ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

রাজপথে আতঙ্কের নাম মোটরসাইকেল

ঢাকার রাজপথে আতঙ্কের নাম মোটরসাইকেল। দিনে দিনে যারপরনাই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে বাইকাররা। মানছে না নিয়ম, থামছে না পুলিশের সিগন্যালে। যে কারণে বেড়েছে দুর্ঘটনা, সংখ্যা বাড়ছে মৃত্যুর।

ভয়ঙ্কর বাহন এই মোটরবাইক। পথচারীদের কাছে নতুন এক উপদ্রবও বটে।

একজন নারী যাত্রী বলেন, মাঝে মাঝে দ্রুত আসার জন্য বা যাওয়ার জন্য মোটর সাইকেল ইউজ করি। বাট এরা খুব ফাস্ট। মোটর সাইকেলে যাত্রী উঠছে মানে তারা দ্রুত যাবে। দেখা যায়- কোনো রুলস না মেনে, সিগন্যাল না মেনে ফ্লাইওভার বা ফুটওভার দিয়ে চলে যাচ্ছে। এটা আমাদের জন্য খুব বিপদজনক হয়ে যায়।

রাজধানীর রাজপথে যখন রাইড শেয়ার শুরু হয়েছিল তখন সুবিধার কথা বিবেচনা করে অনেকেই খুশি হয়েছিলেন। দিন বদলের সাথে বাইকারদের চরিত্রও পাল্টে গেছে। বেশিরভাগ আরোহীর অভিযোগ, ওদের আচরণ যেমন উগ্র তেমনি মানেন না ট্রাফিক আইন।

রাজধানীবাসীর অভিযোগ, রাস্তার তুলনায় অতি অল্প সময়ে মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেড়েছে অনেক। ফুটপাথ, দুই বাসের চিপা কিংবা পথচলতি মানুষের পায়ের ওপর দিয়েও বাইক চালাচ্ছে তারা।

বাইকের ধাক্কায় প্রতিদিনই ছিটকে পড়েন গন্তব্যে ফেরা মানুষ। প্রতিবাদ করলে উল্টো গরম দেখান চালকেরা।

চালকদের আচরণে খোদ পুলিশও বিরক্ত। বললেন, বাইক নিয়ন্ত্রণ এখন সময়ের দাবি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

রাজপথে আতঙ্কের নাম মোটরসাইকেল

আপডেট টাইম : ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৩

ঢাকার রাজপথে আতঙ্কের নাম মোটরসাইকেল। দিনে দিনে যারপরনাই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে বাইকাররা। মানছে না নিয়ম, থামছে না পুলিশের সিগন্যালে। যে কারণে বেড়েছে দুর্ঘটনা, সংখ্যা বাড়ছে মৃত্যুর।

ভয়ঙ্কর বাহন এই মোটরবাইক। পথচারীদের কাছে নতুন এক উপদ্রবও বটে।

একজন নারী যাত্রী বলেন, মাঝে মাঝে দ্রুত আসার জন্য বা যাওয়ার জন্য মোটর সাইকেল ইউজ করি। বাট এরা খুব ফাস্ট। মোটর সাইকেলে যাত্রী উঠছে মানে তারা দ্রুত যাবে। দেখা যায়- কোনো রুলস না মেনে, সিগন্যাল না মেনে ফ্লাইওভার বা ফুটওভার দিয়ে চলে যাচ্ছে। এটা আমাদের জন্য খুব বিপদজনক হয়ে যায়।

রাজধানীর রাজপথে যখন রাইড শেয়ার শুরু হয়েছিল তখন সুবিধার কথা বিবেচনা করে অনেকেই খুশি হয়েছিলেন। দিন বদলের সাথে বাইকারদের চরিত্রও পাল্টে গেছে। বেশিরভাগ আরোহীর অভিযোগ, ওদের আচরণ যেমন উগ্র তেমনি মানেন না ট্রাফিক আইন।

রাজধানীবাসীর অভিযোগ, রাস্তার তুলনায় অতি অল্প সময়ে মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেড়েছে অনেক। ফুটপাথ, দুই বাসের চিপা কিংবা পথচলতি মানুষের পায়ের ওপর দিয়েও বাইক চালাচ্ছে তারা।

বাইকের ধাক্কায় প্রতিদিনই ছিটকে পড়েন গন্তব্যে ফেরা মানুষ। প্রতিবাদ করলে উল্টো গরম দেখান চালকেরা।

চালকদের আচরণে খোদ পুলিশও বিরক্ত। বললেন, বাইক নিয়ন্ত্রণ এখন সময়ের দাবি।