ঢাকা , রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নজিরবিহীন শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশংসায় ভারতীয় গণমাধ্যম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট’ পদ সৃষ্টির প্রস্তাব এসেছে মঈন খানকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন মির্জা আব্বাস সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতিতে পরিণত করতে চায় সরকার : অর্থমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় ইমাম সমাজ সর্বদাই অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ মাদ্রাসা শিক্ষককে চড় মারা রুমিকে গ্রেপ্তার করতে চায় পুলিশ এইচএসসির ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর সরাইলের ঘটনায় মামলা হলে আমাকেই যেন প্রধান আসামি করা হয় ১১ জেলের কাছ থেকে উদ্ধার ৬০ কেজি ইলিশ এতিমখানায় বিতরণ

ফাইভ ইস্টার হোডেল, মাগার ফুলে গন্ধ নাই কেলা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন তার এক বছরের আমলানামা গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে তুলে ধরতে সোমবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পাঁচ তারকা (ফাইভ স্টার) হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন।

সকাল সোয়া ১০টায় সংবাদ সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা। বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার রিপোর্টারদের অধিকাংশই নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন।

আধ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সংবাদ সম্মেলন শুরুর নাম নেই। দু’একজন সিনিয়র সাংবাদিক ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা উত্তম কুমারকে ডেকে বিলম্বের কারণ জানতে চান। এ সময় তিনি জানান, মেয়র সাঈদ খোকন সময়ের আগেই উপস্থিত হয়েছেন।

Flower

তিনি তার নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান সমন্বয়কারী সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রচার সমন্বয়কারী সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খানের অনুষ্ঠানস্থলে আসার অপেক্ষা করছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যম কর্মীরা ছাড়া ডিসিসির বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর ও পুরান ঢাকার মেয়রের খুব কাছের কিছু পরিচিত লোকজন এসেছেন।

সংবাদ সম্মেলন শুরুতে বিলম্ব দেখে বলরুম থেকে বাইরে বেরিয়ে কেউ বারান্দায় পায়চারী, কেউ ঝর্না ধারার সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি ও গ্রুপ ছবি তুলছিলেন। পুরান ঢাকার মধ্যবয়সী দুই ভদ্রলোক কথা বলতে বলতে পূর্বদিকের পার্কিং জোনের দিকে এগিয়ে যান।

ফিরে আসার সময় দু’জনেই প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও, ঢাকা লেখা সাইনবোর্ডের সামনে থমকে দাঁড়ান। তাদের আলোচনার বিষয়বস্তুু গাছে ফুঁটে থাকা লাল, হলুদ, বেগুনি, ম্যাজেন্ডা ও নীলসহ নানা রঙের ফুল। তাদের একজন আরেকজনকে বলছিলেন, ‘দেখছনি মিয়া, ছোড ছোড গাছে কি ছুন্দর ফুল ফুইট্যা রইছে।’

Flower

অপরজন উত্তরে বলেন, ‘অহন তো মিয়া ফুল ফুটনেরই ছিজন, দেহনো বাছা (বাসা) বাড়ির ছাদ থাইক্যা ছুরু কইরা রাস্তা ঘাটে অহন কত ফুল ফুইট্যা রয়, দেহনা মিয়া।’

কথা বলতে বলতে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় একজন ফুলের সামনে নাক বাড়িয়ে অপরজনকে বলেন, ‘কিরে হালা, এইডা না ফাইভ ইস্টার হোডেল, মাগার ফুলে গন্ধ নাই কেলা। এবার দু’জন ফুল হাতে ধরে একসঙ্গে বলে উঠেন, ডজ খাইজি। এইডা তো দেহি পেলাসটিকের (প্লাস্টিক) ফুল। এ সময় নিরাপত্তারক্ষী ওই দু’জনকে হাত দিয়ে ফুল ধরতে নিষেধ করলে তারা দ্রুত হেঁটে সংবাদ সম্মেলন স্থলে ফিরে যান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

নজিরবিহীন শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশংসায় ভারতীয় গণমাধ্যম

ফাইভ ইস্টার হোডেল, মাগার ফুলে গন্ধ নাই কেলা

আপডেট টাইম : ০৬:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মে ২০১৬

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন তার এক বছরের আমলানামা গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে তুলে ধরতে সোমবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পাঁচ তারকা (ফাইভ স্টার) হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন।

সকাল সোয়া ১০টায় সংবাদ সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা। বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার রিপোর্টারদের অধিকাংশই নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন।

আধ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সংবাদ সম্মেলন শুরুর নাম নেই। দু’একজন সিনিয়র সাংবাদিক ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা উত্তম কুমারকে ডেকে বিলম্বের কারণ জানতে চান। এ সময় তিনি জানান, মেয়র সাঈদ খোকন সময়ের আগেই উপস্থিত হয়েছেন।

Flower

তিনি তার নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান সমন্বয়কারী সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রচার সমন্বয়কারী সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খানের অনুষ্ঠানস্থলে আসার অপেক্ষা করছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যম কর্মীরা ছাড়া ডিসিসির বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর ও পুরান ঢাকার মেয়রের খুব কাছের কিছু পরিচিত লোকজন এসেছেন।

সংবাদ সম্মেলন শুরুতে বিলম্ব দেখে বলরুম থেকে বাইরে বেরিয়ে কেউ বারান্দায় পায়চারী, কেউ ঝর্না ধারার সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি ও গ্রুপ ছবি তুলছিলেন। পুরান ঢাকার মধ্যবয়সী দুই ভদ্রলোক কথা বলতে বলতে পূর্বদিকের পার্কিং জোনের দিকে এগিয়ে যান।

ফিরে আসার সময় দু’জনেই প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও, ঢাকা লেখা সাইনবোর্ডের সামনে থমকে দাঁড়ান। তাদের আলোচনার বিষয়বস্তুু গাছে ফুঁটে থাকা লাল, হলুদ, বেগুনি, ম্যাজেন্ডা ও নীলসহ নানা রঙের ফুল। তাদের একজন আরেকজনকে বলছিলেন, ‘দেখছনি মিয়া, ছোড ছোড গাছে কি ছুন্দর ফুল ফুইট্যা রইছে।’

Flower

অপরজন উত্তরে বলেন, ‘অহন তো মিয়া ফুল ফুটনেরই ছিজন, দেহনো বাছা (বাসা) বাড়ির ছাদ থাইক্যা ছুরু কইরা রাস্তা ঘাটে অহন কত ফুল ফুইট্যা রয়, দেহনা মিয়া।’

কথা বলতে বলতে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় একজন ফুলের সামনে নাক বাড়িয়ে অপরজনকে বলেন, ‘কিরে হালা, এইডা না ফাইভ ইস্টার হোডেল, মাগার ফুলে গন্ধ নাই কেলা। এবার দু’জন ফুল হাতে ধরে একসঙ্গে বলে উঠেন, ডজ খাইজি। এইডা তো দেহি পেলাসটিকের (প্লাস্টিক) ফুল। এ সময় নিরাপত্তারক্ষী ওই দু’জনকে হাত দিয়ে ফুল ধরতে নিষেধ করলে তারা দ্রুত হেঁটে সংবাদ সম্মেলন স্থলে ফিরে যান।