ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন ফারজানা রহমান অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ৫ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন সেমির আগে ইংল্যান্ডকে ‘দখলদার-জলদস্যু’ বললেন আর্জেন্টিনার ভাইস প্রেসিডেন্ট পবিত্র সফর মাসের চাঁদ দেখা গেছে, আখেরী চাহার ১২ আগস্ট লেবানন-ইসরায়েল আলোচনায় ‘পাইলট জোন’ স্থাপনে সম্মতি শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী

রপ্তানি হচ্ছে হরিণাকুন্ডের ব্যাগিং পদ্ধতির আম

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ  ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলা খাদ্যে উদ্বৃত্ত উপজেলার খেতাব অর্জনের পর এবার আম বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের এক সোনালী ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের সহায়তায় এ বছর হরিণাকুন্ডু উপজেলার ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম উৎপাদনে আগ্রহী চাষীদের তালিকা তৈরী করে তাদেরকে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে বিদেশে আম রপ্তানিকারকদের সাথে চাষীদের চুক্তিবদ্ধ করতে সহায়তা করা হয়।

চুক্তি মোতাবেক সুন্দর, আকর্ষণীয়, লাবন্যময় স্বাস্থ্যসম্মত কীটনাশক মুক্ত আম উৎপাদন নিশ্চিত করতে নিবিড় পরিচর্যা প্রদান অব্যাহত রাখা হয়।

ইতিমধ্যে চায়না থেকে মান সম্মত ব্যাগ প্রাপ্তি এবং পরানোর কৌশল চাষীদের জন্য সহজ লোভ্য করা হয়। এসকল স্তর শেষে আম পাকার মৌসূমের শুরুতে রপ্তানিকারদের সাথে বাগানে বসে চাষীরা আমের মূল্য নির্ধারণ করে। এবার তারা মৌসুমে প্রথমে প্রাপ্ত হিম সাগর আম বাগান থেকে বিক্রয় মূল্য পাচ্ছে ৪০ টাকা এবং ব্যাগিং করা একই আম বিক্রি করছে ৮৫ টাকা কেজি। সাধারন আমের চেয়ে ব্যাগিং করা আম প্রতিটি ব্যাগ পরানোসহ আনুসঙ্গিক খাতে ১০ টাকা ব্যয় ধরলেও প্রতি কেজিতে অতিরিক্ত ৩৫ টাকা লভ্যাংশ ঘরে তুলছে আম চাষীগন।

ঝিনাইদহ জেলায় প্রথম বিদেশে আম রপ্তানি করে বৈদেশিক উপার্জন করছে হরিণাকুন্ডু উপজেলার মালিপাড়া গ্রামের চাষী শহিদুল ইসলাম বিপ্লব। তার মত আরো কয়েকজন চাষী এ বছর পরীক্ষা মূলক ভাবে ব্যাগিং পদ্ধতি অবলম্বলন করে আম চাষে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছে।

এসকল চাষীদের প্রাথমিক সাফল্য দেখে আগামী মৌসূমে অনেক সাধারণ আম বাগানের মালিক ব্যাগিং করে আম চাষের প্রত্যয় ব্যক্ত করছে। উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের বিশিষ্ট আম চাষী বদর উদ্দীন মোল্লা তার ২একর বিশিষ্ট সমগ্র বাগানটি আগামী মৌসূমে ব্যাগিং পদ্ধতি অবলম্বন করার কথা জানান। পাশাপাশি অনেক পতিত জমির মালিকগন পড়ে থাকা জায়গায় আম বাগান করে নিজের ও দেশের ভাগ্য বদলাতে অবদান রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন ফারজানা রহমান

রপ্তানি হচ্ছে হরিণাকুন্ডের ব্যাগিং পদ্ধতির আম

আপডেট টাইম : ০৬:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জুন ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ  ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলা খাদ্যে উদ্বৃত্ত উপজেলার খেতাব অর্জনের পর এবার আম বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের এক সোনালী ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের সহায়তায় এ বছর হরিণাকুন্ডু উপজেলার ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম উৎপাদনে আগ্রহী চাষীদের তালিকা তৈরী করে তাদেরকে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে বিদেশে আম রপ্তানিকারকদের সাথে চাষীদের চুক্তিবদ্ধ করতে সহায়তা করা হয়।

চুক্তি মোতাবেক সুন্দর, আকর্ষণীয়, লাবন্যময় স্বাস্থ্যসম্মত কীটনাশক মুক্ত আম উৎপাদন নিশ্চিত করতে নিবিড় পরিচর্যা প্রদান অব্যাহত রাখা হয়।

ইতিমধ্যে চায়না থেকে মান সম্মত ব্যাগ প্রাপ্তি এবং পরানোর কৌশল চাষীদের জন্য সহজ লোভ্য করা হয়। এসকল স্তর শেষে আম পাকার মৌসূমের শুরুতে রপ্তানিকারদের সাথে বাগানে বসে চাষীরা আমের মূল্য নির্ধারণ করে। এবার তারা মৌসুমে প্রথমে প্রাপ্ত হিম সাগর আম বাগান থেকে বিক্রয় মূল্য পাচ্ছে ৪০ টাকা এবং ব্যাগিং করা একই আম বিক্রি করছে ৮৫ টাকা কেজি। সাধারন আমের চেয়ে ব্যাগিং করা আম প্রতিটি ব্যাগ পরানোসহ আনুসঙ্গিক খাতে ১০ টাকা ব্যয় ধরলেও প্রতি কেজিতে অতিরিক্ত ৩৫ টাকা লভ্যাংশ ঘরে তুলছে আম চাষীগন।

ঝিনাইদহ জেলায় প্রথম বিদেশে আম রপ্তানি করে বৈদেশিক উপার্জন করছে হরিণাকুন্ডু উপজেলার মালিপাড়া গ্রামের চাষী শহিদুল ইসলাম বিপ্লব। তার মত আরো কয়েকজন চাষী এ বছর পরীক্ষা মূলক ভাবে ব্যাগিং পদ্ধতি অবলম্বলন করে আম চাষে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছে।

এসকল চাষীদের প্রাথমিক সাফল্য দেখে আগামী মৌসূমে অনেক সাধারণ আম বাগানের মালিক ব্যাগিং করে আম চাষের প্রত্যয় ব্যক্ত করছে। উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের বিশিষ্ট আম চাষী বদর উদ্দীন মোল্লা তার ২একর বিশিষ্ট সমগ্র বাগানটি আগামী মৌসূমে ব্যাগিং পদ্ধতি অবলম্বন করার কথা জানান। পাশাপাশি অনেক পতিত জমির মালিকগন পড়ে থাকা জায়গায় আম বাগান করে নিজের ও দেশের ভাগ্য বদলাতে অবদান রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।