ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সরকার সব সময় রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাওরে ডাকাতদের ‘শেষ ওয়ার্নিং’ দিলেন এমপি ফজলুর রহমান অধ্যাপক পাভেলকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী রেশন সুবিধা পাচ্ছেন ১২-২০ গ্রেডের চাকরিজীবীরা মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদান অবিস্মরণীয়: স্পিকার প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি মনিটরিং করছেন: মাহদী আমিন নিজের অধিকার আদায়ে জনগণকেই এগিয়ে আসতে হবে : ড. মঈন খান গাজার যুদ্ধ পরবর্তী পরিকল্পনা মাঠপর্যায়ে চ্যালেঞ্জের মুখে

৪ দিন আগে চাকরি পান গৃহকর্মী, হত্যার দিন দুই ঘণ্টা ফ্ল্যাটে

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের নিজ বাসায় মা ও মেয়েকে ছুরি মেরে হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন এক নারী ওই বাসায় চারদিন আগে অস্থায়ী গৃহকর্মী হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন।

আনুমানিক ২০ বছর বয়সী ওই নারী স্বাভাবিকভাবে সোমবার সকালে কাজে এসেছিলেন বোরখা পরিহিত অবস্থায়, আর প্রায় দুই ঘণ্টা পর বেরিয়ে যান স্কুলড্রেস পরে কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে।

মাঝের সময়টিতেই ওই বাসায় খুন হন মা-মেয়ে, পরে খবর পেয়ে শাহজাহান রোডে রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের বিপরীত পাশের আবাসিক ভবনের সপ্তম তলার ওই বাসা থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত লায়লা আফরোজের বয়স ৪৮ বছর। আর তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজের বয়স ১৫ বছর। নাফিসা মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী, আর মা লায়লা আফরোজ ছিলেন গৃহিনী।

লাশ দুটির সুরতহালের পর ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুজনের শরীরেরই একাধিক স্থানে এলোমেলো ছুরিকাঘাতের চিহ্ন থাকার কথা বলেছে পুলিশ।

ঘটনাস্থলে মোহাম্মদপুর থানার এক কর্মকর্তা চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘হত্যার ঘটনার সময়রেখার সবচেয়ে সেনসিটিভ অংশ ওই দুই ঘণ্টা। কে ভেতরে প্রবেশ করেছে, কে বের হয়েছে—সবই যাচাই করা হচ্ছে। গৃহকর্মী বাদে কেউ বাড়ির পেছন দিয়ে প্রবেশ করেছিলো কিনা, কিংবা ঘটনার সময় বাড়ির সামনে কারো উপস্থিতি রহস্যজনক কিনা আমরা সব তদন্ত করে দেখছি। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

নিহত মেয়ে নাফিসার বাবা এ জেড আজিজুল ইসলাম পেশায় উত্তরার সানবিমস স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। স্ত্রী ও একমাত্র কন্যাকে নিয়ে ওই বাসায় প্রায় ১৩ বছর ধরে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোরে।

প্রতিদিনের মতো সোমবার সকাল সাতটার দিকে স্কুলের উদ্দেশে বাসা থেকে বেরিয়ে যান আজিজুল। স্কুলে পরীক্ষা চলমান থাকায় বাসায় ফিরেন তাড়াতাড়ি। বেলা ১১ টার দিকে ফিরে বাসার এসে তিনিই প্রথম স্ত্রী-কন্যার লাশ দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশেপাশের বাসিন্দারা বেরিয়ে আসেন, খবর দেওয়া হয় পুলিশে।

গৃহকর্তা আজিজুল বাসায় এসে প্রথমে দরজায় কড়া নেড়ে কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে, দেখতে পান দরজা খোলা। প্রথমে তিনি প্রবেশ করে ড্রইং রুমে মেয়ে নাফিসার রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন এবং পাশের রুমে একটু দূরে স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ দেখতে পান।

বেঁচে থাকতে পারে ধারণা করে অন্যান্য প্রতিবেশিদের সহায়তায় মেয়েকে হাসপাতালে পাঠিয়েছিলেন আজিজুল, সেখানে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আর পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে লায়লা আফরোজের লাশ উদ্ধার করে।

সপ্তম তলার এই ফ্ল্যাটটি আজিজুল ইসলামের

সরেজমিনে ওই বাসাটিতে গিয়ে দেখা যায়, লিফটের সামনে থেকে বাসার দরজা পর্যন্ত ছোপ ছোপ রক্তের দাগ। দরজা খুলতেই বাসায় আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখা গেছে।

বাসার ভেতরের অবস্থার বিষয়ে পুলিশ বলছে, বাসায় ধস্তাধস্তির আলামত রয়েছে, মেঝেতে এবং দেয়ালে রক্তের দাগ রয়েছে। আলমারি ও ভ্যানিটি ব্যাগ তছনছ অবস্থায় রয়েছে। এ থেকে তাদের ধারণা, বাসা থেকে কিছু খোয়া যেতে পারে।

ভবনের একাধিক সিসিটিভি ভিডিও বিশ্লেষণ করে পুলিশ বলছে, সকাল ৭ টা ৫১ মিনিটে বোরখা পরিহিত অবস্থায় ওই বাসায় প্রবেশ করেন মাত্র চারদিন আগে কাজে যোগ দেওয়া আয়েশা। আর ৯ টা ৩৬ মিনিটে স্কুলড্রেস পরে নির্বিঘ্নে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। ওই স্কুলড্রেসটি ছিল খুন হওয়া নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাফিসার।

ওই বাসা থেকে পুলিশ দুটি ধারালো ছুরি উদ্ধার করেছে। হত্যাকারী ঘটনার পর বাসার বাথরুমে ফ্রেশ হয়েছেন, এমন আলামত পাওয়ার কথাও বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

এখন পর্যন্ত খুনের ঘটনায় সন্দেহভাজন ওই গৃহকর্মীরই জড়িত থাকার বিষয়টি ধারণা করে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার ইবনে মিজান বলেছেন, ঘটনার আগে-পরে ওই বাসায় একজনের আসা যাওয়াই দেখা গেছে।

“সিসি ক্যামেরা ফুটেজে আমরা একজনই দেখেছি, পরে দেখব আশেপাশে আরও কেউ ছিল কি না। পরে জানতে পারব তার সাথে আশেপাশে কেউ ছিল কি না।”

আজিজুল ইসলাম বলেন, “আমাদের একজন কাজের মহিলার দরকার ছিলো। সাধারণত গেটে অনেকেই কাজের সন্ধানে আসেন। আমরা দারোয়ানকে এমন কেউ আসলে জানানোর কথা বলে রেখেছিলাম।

চার দিন আগে একটি মেয়ে কাজের সন্ধানে আসে। বোরকা পরিহিত অবস্থায় ওই মেয়েটি আসলে দারোয়ান তাকে আমাদের বাসায় পাঠিয়ে দেয়৷ এরপর আমার স্ত্রী মেয়েটির সঙ্গে কথা বলে কাজে রেখে দেয়। পরে আমি স্ত্রীর মুখে শুনেছি, মেয়েটার নাম আয়েশা।”

আয়েশা তাদেরকে জানিয়েছে তাদের গ্রামের বাড়ি রংপুরে, জেনেভা ক্যাম্পে চাচা-চাচির সঙ্গে থাকে। বাবা মা আগুনে পুড়ে মারা গেছে, তার শরীরেও আগুনে পোড়ার ক্ষত রয়েছে বলে জানিয়েছে। স্থায়ী গৃহকর্মী না হওয়ায় তার কোন কাজপত্র রাখা হয়নি।

আজিজুল আরো বলছিলেন, কাজ শুরুর পর প্রথম দুইদিন সময় মতোই এসেছে, গতকাল এসেছিল সাড়ে ৯টার দিকে।

সোমবার সকাল ৭ টার পর যখন ওই বাসায় যাওয়ার জন্য আসে, স্বাভাবিকভাবেই বাসার নিরাপত্তাকর্মী খালেক তাকে ভেতরে যেতে দেন।

 

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী

৪ দিন আগে চাকরি পান গৃহকর্মী, হত্যার দিন দুই ঘণ্টা ফ্ল্যাটে

আপডেট টাইম : ০৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের নিজ বাসায় মা ও মেয়েকে ছুরি মেরে হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন এক নারী ওই বাসায় চারদিন আগে অস্থায়ী গৃহকর্মী হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন।

আনুমানিক ২০ বছর বয়সী ওই নারী স্বাভাবিকভাবে সোমবার সকালে কাজে এসেছিলেন বোরখা পরিহিত অবস্থায়, আর প্রায় দুই ঘণ্টা পর বেরিয়ে যান স্কুলড্রেস পরে কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে।

মাঝের সময়টিতেই ওই বাসায় খুন হন মা-মেয়ে, পরে খবর পেয়ে শাহজাহান রোডে রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের বিপরীত পাশের আবাসিক ভবনের সপ্তম তলার ওই বাসা থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত লায়লা আফরোজের বয়স ৪৮ বছর। আর তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজের বয়স ১৫ বছর। নাফিসা মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী, আর মা লায়লা আফরোজ ছিলেন গৃহিনী।

লাশ দুটির সুরতহালের পর ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুজনের শরীরেরই একাধিক স্থানে এলোমেলো ছুরিকাঘাতের চিহ্ন থাকার কথা বলেছে পুলিশ।

ঘটনাস্থলে মোহাম্মদপুর থানার এক কর্মকর্তা চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘হত্যার ঘটনার সময়রেখার সবচেয়ে সেনসিটিভ অংশ ওই দুই ঘণ্টা। কে ভেতরে প্রবেশ করেছে, কে বের হয়েছে—সবই যাচাই করা হচ্ছে। গৃহকর্মী বাদে কেউ বাড়ির পেছন দিয়ে প্রবেশ করেছিলো কিনা, কিংবা ঘটনার সময় বাড়ির সামনে কারো উপস্থিতি রহস্যজনক কিনা আমরা সব তদন্ত করে দেখছি। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

নিহত মেয়ে নাফিসার বাবা এ জেড আজিজুল ইসলাম পেশায় উত্তরার সানবিমস স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। স্ত্রী ও একমাত্র কন্যাকে নিয়ে ওই বাসায় প্রায় ১৩ বছর ধরে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোরে।

প্রতিদিনের মতো সোমবার সকাল সাতটার দিকে স্কুলের উদ্দেশে বাসা থেকে বেরিয়ে যান আজিজুল। স্কুলে পরীক্ষা চলমান থাকায় বাসায় ফিরেন তাড়াতাড়ি। বেলা ১১ টার দিকে ফিরে বাসার এসে তিনিই প্রথম স্ত্রী-কন্যার লাশ দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশেপাশের বাসিন্দারা বেরিয়ে আসেন, খবর দেওয়া হয় পুলিশে।

গৃহকর্তা আজিজুল বাসায় এসে প্রথমে দরজায় কড়া নেড়ে কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে, দেখতে পান দরজা খোলা। প্রথমে তিনি প্রবেশ করে ড্রইং রুমে মেয়ে নাফিসার রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন এবং পাশের রুমে একটু দূরে স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ দেখতে পান।

বেঁচে থাকতে পারে ধারণা করে অন্যান্য প্রতিবেশিদের সহায়তায় মেয়েকে হাসপাতালে পাঠিয়েছিলেন আজিজুল, সেখানে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আর পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে লায়লা আফরোজের লাশ উদ্ধার করে।

সপ্তম তলার এই ফ্ল্যাটটি আজিজুল ইসলামের

সরেজমিনে ওই বাসাটিতে গিয়ে দেখা যায়, লিফটের সামনে থেকে বাসার দরজা পর্যন্ত ছোপ ছোপ রক্তের দাগ। দরজা খুলতেই বাসায় আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখা গেছে।

বাসার ভেতরের অবস্থার বিষয়ে পুলিশ বলছে, বাসায় ধস্তাধস্তির আলামত রয়েছে, মেঝেতে এবং দেয়ালে রক্তের দাগ রয়েছে। আলমারি ও ভ্যানিটি ব্যাগ তছনছ অবস্থায় রয়েছে। এ থেকে তাদের ধারণা, বাসা থেকে কিছু খোয়া যেতে পারে।

ভবনের একাধিক সিসিটিভি ভিডিও বিশ্লেষণ করে পুলিশ বলছে, সকাল ৭ টা ৫১ মিনিটে বোরখা পরিহিত অবস্থায় ওই বাসায় প্রবেশ করেন মাত্র চারদিন আগে কাজে যোগ দেওয়া আয়েশা। আর ৯ টা ৩৬ মিনিটে স্কুলড্রেস পরে নির্বিঘ্নে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। ওই স্কুলড্রেসটি ছিল খুন হওয়া নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাফিসার।

ওই বাসা থেকে পুলিশ দুটি ধারালো ছুরি উদ্ধার করেছে। হত্যাকারী ঘটনার পর বাসার বাথরুমে ফ্রেশ হয়েছেন, এমন আলামত পাওয়ার কথাও বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

এখন পর্যন্ত খুনের ঘটনায় সন্দেহভাজন ওই গৃহকর্মীরই জড়িত থাকার বিষয়টি ধারণা করে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার ইবনে মিজান বলেছেন, ঘটনার আগে-পরে ওই বাসায় একজনের আসা যাওয়াই দেখা গেছে।

“সিসি ক্যামেরা ফুটেজে আমরা একজনই দেখেছি, পরে দেখব আশেপাশে আরও কেউ ছিল কি না। পরে জানতে পারব তার সাথে আশেপাশে কেউ ছিল কি না।”

আজিজুল ইসলাম বলেন, “আমাদের একজন কাজের মহিলার দরকার ছিলো। সাধারণত গেটে অনেকেই কাজের সন্ধানে আসেন। আমরা দারোয়ানকে এমন কেউ আসলে জানানোর কথা বলে রেখেছিলাম।

চার দিন আগে একটি মেয়ে কাজের সন্ধানে আসে। বোরকা পরিহিত অবস্থায় ওই মেয়েটি আসলে দারোয়ান তাকে আমাদের বাসায় পাঠিয়ে দেয়৷ এরপর আমার স্ত্রী মেয়েটির সঙ্গে কথা বলে কাজে রেখে দেয়। পরে আমি স্ত্রীর মুখে শুনেছি, মেয়েটার নাম আয়েশা।”

আয়েশা তাদেরকে জানিয়েছে তাদের গ্রামের বাড়ি রংপুরে, জেনেভা ক্যাম্পে চাচা-চাচির সঙ্গে থাকে। বাবা মা আগুনে পুড়ে মারা গেছে, তার শরীরেও আগুনে পোড়ার ক্ষত রয়েছে বলে জানিয়েছে। স্থায়ী গৃহকর্মী না হওয়ায় তার কোন কাজপত্র রাখা হয়নি।

আজিজুল আরো বলছিলেন, কাজ শুরুর পর প্রথম দুইদিন সময় মতোই এসেছে, গতকাল এসেছিল সাড়ে ৯টার দিকে।

সোমবার সকাল ৭ টার পর যখন ওই বাসায় যাওয়ার জন্য আসে, স্বাভাবিকভাবেই বাসার নিরাপত্তাকর্মী খালেক তাকে ভেতরে যেতে দেন।