ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

খালেদা জিয়াকে শিগগিরই দেশের বাইরে নেওয়ার পরিকল্পনা নেই মেডিকেল বোর্ডের: চিকিৎসক

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। নতুন করে অবস্থার অবনতি হচ্ছে না—এ মুহূর্তে এটিকেই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন চিকিৎসকেরা। উন্নত চিকিৎসায় কবে নাগাদ তাঁকে লন্ডনে নেওয়া হতে পারে, তা বলতে পারছেন না তাঁরা। কারণ, এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি নির্ভর করছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার উন্নতির ওপর।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) উন্নতি হচ্ছে কিছুটা। তবে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে বলা যাবে না। বয়সজনিত কারণটা অনেক বড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ বয়সে সব চিকিৎসা একসঙ্গে করতে গেলেও উচ্চ ঝুঁকি থেকে যায়।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার নতুন করে শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে না। এটাই চিকিৎসকদের কাছে ইতিবাচক দিক। উন্নত চিকিৎসায় উনাকে শিগগিরই দেশের বাইরে নেওয়ার পরিকল্পনা নেই মেডিকেল বোর্ডের।’

এভারকেয়ার হাসপাতালে ‘পৃথিবীর সেরা চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে’ বলেও এ সময় মন্তব্য করেন এই চিকিৎসক।

দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসের পাশাপাশি কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হৃদ্‌যন্ত্র, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন ৮০ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে গত ২৩ নভেম্বর তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে ২৭ নভেম্বর তাঁকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়।

এর মধ্যে কাতারের সহযোগিতায় খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হলেও তাঁর শারীরিক অবস্থা বিদেশযাত্রার জন্য উপযোগী না হওয়ায় তা স্থগিত করা হয়।

হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি দুই ডজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড প্রতিদিন বৈঠক করে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় অগ্রগতি আনার চেষ্টা করছেন।

এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পাশে সার্বক্ষণিক আছেন তাঁর পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান ও সৈয়দা শামিলা রহমান, গৃহপরিচারিকা ফাতেমা এবং স্টাফ রূপা আক্তার। পাশে আছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার, তাঁর স্ত্রী কানিজ ফাতেমা। তাঁদের সঙ্গে মাঝেমধ্যে কথা বলার চেষ্টা করছেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

খালেদা জিয়াকে শিগগিরই দেশের বাইরে নেওয়ার পরিকল্পনা নেই মেডিকেল বোর্ডের: চিকিৎসক

আপডেট টাইম : ০৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। নতুন করে অবস্থার অবনতি হচ্ছে না—এ মুহূর্তে এটিকেই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন চিকিৎসকেরা। উন্নত চিকিৎসায় কবে নাগাদ তাঁকে লন্ডনে নেওয়া হতে পারে, তা বলতে পারছেন না তাঁরা। কারণ, এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি নির্ভর করছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার উন্নতির ওপর।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) উন্নতি হচ্ছে কিছুটা। তবে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে বলা যাবে না। বয়সজনিত কারণটা অনেক বড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ বয়সে সব চিকিৎসা একসঙ্গে করতে গেলেও উচ্চ ঝুঁকি থেকে যায়।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার নতুন করে শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে না। এটাই চিকিৎসকদের কাছে ইতিবাচক দিক। উন্নত চিকিৎসায় উনাকে শিগগিরই দেশের বাইরে নেওয়ার পরিকল্পনা নেই মেডিকেল বোর্ডের।’

এভারকেয়ার হাসপাতালে ‘পৃথিবীর সেরা চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে’ বলেও এ সময় মন্তব্য করেন এই চিকিৎসক।

দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসের পাশাপাশি কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হৃদ্‌যন্ত্র, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন ৮০ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে গত ২৩ নভেম্বর তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে ২৭ নভেম্বর তাঁকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়।

এর মধ্যে কাতারের সহযোগিতায় খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হলেও তাঁর শারীরিক অবস্থা বিদেশযাত্রার জন্য উপযোগী না হওয়ায় তা স্থগিত করা হয়।

হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি দুই ডজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড প্রতিদিন বৈঠক করে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় অগ্রগতি আনার চেষ্টা করছেন।

এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পাশে সার্বক্ষণিক আছেন তাঁর পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান ও সৈয়দা শামিলা রহমান, গৃহপরিচারিকা ফাতেমা এবং স্টাফ রূপা আক্তার। পাশে আছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার, তাঁর স্ত্রী কানিজ ফাতেমা। তাঁদের সঙ্গে মাঝেমধ্যে কথা বলার চেষ্টা করছেন তিনি।