ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্যাস-তেল নেই, সরকারের দোষ—লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করে যা বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে সেমন্তী

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  শিল্পী সেমন্তী মঞ্জরীর কণ্ঠে ধারণ করা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের সংকলন ‘দেখো রে চিত্তকমলে’ বাজারে এনেছে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন। ২৯ জুলাই সন্ধ্যা ৭টায় ধানমন্ডির ছায়ানট মিলনায়তন এ অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়। মোড়ক উন্মোচন করেন সংগীতজ্ঞ, শিক্ষক ও গবেষক ড. সনজীদা খাতুন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী মিতা হক।

মোড়ক উন্মোচন পর্ব শেষে শিল্পী সেমন্তী মঞ্জরী পরিবেশন করেন পূজা পর্বের ‘জগতে আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ’ ও ‘আমি তারেই খুঁজে বেড়াই’; বিচিত্র অঙ্গের ‘তরী আমার হঠাৎ ডুবে যায়’; প্রেম পর্বের ‘বাহির পথে বিবাগী হিয়া’; প্রকৃতি পর্যায়ের বর্ষার গান ‘ওরে ঝড় নেমে আয়’, ‘ওই আসে ওই অতি ভৈরব হরষে’; প্রেম পর্যায়ের বর্ষা আবহের ‘সখী, আঁধারে একেলা ঘরে’, ‘এই শ্রাবণের বুকের ভিতর আগুন আছে’, ‘শ্যামল ছায়া নাইবা গেলে’ ও ‘যায় দিন, শ্রাবণদিন যায়’ গানগুলো।

শিল্পীর সঙ্গে যন্ত্রানুষঙ্গে ছিলেন তবলায় এনামুল হক ওমর, এস্রাজে অসিত বিশ্বাস ও কি-বোর্ডে রবীন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী।

শিল্পী সেমন্তী মঞ্জরীর বাবা সোহরাব উদ্দীন ও মা নাসিমা খান দুইজনই সংগীতশিল্পী। ৪ বছর বয়সে সংগীতের প্রথম শিক্ষা বাবার কাছে। বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী মিতা হক তারই পরিবারের সদস্য ও ছোটবেলা থেকে তার কাছে শেখার সুযোগ হয় সেমন্তীর। ছায়ানট সংগীত বিদ্যায়তনে রবীন্দ্রসংগীতের কোর্স শেষ করেন। ছায়ানটে শিক্ষার্থী অবস্থায় বিখ্যাত গুণিজনদের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ ঘটেছে তার। এর মধ্যে ওয়াহিদুল হক ও সন্জীদা খাতুন অন্যতম।

১৮ বছর বয়সে সেমন্তী জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন। বিভিন্ন মঞ্চ ও টেলিভিশনে গান পরিবেশনের সুযোগ পেয়েছেন। পাঁচ বছর ধরে ছায়ানটে শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত আছেন। ২০১৪ সালে ‘রাঙিয়ে দিয়ে যাও’ শিরোনামে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন থেকে তার প্রথম একক অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। বর্তমানে তিনি লন্ডনে কালচারাল স্টাডিজে মাস্টার্স করছেন।

অ্যালবামটিতে যন্ত্রানুষঙ্গ পরিচালনা করেছেন প্রত্যুষ বন্দ্যোপাধ্যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

গ্যাস-তেল নেই, সরকারের দোষ—লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না

রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে সেমন্তী

আপডেট টাইম : ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  শিল্পী সেমন্তী মঞ্জরীর কণ্ঠে ধারণ করা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের সংকলন ‘দেখো রে চিত্তকমলে’ বাজারে এনেছে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন। ২৯ জুলাই সন্ধ্যা ৭টায় ধানমন্ডির ছায়ানট মিলনায়তন এ অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়। মোড়ক উন্মোচন করেন সংগীতজ্ঞ, শিক্ষক ও গবেষক ড. সনজীদা খাতুন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী মিতা হক।

মোড়ক উন্মোচন পর্ব শেষে শিল্পী সেমন্তী মঞ্জরী পরিবেশন করেন পূজা পর্বের ‘জগতে আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ’ ও ‘আমি তারেই খুঁজে বেড়াই’; বিচিত্র অঙ্গের ‘তরী আমার হঠাৎ ডুবে যায়’; প্রেম পর্বের ‘বাহির পথে বিবাগী হিয়া’; প্রকৃতি পর্যায়ের বর্ষার গান ‘ওরে ঝড় নেমে আয়’, ‘ওই আসে ওই অতি ভৈরব হরষে’; প্রেম পর্যায়ের বর্ষা আবহের ‘সখী, আঁধারে একেলা ঘরে’, ‘এই শ্রাবণের বুকের ভিতর আগুন আছে’, ‘শ্যামল ছায়া নাইবা গেলে’ ও ‘যায় দিন, শ্রাবণদিন যায়’ গানগুলো।

শিল্পীর সঙ্গে যন্ত্রানুষঙ্গে ছিলেন তবলায় এনামুল হক ওমর, এস্রাজে অসিত বিশ্বাস ও কি-বোর্ডে রবীন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী।

শিল্পী সেমন্তী মঞ্জরীর বাবা সোহরাব উদ্দীন ও মা নাসিমা খান দুইজনই সংগীতশিল্পী। ৪ বছর বয়সে সংগীতের প্রথম শিক্ষা বাবার কাছে। বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী মিতা হক তারই পরিবারের সদস্য ও ছোটবেলা থেকে তার কাছে শেখার সুযোগ হয় সেমন্তীর। ছায়ানট সংগীত বিদ্যায়তনে রবীন্দ্রসংগীতের কোর্স শেষ করেন। ছায়ানটে শিক্ষার্থী অবস্থায় বিখ্যাত গুণিজনদের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ ঘটেছে তার। এর মধ্যে ওয়াহিদুল হক ও সন্জীদা খাতুন অন্যতম।

১৮ বছর বয়সে সেমন্তী জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন। বিভিন্ন মঞ্চ ও টেলিভিশনে গান পরিবেশনের সুযোগ পেয়েছেন। পাঁচ বছর ধরে ছায়ানটে শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত আছেন। ২০১৪ সালে ‘রাঙিয়ে দিয়ে যাও’ শিরোনামে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন থেকে তার প্রথম একক অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। বর্তমানে তিনি লন্ডনে কালচারাল স্টাডিজে মাস্টার্স করছেন।

অ্যালবামটিতে যন্ত্রানুষঙ্গ পরিচালনা করেছেন প্রত্যুষ বন্দ্যোপাধ্যায়।