ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন দেখছে বগুড়া প্রশাসনের নাকের ডগায় ভুয়া জার্মান ক্লাব বিদেশি ক্লাবের সাইনবোর্ডে রমরমা মাদক ব্যবসা ঢাকা উত্তরে দুই, দক্ষিণে চার নেতা আলোচনায় বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী নয় বছর পর খুলল ওসমানী উদ্যান পদত্যাগের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘সেরা পরামর্শ’ দিয়েছিলেন: ইশরাক ‘ডিআইজির বাড়ি’ বলে অভয় দেওয়া হয় আমন্ত্রিতদের ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুটি নতুন কূপ ম্যাজিস্ট্রেসি ছেড়ে রাজনীতিতে, সালাহউদ্দিনের একাল-সেকাল সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী সাইবার সুরক্ষাসহ গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

বৃষ্টি হলেই কেন ইলিশ-খিচুড়ি খাওয়া হয়

বাঙালী কন্ঠ নিউজঃ বৃষ্টি নামলেই মনটা উদাস হয়। সঙ্গে এটাও মনে হয় ইশ্, এখন যদি ইলিশ-খিচুড়ি খাওয়া যেত! কত খাবারই তো আছে তার মধ্যে বৃষ্টি দেখলে ইলিশ-খিচুড়ি খাওয়ার সাধ জাগে কেন মনে? এই প্রশ্নটা কখনো মাথায় খেলা করেছে কি?

বৃষ্টির দিনে এই ইলিশ-খিচুড়ি খাওয়ার পেছনেও আছে মজার মজার বেশ কিছু তথ্য। এমনটাই জানালেন রন্ধনবিশারদেরা। যেমন বর্ষার মৌসুমে পদ্মার ইলিশটা ভালো পাওয়া যায়। এ কারণেই বর্ষার সঙ্গে ইলিশের সম্পর্ক জড়িয়ে আছে ওতপ্রোতভাবে—বলছিলেন রন্ধনশিল্পী নাহিদ ওসমান।

এদিকে খিচুড়ি ছিল মূলত বাউলদের খাবার। পথে-ঘাটে গান করে বেড়াতেন বাউলেরা। সে সময় বাড়ি বাড়ি গান শোনাতে গেলে লোকজন তাঁদের চাল-ডাল দিত। সেগুলো একসঙ্গে মিশিয়ে বাউলেরা রান্না করে খেতেন। পরবর্তী সময়ে যেটার নাম হয়ে গেল খিচুড়ি। এ ছাড়া বর্ষার বৃষ্টিতে চারিদিক পানিতে ভরে যেত। যে কারণে এ সময় ঘর থেকে বের হয়ে বাজার করাও বেশ কষ্টের কাজ হয়ে দাঁড়াত। তখন ঘরে থাকা চাল-ডালেই গৃহিণীরা রান্না করতেন খিচুড়ি।
রন্ধনশিল্পী সিতারা ফেরদৌস বললেন, ‘পল্লিগ্রামে আগে কাঠ দিয়ে রান্নার কাজ হতো। বর্ষা এলেই বাড়ির উঠোন ভরে যেত পানিতে। কাঠ ভিজে গেলে রান্না করতে অনেক সময় লাগত। যে কারণে তাড়াতাড়ি রান্নার জন্য গৃহিণীরা চাল ও ডাল একসঙ্গে মিশিয়ে রান্না করতেন। একসময় শহুরে কায়দায় বর্ষা যাপনে প্রিয় খাবারের তালিকায় উঠে এসেছে ইলিশ-খিচুড়ি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন দেখছে বগুড়া

বৃষ্টি হলেই কেন ইলিশ-খিচুড়ি খাওয়া হয়

আপডেট টাইম : ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অগাস্ট ২০১৭

বাঙালী কন্ঠ নিউজঃ বৃষ্টি নামলেই মনটা উদাস হয়। সঙ্গে এটাও মনে হয় ইশ্, এখন যদি ইলিশ-খিচুড়ি খাওয়া যেত! কত খাবারই তো আছে তার মধ্যে বৃষ্টি দেখলে ইলিশ-খিচুড়ি খাওয়ার সাধ জাগে কেন মনে? এই প্রশ্নটা কখনো মাথায় খেলা করেছে কি?

বৃষ্টির দিনে এই ইলিশ-খিচুড়ি খাওয়ার পেছনেও আছে মজার মজার বেশ কিছু তথ্য। এমনটাই জানালেন রন্ধনবিশারদেরা। যেমন বর্ষার মৌসুমে পদ্মার ইলিশটা ভালো পাওয়া যায়। এ কারণেই বর্ষার সঙ্গে ইলিশের সম্পর্ক জড়িয়ে আছে ওতপ্রোতভাবে—বলছিলেন রন্ধনশিল্পী নাহিদ ওসমান।

এদিকে খিচুড়ি ছিল মূলত বাউলদের খাবার। পথে-ঘাটে গান করে বেড়াতেন বাউলেরা। সে সময় বাড়ি বাড়ি গান শোনাতে গেলে লোকজন তাঁদের চাল-ডাল দিত। সেগুলো একসঙ্গে মিশিয়ে বাউলেরা রান্না করে খেতেন। পরবর্তী সময়ে যেটার নাম হয়ে গেল খিচুড়ি। এ ছাড়া বর্ষার বৃষ্টিতে চারিদিক পানিতে ভরে যেত। যে কারণে এ সময় ঘর থেকে বের হয়ে বাজার করাও বেশ কষ্টের কাজ হয়ে দাঁড়াত। তখন ঘরে থাকা চাল-ডালেই গৃহিণীরা রান্না করতেন খিচুড়ি।
রন্ধনশিল্পী সিতারা ফেরদৌস বললেন, ‘পল্লিগ্রামে আগে কাঠ দিয়ে রান্নার কাজ হতো। বর্ষা এলেই বাড়ির উঠোন ভরে যেত পানিতে। কাঠ ভিজে গেলে রান্না করতে অনেক সময় লাগত। যে কারণে তাড়াতাড়ি রান্নার জন্য গৃহিণীরা চাল ও ডাল একসঙ্গে মিশিয়ে রান্না করতেন। একসময় শহুরে কায়দায় বর্ষা যাপনে প্রিয় খাবারের তালিকায় উঠে এসেছে ইলিশ-খিচুড়ি।’