ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

১৮৩ কোটি টাকা পাচার ফালুসহ ৩ জনকে অব্যাহতি

দুবাইয়ে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচারের মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী ফালুসহ তিনজনকে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছেন আদালত।আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ এসএম জিয়াউর রহমান তাদের অব্যাহতির আদেশ দেন।

অব্যাহতি পাওয়া অপর দুই আসামি হলেন-আরএকে সিরামিকস লিমিটেডের ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এ কে ইকরামুজ্জামান এবং স্টার সিরামিকস প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান।

আসামিদের পক্ষে আইনজীবী বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাসুদ আহমেদ তালুকদার অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। দুদকের পক্ষে মীর আহাম্মদ আলী সালাম আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের পক্ষে শুনানি করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের মতো পর্যাপ্ত উপদান না থাকায় তাদের অব্যাহতির আদেশ দেন।

আসামিদের মধ্যে ইকরামুজ্জামান ও আনোয়ারুজ্জামান জামিনে ছিলেন। মোসাদ্দেক আলী ফালু পলাতক ছিলেন। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল।সম্প্রতি তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। এদিন শুনানির সময় তারা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

২০১৯ সালের ১৩ মে উত্তরা পশ্চিম থানায় ফালু ও অন্য তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুবাইয়ে ১৮৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচারের অভিযোগে মানি লন্ডারিং আইনের আওতায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ফালু ও অন্য তিন ব্যবসায়ী আরএকে সিরামিকস ও রাখেন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির এমডি এস এ কে একরামুজ্জামান, স্টার সিরামিকস লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান এবং পরিচালক ম. আমির হোসাইন দুবাইতে ২০১০ সালে আল মদিনা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, ট্রাই স্টার লিমিটেড ও ডেভেলপমেন্ট ইইউই নামে তিনটি প্রতিষ্ঠান চালু করেন। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে তারা অবৈধভাবে দেশ থেকে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচার করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারি পরিচালক মো. গুলশান আনোয়ার প্রধান ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

১৮৩ কোটি টাকা পাচার ফালুসহ ৩ জনকে অব্যাহতি

আপডেট টাইম : ১২:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৪

দুবাইয়ে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচারের মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী ফালুসহ তিনজনকে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছেন আদালত।আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ এসএম জিয়াউর রহমান তাদের অব্যাহতির আদেশ দেন।

অব্যাহতি পাওয়া অপর দুই আসামি হলেন-আরএকে সিরামিকস লিমিটেডের ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এ কে ইকরামুজ্জামান এবং স্টার সিরামিকস প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান।

আসামিদের পক্ষে আইনজীবী বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাসুদ আহমেদ তালুকদার অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। দুদকের পক্ষে মীর আহাম্মদ আলী সালাম আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের পক্ষে শুনানি করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের মতো পর্যাপ্ত উপদান না থাকায় তাদের অব্যাহতির আদেশ দেন।

আসামিদের মধ্যে ইকরামুজ্জামান ও আনোয়ারুজ্জামান জামিনে ছিলেন। মোসাদ্দেক আলী ফালু পলাতক ছিলেন। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল।সম্প্রতি তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। এদিন শুনানির সময় তারা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

২০১৯ সালের ১৩ মে উত্তরা পশ্চিম থানায় ফালু ও অন্য তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুবাইয়ে ১৮৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচারের অভিযোগে মানি লন্ডারিং আইনের আওতায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ফালু ও অন্য তিন ব্যবসায়ী আরএকে সিরামিকস ও রাখেন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির এমডি এস এ কে একরামুজ্জামান, স্টার সিরামিকস লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান এবং পরিচালক ম. আমির হোসাইন দুবাইতে ২০১০ সালে আল মদিনা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, ট্রাই স্টার লিমিটেড ও ডেভেলপমেন্ট ইইউই নামে তিনটি প্রতিষ্ঠান চালু করেন। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে তারা অবৈধভাবে দেশ থেকে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচার করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারি পরিচালক মো. গুলশান আনোয়ার প্রধান ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।