ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থায়ীভাবে বদলে দিয়েছে বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

১৮৩ কোটি টাকা পাচার ফালুসহ ৩ জনকে অব্যাহতি

দুবাইয়ে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচারের মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী ফালুসহ তিনজনকে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছেন আদালত।আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ এসএম জিয়াউর রহমান তাদের অব্যাহতির আদেশ দেন।

অব্যাহতি পাওয়া অপর দুই আসামি হলেন-আরএকে সিরামিকস লিমিটেডের ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এ কে ইকরামুজ্জামান এবং স্টার সিরামিকস প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান।

আসামিদের পক্ষে আইনজীবী বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাসুদ আহমেদ তালুকদার অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। দুদকের পক্ষে মীর আহাম্মদ আলী সালাম আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের পক্ষে শুনানি করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের মতো পর্যাপ্ত উপদান না থাকায় তাদের অব্যাহতির আদেশ দেন।

আসামিদের মধ্যে ইকরামুজ্জামান ও আনোয়ারুজ্জামান জামিনে ছিলেন। মোসাদ্দেক আলী ফালু পলাতক ছিলেন। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল।সম্প্রতি তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। এদিন শুনানির সময় তারা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

২০১৯ সালের ১৩ মে উত্তরা পশ্চিম থানায় ফালু ও অন্য তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুবাইয়ে ১৮৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচারের অভিযোগে মানি লন্ডারিং আইনের আওতায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ফালু ও অন্য তিন ব্যবসায়ী আরএকে সিরামিকস ও রাখেন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির এমডি এস এ কে একরামুজ্জামান, স্টার সিরামিকস লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান এবং পরিচালক ম. আমির হোসাইন দুবাইতে ২০১০ সালে আল মদিনা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, ট্রাই স্টার লিমিটেড ও ডেভেলপমেন্ট ইইউই নামে তিনটি প্রতিষ্ঠান চালু করেন। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে তারা অবৈধভাবে দেশ থেকে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচার করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারি পরিচালক মো. গুলশান আনোয়ার প্রধান ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ

১৮৩ কোটি টাকা পাচার ফালুসহ ৩ জনকে অব্যাহতি

আপডেট টাইম : ১২:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৪

দুবাইয়ে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচারের মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী ফালুসহ তিনজনকে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছেন আদালত।আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ এসএম জিয়াউর রহমান তাদের অব্যাহতির আদেশ দেন।

অব্যাহতি পাওয়া অপর দুই আসামি হলেন-আরএকে সিরামিকস লিমিটেডের ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এ কে ইকরামুজ্জামান এবং স্টার সিরামিকস প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান।

আসামিদের পক্ষে আইনজীবী বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাসুদ আহমেদ তালুকদার অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। দুদকের পক্ষে মীর আহাম্মদ আলী সালাম আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের পক্ষে শুনানি করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের মতো পর্যাপ্ত উপদান না থাকায় তাদের অব্যাহতির আদেশ দেন।

আসামিদের মধ্যে ইকরামুজ্জামান ও আনোয়ারুজ্জামান জামিনে ছিলেন। মোসাদ্দেক আলী ফালু পলাতক ছিলেন। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল।সম্প্রতি তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। এদিন শুনানির সময় তারা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

২০১৯ সালের ১৩ মে উত্তরা পশ্চিম থানায় ফালু ও অন্য তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুবাইয়ে ১৮৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচারের অভিযোগে মানি লন্ডারিং আইনের আওতায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ফালু ও অন্য তিন ব্যবসায়ী আরএকে সিরামিকস ও রাখেন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির এমডি এস এ কে একরামুজ্জামান, স্টার সিরামিকস লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান এবং পরিচালক ম. আমির হোসাইন দুবাইতে ২০১০ সালে আল মদিনা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, ট্রাই স্টার লিমিটেড ও ডেভেলপমেন্ট ইইউই নামে তিনটি প্রতিষ্ঠান চালু করেন। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে তারা অবৈধভাবে দেশ থেকে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচার করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারি পরিচালক মো. গুলশান আনোয়ার প্রধান ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।