সারাদেশের মতো রাজধানী শীতের তীব্রতা বেড়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর ঢাকায় তাপমাত্রা কমতে থাকে এবং হালকা বাতাসের সঙ্গে আর্দ্রতা মিলিত হলে শরীরে কনকনে ঠান্ডা লাগে। আর দেশের উত্তরাঞ্চলের অনেক জেলায় দিনভর কোথাও সূর্যের দেখা মিলছে না। কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকে দিনের পুরো সময়। ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মতন কুয়াশা পড়েছে। কনকনে শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে জনজীবন। কুয়াশার সঙ্গে হিমেল বাতাস দুর্ভোগের মাত্রা আরও তীব্র করেছে। শিশু আর বয়স্কদের নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা বাড়ছে। জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। এই অবস্থায় নিম্ন আয়ের মানুষজনকে ঘর থেকে বের হতে পারছে না। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষদের পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি। কুয়াশায় সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন। তাই জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষ খুব একটা বের হচ্ছেন না।
অন্যদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহরের ফুটপাতসহ মার্কেটগুলোতে গরম কাপড়ের দোকানে ভিড় বেড়েছে। সব শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রয়োজন অনুযায়ী গরম পোশাক কিনছেন।
বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ দিন দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। একইসঙ্গে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমে শীতের অনুভূতি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে দিনে সারা দেশে আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে এবং তাপমাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।
আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বাড়তি অংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে এবং এর বাড়তি অংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
নদীবন্দর সমূহের জন্য সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা ২০০ মিটার বা কোথাও কোথাও এর চেয়ে কম হতে পারে। এসব এলাকার নৌঁযানসমূহকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে, তবে কোনো সতর্কসংকেত দেখানো হয়নি। সমুদ্রবন্দর সমূহে কোন সতর্ক সংকেত নেই।
আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে, ৩০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল চুয়ডাঙায় ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। এ দিন রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে সারা দেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
পঞ্চগড়ে শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন, তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি
পঞ্চগড়ে টানা ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ক্রমেই নিম্নমুখী হওয়ায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ ও যানবাহন চালকরা। বুধবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১১ থেকে ১২ কিলোমিটার। এর আগের দিন মঙ্গলবার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত সড়ক, মাঠ ও ঘাট ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকায় দৃষ্টিসীমা কমে যায়। সন্ধ্যা নামার আগেই রাতের আবহ, আর রাত ১০টা না হতেই বৃষ্টির মতো ঝিরিঝিরি ঝরতে শুরু করে কুয়াশা। চারপাশ ঢেকে যাচ্ছে ধূসর আবরণে, কমে যাচ্ছে দৃশ্যমানতা। ফলে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।
টানা কুয়াশা ও কনকনে শীতের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সকালে অনেকেই কাজে যেতে পারছেন না। শীত থেকে বাঁচতে বিভিন্ন এলাকায় মানুষকে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে। সন্ধ্যা থেকে বৃষ্টির মতো ঝরছে শিশির, যা শীতের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে তুলছে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র তীরবর্তী দইখাওয়ার চর, রাউলিয়া, কালির আলগা, গোয়ালপুরী, উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের চরগুজিমারি- দাগারকুটি, চিলমারীর কড়াই বরিশাল ও মনতলার চর, শাখাহাতির চর, রৌমারীর শৌলমারি ইউনিয়নের ঘুঘুমারি ও সুখের বাতি, রাজিবপুর উপজেলার বড়বের ভেলামারি এবং রাজারহাটের তিস্তা তীরবর্তী চর বিদ্যানন্দ, ধরলা নদীর তীরবর্তী গোরক মন্ডল, ধনী রাম ও জগমোহনের চরসহ নানা দুর্গম চরে শীতের তীব্রতা জনজীবনকে কার্যত অচল করে তুলেছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ১১ থেকে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত তেঁতুলিয়ায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। মাঝখানে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও পরবর্তী দিনগুলোতে আবার কমছে। ডিসেম্বরের শেষদিকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ।
এদিকে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৯ উপজেলায় ৫৪ লাখ টাকার কম্বল কিনে বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
ঠাকুরগাঁওয়ে বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা
উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে যেন শীত তার পূর্ণ রূপে হাজির হয়েছে। টানা চার/পাঁচদিন ধরে ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে কাঁপছে জনজীবন। সন্ধ্যা নামার আগেই রাতের আবহ, আর রাত ১০টা না হতেই বৃষ্টির মতো ঝিরিঝিরি ঝরতে শুরু করে কুয়াশা। চারপাশ ঢেকে যাচ্ছে ধূসর আবরণে, কমে যাচ্ছে দৃশ্যমানতা।
ঘনকুয়াশার কারণে সকাল গড়িয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি, ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। দুপুরের দিকে সাময়িকভাবে সূর্যের দেখা মিললেও শীতের দাপট তেমন কমে না। হিমেল হাওয়ায় সারাদিনই শীত অনুভূত হচ্ছে।
আবহাওয়া অফিস অনুযায়ী ও কৃষি অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বুধবার ভোরে ঠাকুরগাঁওয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩ থেকে ২৫ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে।
এই শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, ভ্যানচালক ও খোলা আকাশের নিচে বসবাসকারীদের। শীত থেকে বাঁচতে শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে বেড়েছে মানুষের ভিড়, বিক্রি বেড়েছে সোয়েটার, জ্যাকেট ও কম্বলের। ঘন কুয়াশার প্রভাব পড়েছে সড়ক ও মহাসড়কেও।
কম দৃশ্যমানতার কারণে যান চলাচল হচ্ছে ধীরগতিতে। দুর্ঘটনা এড়াতে চালকরা হেডলাইট জ্বালিয়ে ও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করে চলাচল করছে। এ অবস্থায় শীতার্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনসহ সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন সচেতন মহল।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. আলমগীর কবীর জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী বুধবার ভোরে ঠাকুরগাঁও জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ২৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।
যমুনা পাড়ের জেলা সিরাজগঞ্জে তিন ধরে সূর্যের দেখা মেলেনি, এতে জেলার তাপমাত্রার পারদ নেমেছে মৌসুমের সর্বনিম্নে। স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। বুধবার সকাল ৯টার দিকে জেলায় সর্বনিম্ন ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা জেলায় চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জের তাড়াশ আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাতাসের গতিবেগ বাড়ার কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। এই বৈরী আবহাওয়া আরও কয়েকদিন থাকতে পারে, তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। এ কারণে চরাঞ্চলের এলাকাগুলোতে দিনভর কুয়াশায় ঢাকা থাকবে।
এদিকে কনকনে শীতের তীব্রতায় কাঁপছে জেলার মানুষ। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষজন ঘর থেকে বের হচ্ছে না। দিনের বেলায় সড়ক-মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন।
তীব্র ঠান্ডায় বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষক ও নিম্ন আয়ের মানুষ। একদিকে ঘন কুয়াশার কারণে কৃষকরা মাঠে যেতে পারছেন না অন্যদিকে নিম্ন আয়ের মানুষগুলো বাইরে বের হতে না পারায় সংসার খরচ নিয়ে চিন্তিত তারা।
সদর উপজেলার খোকসাবাড়ি গ্রামের কৃষক আব্দুল জব্বার বলেন, ঘন কুয়াশা থাকায় ব্যাপক ঠান্ডা পড়েছে। অনেক বছর পর এতো শীত পড়েছে। এই শীতে জমির পানিতে নেমে কাজ করতে ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। শীতে হাত-পা বরফের মতো হয়ে যাচ্ছে। তবুও কিছু করার নেই, কাজ না করলে তো চলবে না।
শহরে রিকশা চালাতে আসা জুলমাত হোসেন আলী বলেন, তীব্র শীতে মানুষজন কম বের হয়েছে, কাজ করা যাচ্ছে না। তবুও কাজে বের হয়েছি। আয়-রোজগার না করলে তো সংসার চলবে না। এনজিওর কিস্তি দেব কীভাবে?
সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মওলা বলেন, তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে কৃষি ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রচণ্ড শীতে কৃষকরা মাঠে কাজ করতে না পারায় কৃষিকাজও ব্যাহত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এ পরিস্থিতিতে ফসল সুরক্ষায় কৃষকদের আগাম সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় করণীয় সম্পর্কে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
বগুড়ায় কনকনে শীতে জবুথবু জনজীবন
বগুড়ায় হঠাৎ উত্তরের হিমেল বাতাস আর কনকনে শীতে জবুথবু জনজীবন। দুই দিন ধরে ঘন কুয়াশায় সূর্যের দেখা মিলছে না। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বগুড়ায় এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয়েছে। এদিন সকাল ৯টায় জেলায় ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। এটাই এই চলতি মৌসুমের এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। মঙ্গলবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি।
এছাড়া দিনভর কোথাও সূর্যের দেখা মেলেনি। কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিল দিনের পুরো সময়। ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মতন কুয়াশা পড়েছে।
জানা যায়, উত্তরের হিমেল বাতাসে বগুড়ায় কনকনে শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সকাল থেকে কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিল দিনের পুরোটা সময়। কনকনে শীতে জবুথবু হলেও নিম্ন আয়ের মানুষজনকে ঘর থেকে বের হতে হচ্ছে। তবে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষ খুব একটা বের হচ্ছেন না। কুয়াশার সঙ্গে হিমেল বাতাস দুর্ভোগের মাত্রা আরও তীব্র করেছে। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষদের পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি। কুয়াশায় সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন।
অন্যদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহরের ফুটপাতসহ মার্কেটগুলোতে গরম কাপড়ের দোকানে ভিড় বেড়েছে। সব শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রয়োজন অনুযায়ী গরম পোশাক কিনছেন।
বগুড়া আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক শাহিদুজ্জামান সরকার জানান, উত্তরের হিমেল বাতাসে শীত বেড়েছে। বগুড়ায় এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার সকাল ৯টায় জেলায় ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা এই মৌসুমের এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 
























