেশনাল পরীক্ষা হয়ে থাকে । একজন ছাত্রকে চিকিৎসক হওয়ার পূর্বে চারটি প্রফেশনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয় ৷

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের কারণে অন্যান্য শিক্ষা ব্যবস্থার মত চিকিৎসা শিক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয় হওয়ার প্রেক্ষিতে ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের সেশনজট মুক্ত রাখতে পরীক্ষা নেয়া ছাড়া বিকল্প নেই ৷ চিকিৎসা শিক্ষা ভিন্নধর্মী হওয়ায় বিদ্যমান বিধিতে পরীক্ষা ব্যতিত অন্য কোনোভাবে একজন শিক্ষার্থীকে পরবর্তী ধাপে উত্তীর্ণ হওয়ারও সুযোগ নেই ৷

সকল মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষবৃন্দ ও বিএমডিসির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একাধিক সভার মাধ্যমে পরীক্ষা গ্রহণ সম্পর্কিত বিভিন্ন দিক নিয়ে পর্যালোচনা করা হয় ৷ এতে সকলের সম্মতিক্রমে আগামী ২০২১ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ হতে সকল ব্যাচের প্রফেশনাল পরীক্ষাসমূহ স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের গাইড লাইন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। পর্যায়ক্রমে ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য প্রফেশনাল পরীক্ষাগুলো নেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ইতিমধ্যে অনিয়মিত ব্যাচের চূড়ান্ত প্রফেশনাল পরীক্ষা চলমান রয়েছে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষার নির্দিষ্ট সময়ের এক মাস পূর্বে শুধুমাত্র পরীক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোস্টেলে অবস্থানের অনুমতি প্রদান করা হয় এবং অন্য কোনো শিক্ষার্থী হোস্টেলে অবস্থান করতে পারবে না। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের পক্ষ থেকে সকলকে কোনো প্রকার আন্দোলনে অংশ না নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়৷ অধিদফতর চিকিৎসা শিক্ষার গুণগত মান অক্ষুন্ন রেখে শিক্ষার্থীদের সেশনজট দূর করতে বদ্ধপরিকর বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।