ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

ও কিন্তু সবই বুঝে

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ ও রেহান চৌধুরীর ডিভোর্স বেশ আগে হলেও সম্প্রতি অভিনেত্রী তানজিন তিশার সঙ্গে স্বামীর সম্পর্ক নিয়ে পুনরায় আলোচনায় এসেছেন রেহান। আর এর ছাপ পড়েছে তাদের সন্তান আলিমের ওপর।

রেহান বলেন, গত বছরের সেপ্টেম্বরে আলিম স্কুলে ভর্তি হয়। একদম হাসিখুশি থাকত সব সময়। তখন আলিমের স্কুল থেকে একটাও অভিযোগ আসেনি। যখন আমরা ডিভোর্স নিয়ে আলাদা থাকতে শুরু করলাম। তখন ওর দাদির কাছে রেখে যাই। এরপর থেকেই আমি আলিমের নামে স্কুল থেকে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ পাই।

ক্লাসে আলিম কোনো কথা শুনে না। স্কুলের বারান্দায় গিয়ে দেখিয়ে দেয় ওই যে আমার বাবা। ওই যে ধানমন্ডি ১০/এ। আর এসব বিষয় হাবিবকে বললে বলতো না, ও একটু দুষ্ট ছেলে। তাই এসব বলে। উল্টো আলিমের দোষ দেয়। তবে আলিম মানসিকভাবে অনেক শক্ত। ও যখন রাতে আমার পাশে ঘুমায় তখন সে ফিসফিস করে সব বলে। ও কিন্তু সবই বুঝে। আমিও বুঝি। কষ্ট লাগে। কিন্তু চুপ থাকি। ও সেভাবে না বুঝিয়ে বলতে পারলেও আমি মা হিসেবে বুঝি বিষয়গুলো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

ও কিন্তু সবই বুঝে

আপডেট টাইম : ১২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ ও রেহান চৌধুরীর ডিভোর্স বেশ আগে হলেও সম্প্রতি অভিনেত্রী তানজিন তিশার সঙ্গে স্বামীর সম্পর্ক নিয়ে পুনরায় আলোচনায় এসেছেন রেহান। আর এর ছাপ পড়েছে তাদের সন্তান আলিমের ওপর।

রেহান বলেন, গত বছরের সেপ্টেম্বরে আলিম স্কুলে ভর্তি হয়। একদম হাসিখুশি থাকত সব সময়। তখন আলিমের স্কুল থেকে একটাও অভিযোগ আসেনি। যখন আমরা ডিভোর্স নিয়ে আলাদা থাকতে শুরু করলাম। তখন ওর দাদির কাছে রেখে যাই। এরপর থেকেই আমি আলিমের নামে স্কুল থেকে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ পাই।

ক্লাসে আলিম কোনো কথা শুনে না। স্কুলের বারান্দায় গিয়ে দেখিয়ে দেয় ওই যে আমার বাবা। ওই যে ধানমন্ডি ১০/এ। আর এসব বিষয় হাবিবকে বললে বলতো না, ও একটু দুষ্ট ছেলে। তাই এসব বলে। উল্টো আলিমের দোষ দেয়। তবে আলিম মানসিকভাবে অনেক শক্ত। ও যখন রাতে আমার পাশে ঘুমায় তখন সে ফিসফিস করে সব বলে। ও কিন্তু সবই বুঝে। আমিও বুঝি। কষ্ট লাগে। কিন্তু চুপ থাকি। ও সেভাবে না বুঝিয়ে বলতে পারলেও আমি মা হিসেবে বুঝি বিষয়গুলো।