ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

পানির দামে বিক্রি হচ্ছে চামড়া, ক্রেতার সংখ্যাও কম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌর শহরসহ উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে পানির দামে বিক্রি হচ্ছে চামড়া। চামড়া ক্রেতারও পর্যাপ্ত নেই। কিছু কিছু জায়গায় চামড়া ক্রেতার দেখাও মেলেনি। কোথাও কোথাও ক্রেতা এলেও ১৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে গরুর চামড়া।

খাসির চামড়ার কেউ কেনেনি।এদিকে চামড়ার দাম না পেয়ে হতাশ কোরবানিদাতারা। আশানুরূপ দাম না পেয়ে অনেকেই মাদরাসায় চামড়া দান করেছেন। আবার কেউ কেউ মাটিতে চামড়া পুঁতে দিয়েছেন।

রহমত নামের পৌর শহরের এক বাসিন্দা বলেন, ‘চামড়া কিনতে কেউ আসেনি। ভাবছি মাদরাসায় দিয়ে দেব।’

খড়মপুর মাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম খাদেম বলেন, ‘চামড়া ক্রেতারা হয়তো সিন্ডিকেট করে চামড়া ক্রয় করছে না। পরে ঠিকই কম দামে চামড়া কিনবে।

তিনি বলেন, ‘চামড়া বিক্রির টাকারটা গরিবদের হক। কিন্তু দুর্ভাগ্য কৌশলে গরিবদের এই হক নষ্ট করছে কিছু মানুষ।’

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জি এম রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার এ বছর চামড়ার ভালো দাম দিয়েছে। কেউ যদি ইচ্ছা করে চামড়ার দামে কারসাজি করে তথ্য-প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

পানির দামে বিক্রি হচ্ছে চামড়া, ক্রেতার সংখ্যাও কম

আপডেট টাইম : ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ জুন ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌর শহরসহ উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে পানির দামে বিক্রি হচ্ছে চামড়া। চামড়া ক্রেতারও পর্যাপ্ত নেই। কিছু কিছু জায়গায় চামড়া ক্রেতার দেখাও মেলেনি। কোথাও কোথাও ক্রেতা এলেও ১৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে গরুর চামড়া।

খাসির চামড়ার কেউ কেনেনি।এদিকে চামড়ার দাম না পেয়ে হতাশ কোরবানিদাতারা। আশানুরূপ দাম না পেয়ে অনেকেই মাদরাসায় চামড়া দান করেছেন। আবার কেউ কেউ মাটিতে চামড়া পুঁতে দিয়েছেন।

রহমত নামের পৌর শহরের এক বাসিন্দা বলেন, ‘চামড়া কিনতে কেউ আসেনি। ভাবছি মাদরাসায় দিয়ে দেব।’

খড়মপুর মাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম খাদেম বলেন, ‘চামড়া ক্রেতারা হয়তো সিন্ডিকেট করে চামড়া ক্রয় করছে না। পরে ঠিকই কম দামে চামড়া কিনবে।

তিনি বলেন, ‘চামড়া বিক্রির টাকারটা গরিবদের হক। কিন্তু দুর্ভাগ্য কৌশলে গরিবদের এই হক নষ্ট করছে কিছু মানুষ।’

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জি এম রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার এ বছর চামড়ার ভালো দাম দিয়েছে। কেউ যদি ইচ্ছা করে চামড়ার দামে কারসাজি করে তথ্য-প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’