ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজার মামলা জট, ঝুলে আছে হাজারো নিয়োগ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান

১ ডিসেম্বর থেকে কমপ্লিট শাটডাউনের ঘোষণা শিক্ষকদের

দশম গ্রেড থেকে নবম গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবি পূরণ না হলে আগামী সোমবার (১ ডিসেম্বর) থেকে কমপ্লিট শাটডাউনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষকরা। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকালে শিক্ষা ভবনের সামনে বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ব্যানারে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন তারা।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, অনেক নিচের গ্রেডের পদও নবম গ্রেডে উন্নীতকরণ করা হয়েছে। কিন্তু ন্যায্যতা থাকা সত্ত্বেও শুধু দশম গ্রেডের সহকারী শিক্ষক পদটির কোনো নড়াচড়া নেই।

তারা আরো বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার হয়ে এসেছি। এর আগেও বেশ কয়েকবার এ জন্য আন্দোলন করেছি। তবে এবার দাবি আদায় করেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরবেন বলেও জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।

এর আগে সকাল থেকেই দশম গ্রেড থেকে নবম গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবিতে শিক্ষা ভবনের সামনে জড়ো হতে থাকেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।

এ সময় দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন স্লোগানে তারা মুখর হয়ে ওঠেন।এদিকে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) থেকে তিন দফা দাবিতে সারা দেশে ফের লাগাতার কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্লাস-পরীক্ষা নেওয়া থেকে বিরত থাকবেন প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষক।

এর মধ্যে দাবি না মানলে আসন্ন বার্ষিক পরীক্ষা বর্জনসহ ১১ ডিসেম্বর থেকে লাগাতার অনশনে যাওয়ার ঘোষণাও রয়েছে শিক্ষক সংগঠনগুলোর।

প্রাথমিকের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সেই সঙ্গে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ কোটির বেশি শিক্ষার্থীর বার্ষিক পরীক্ষা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ল।

প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের সমন্বয়ক খায়রুন নাহার লিপি গণমাধ্যমকে বলেন, সরকার তার দেওয়া সময়ের মধ্যে আমাদের দাবি মেনে নেয়নি। বাধ্য হয়ে লাগাতার কর্মবিরতি যেতে হলো। আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই লাগাতার কর্মসূচি চলবে।

আশা করি, সরকার দ্রুত শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবিগুলো বিবেচনা করে অচলাবস্থা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা

১ ডিসেম্বর থেকে কমপ্লিট শাটডাউনের ঘোষণা শিক্ষকদের

আপডেট টাইম : ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
দশম গ্রেড থেকে নবম গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবি পূরণ না হলে আগামী সোমবার (১ ডিসেম্বর) থেকে কমপ্লিট শাটডাউনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষকরা। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকালে শিক্ষা ভবনের সামনে বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ব্যানারে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন তারা।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, অনেক নিচের গ্রেডের পদও নবম গ্রেডে উন্নীতকরণ করা হয়েছে। কিন্তু ন্যায্যতা থাকা সত্ত্বেও শুধু দশম গ্রেডের সহকারী শিক্ষক পদটির কোনো নড়াচড়া নেই।

তারা আরো বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার হয়ে এসেছি। এর আগেও বেশ কয়েকবার এ জন্য আন্দোলন করেছি। তবে এবার দাবি আদায় করেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরবেন বলেও জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।

এর আগে সকাল থেকেই দশম গ্রেড থেকে নবম গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবিতে শিক্ষা ভবনের সামনে জড়ো হতে থাকেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।

এ সময় দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন স্লোগানে তারা মুখর হয়ে ওঠেন।এদিকে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) থেকে তিন দফা দাবিতে সারা দেশে ফের লাগাতার কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্লাস-পরীক্ষা নেওয়া থেকে বিরত থাকবেন প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষক।

এর মধ্যে দাবি না মানলে আসন্ন বার্ষিক পরীক্ষা বর্জনসহ ১১ ডিসেম্বর থেকে লাগাতার অনশনে যাওয়ার ঘোষণাও রয়েছে শিক্ষক সংগঠনগুলোর।

প্রাথমিকের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সেই সঙ্গে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ কোটির বেশি শিক্ষার্থীর বার্ষিক পরীক্ষা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ল।

প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের সমন্বয়ক খায়রুন নাহার লিপি গণমাধ্যমকে বলেন, সরকার তার দেওয়া সময়ের মধ্যে আমাদের দাবি মেনে নেয়নি। বাধ্য হয়ে লাগাতার কর্মবিরতি যেতে হলো। আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই লাগাতার কর্মসূচি চলবে।

আশা করি, সরকার দ্রুত শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবিগুলো বিবেচনা করে অচলাবস্থা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।