ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ড্যাপ ও গৃহায়ণ বিধিমালা সংশোধিত হলে সস্তায় ফ্ল্যাট কিনতে পারবে মানুষ : শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বিশ্বমঞ্চে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জিয়া পরিবারের তিন প্রজন্মের উত্তরাধিকারের নতুন অধ্যায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার দাবি তারেক রহমানের জাতিসংঘে ভাষণ গিনেস বুকে উঠবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার সতর্কবার্তা দিল ইরান ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হবে ‘সুবিধাজনক সময়ে’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাসভাড়া কত বাড়ানোর প্রস্তাব করল বিআরটিএ বিশ্বমঞ্চে প্রথম ভাষণ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী, শুরু ঐতিহাসিক সফর জাতিসংঘে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন পাসপোর্ট অধিদফতরের নতুন ডিজি মেজর জেনারেল আলীমুল আমীন

ছড়িয়ে পড়ছে পানিবাহিত রোগ

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ বন্যার পানিতে ডুবে সিরাজগঞ্জে শিশুসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বগুড়ায় যমুনার পানি কমতে শুরু করেছে। বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়েছে লালমনিরহাট ও গাইবান্ধায়। কিন্তু পানিবন্দি হয়ে থাকা কয়েক লাখ মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সঙ্কটের পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ। অন্যদিকে পদ্মার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মাদারীপুরের শিবচরের চরাঞ্চলের দুটি ইউনিয়ন নদীভাঙনের কবলে পড়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ। আমাদের আঞ্চলিক অফিস, প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো প্রতিবেদন : সিরাজগঞ্জ : জেলার চৌহালী ও উল্লাপাড়ায় বন্যার পানিতে ডুবে শিশু ও বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তারা হল চৌহালীর ঘোরজান ইউনিয়নের কাউছার আলীর ছেলে মুস্তাকিম (১১ মাস) এবং উল্লাপাড়ার ডেফলবাড়ী গ্রামের মৃত আখের আলীর স্ত্রী অবিরননেছা (৭০)। জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউস ইন্সপেক্টর দিয়ানাতুল ইসলাম জানান, গত রোববার বিকেলে অবিরননেছা বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ফুলজোড় নদীতে পাট ধোয়ার কাজ করতে যান। সন্ধ্যার পরও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে চেষ্টা করেও তাকে খুঁজে পায়নি। গতকাল ভোর ৫টার দিকে বড়হর ইউনিয়নের ফুলজোড় নদীতে তার লাশ ভেসে উঠলে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে। এদিকে চৌহালী উপজেলা স্বাস্থ্য সহকারী রিনা খাতুন জানান, গত রোববার বিকেলে চৌহালীর বালিয়াকান্দি চরের ১১ মাসের শিশু মুস্তাকিম বাড়ির পাশের বন্যার পানিতে হামাগুড়ি দিয়ে খেলতে খেলতে পড়ে যায়। পরে রাতে তার লাশ ভেসে উঠলে স্বজনরা উদ্ধার করে। বগুড়া : যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে এখনও তা বিপদসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে নদীভাঙন। এতে করে নদী পারের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকে জান নিয়ে বাঁধসহ বিভিন্ন উঁচু স্থানে আশ্রয় নিলেও তাদের বাড়িঘর টিকে রয়েছে কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে। সরকারি হিসাবে, বগুড়ার ৩ উপজেলার ৯৩টি গ্রাম বন্যাকবলিত হয়ে প্রায় ১৭ হাজার ২৪৫টি পরিবারের ৯০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে সাড়ে ৩ হাজার পরিবার। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সারিয়কান্দি উপজেলা। বন্যাকবলিত তিনটি উপজেলায় ৫ হাজার ৮৫ হাজার হেক্টর ফসলি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এছাড়া ৪০৫ টন খড় ও ৪৬০ টন ঘাস নষ্ট হয়েছে। বন্যায় তিনটি উপজেলায় ১ হাজার ২৪৫টি নলকূপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৮৪টি মেরামত করা হয়েছে এবং নতুন করে ৪০টি টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বাঁধে আশ্রিতদের জন্য ৯০টি ল্যান্টিন স্থাপন করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর পানি বিশুদ্ধকরণের জন্য ১৮শ’ বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করেছে। লালমনিরহাট : লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও তিস্তা-ধরলার ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এই নদী দুটির তীরবর্তী মানুষ প্রতিদিনই ছোটখাটো ভাঙনের শিকার হচ্ছে। ভাঙনের কবলে প্রতিদিন বিলীন হচ্ছে আবাদি জমিসহ একের পর এক বসতভিটা। তবে গত কয়েকদিনের তুলনায় ভাঙন অনেকটা কমেছে। গাইবান্ধা : জেলার ব্রক্ষপুত্র, ঘাঘট ও যমুনা নদীর পানি কমায় বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে। কিন্তু পানিবন্দি হয়ে থাকা আড়াই লাখ মানুষের দুর্ভোগ কমছে না। দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সঙ্কট দেখা দিয়েছে, পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগও। পাটসহ অন্যান্য ফসল নষ্ট হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে বাসিন্দারা। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত শুক্রবার থেকে পানি কমা শুরু হয়। এতে জেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের ডুবে থাকা ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও রাস্তাঘাট জেগে উঠতে শুরু করে। প্রায় ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পানি নেমে গেলেও তা ব্যবহার উপযোগী হতে অন্তত ৭ থেকে ১০ দিন লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভিটেমাটি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেওয়া লোকজনও নিজেদের বাড়িঘরে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু কাদামাটি ও ধসেপড়া ঘর মেরামত করতে আরও সময় লাগবে বলে বানভাসিরা জানিয়েছে। শিবচর : পদ্মার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালবাড়ী ও চরজানাজাত ইউনিয়নে ৮০টিরও বেশি ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের তীব্রতায় ক্ষতিগ্রস্তরা ঘরবাড়ি ও গবাদি পশু সরিয়ে নিতেও হিমশিম খাচ্ছে। ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, মসজিদসহ কয়েক হাজার পরিবার। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমসহ স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার। শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আহমেদ জানান, বন্যা ও নদীভাঙন কবলিতদের জন্য ত্রাণ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

ড্যাপ ও গৃহায়ণ বিধিমালা সংশোধিত হলে সস্তায় ফ্ল্যাট কিনতে পারবে মানুষ : শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল

ছড়িয়ে পড়ছে পানিবাহিত রোগ

আপডেট টাইম : ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুলাই ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ বন্যার পানিতে ডুবে সিরাজগঞ্জে শিশুসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বগুড়ায় যমুনার পানি কমতে শুরু করেছে। বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়েছে লালমনিরহাট ও গাইবান্ধায়। কিন্তু পানিবন্দি হয়ে থাকা কয়েক লাখ মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সঙ্কটের পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ। অন্যদিকে পদ্মার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মাদারীপুরের শিবচরের চরাঞ্চলের দুটি ইউনিয়ন নদীভাঙনের কবলে পড়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ। আমাদের আঞ্চলিক অফিস, প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো প্রতিবেদন : সিরাজগঞ্জ : জেলার চৌহালী ও উল্লাপাড়ায় বন্যার পানিতে ডুবে শিশু ও বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তারা হল চৌহালীর ঘোরজান ইউনিয়নের কাউছার আলীর ছেলে মুস্তাকিম (১১ মাস) এবং উল্লাপাড়ার ডেফলবাড়ী গ্রামের মৃত আখের আলীর স্ত্রী অবিরননেছা (৭০)। জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউস ইন্সপেক্টর দিয়ানাতুল ইসলাম জানান, গত রোববার বিকেলে অবিরননেছা বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ফুলজোড় নদীতে পাট ধোয়ার কাজ করতে যান। সন্ধ্যার পরও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে চেষ্টা করেও তাকে খুঁজে পায়নি। গতকাল ভোর ৫টার দিকে বড়হর ইউনিয়নের ফুলজোড় নদীতে তার লাশ ভেসে উঠলে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে। এদিকে চৌহালী উপজেলা স্বাস্থ্য সহকারী রিনা খাতুন জানান, গত রোববার বিকেলে চৌহালীর বালিয়াকান্দি চরের ১১ মাসের শিশু মুস্তাকিম বাড়ির পাশের বন্যার পানিতে হামাগুড়ি দিয়ে খেলতে খেলতে পড়ে যায়। পরে রাতে তার লাশ ভেসে উঠলে স্বজনরা উদ্ধার করে। বগুড়া : যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে এখনও তা বিপদসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে নদীভাঙন। এতে করে নদী পারের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকে জান নিয়ে বাঁধসহ বিভিন্ন উঁচু স্থানে আশ্রয় নিলেও তাদের বাড়িঘর টিকে রয়েছে কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে। সরকারি হিসাবে, বগুড়ার ৩ উপজেলার ৯৩টি গ্রাম বন্যাকবলিত হয়ে প্রায় ১৭ হাজার ২৪৫টি পরিবারের ৯০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে সাড়ে ৩ হাজার পরিবার। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সারিয়কান্দি উপজেলা। বন্যাকবলিত তিনটি উপজেলায় ৫ হাজার ৮৫ হাজার হেক্টর ফসলি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এছাড়া ৪০৫ টন খড় ও ৪৬০ টন ঘাস নষ্ট হয়েছে। বন্যায় তিনটি উপজেলায় ১ হাজার ২৪৫টি নলকূপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৮৪টি মেরামত করা হয়েছে এবং নতুন করে ৪০টি টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বাঁধে আশ্রিতদের জন্য ৯০টি ল্যান্টিন স্থাপন করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর পানি বিশুদ্ধকরণের জন্য ১৮শ’ বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করেছে। লালমনিরহাট : লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও তিস্তা-ধরলার ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এই নদী দুটির তীরবর্তী মানুষ প্রতিদিনই ছোটখাটো ভাঙনের শিকার হচ্ছে। ভাঙনের কবলে প্রতিদিন বিলীন হচ্ছে আবাদি জমিসহ একের পর এক বসতভিটা। তবে গত কয়েকদিনের তুলনায় ভাঙন অনেকটা কমেছে। গাইবান্ধা : জেলার ব্রক্ষপুত্র, ঘাঘট ও যমুনা নদীর পানি কমায় বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে। কিন্তু পানিবন্দি হয়ে থাকা আড়াই লাখ মানুষের দুর্ভোগ কমছে না। দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সঙ্কট দেখা দিয়েছে, পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগও। পাটসহ অন্যান্য ফসল নষ্ট হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে বাসিন্দারা। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত শুক্রবার থেকে পানি কমা শুরু হয়। এতে জেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের ডুবে থাকা ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও রাস্তাঘাট জেগে উঠতে শুরু করে। প্রায় ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পানি নেমে গেলেও তা ব্যবহার উপযোগী হতে অন্তত ৭ থেকে ১০ দিন লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভিটেমাটি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেওয়া লোকজনও নিজেদের বাড়িঘরে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু কাদামাটি ও ধসেপড়া ঘর মেরামত করতে আরও সময় লাগবে বলে বানভাসিরা জানিয়েছে। শিবচর : পদ্মার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালবাড়ী ও চরজানাজাত ইউনিয়নে ৮০টিরও বেশি ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের তীব্রতায় ক্ষতিগ্রস্তরা ঘরবাড়ি ও গবাদি পশু সরিয়ে নিতেও হিমশিম খাচ্ছে। ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, মসজিদসহ কয়েক হাজার পরিবার। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমসহ স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার। শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আহমেদ জানান, বন্যা ও নদীভাঙন কবলিতদের জন্য ত্রাণ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে।