ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

অক্সিজেনের অভাবে ৪৮ ঘণ্টায় ৬০ শিশুর মৃত্যু

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ভারতের উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র গোরক্ষপুরের বিআরডি হাসপাতালে গত ৪৮ ঘণ্টায় ৬০ শিশু মারা গিয়েছে। ওই হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলেই এ ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, তিনটি ওয়ার্ড মিলিয়ে মৃতদের মধ্যে ৩০টি শিশু এনসেফ্যালাইটিসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। ওই হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহকারী বেসরকারি সংস্থাটির দাবি, ৭০ লক্ষ টাকার মধ্যে সিলিন্ডার কিনে মাত্র ৩৫ হাজার টাকা মিটিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বাকি টাকার জন্য বারবার তাগাদা দেওয়া হলেও টাকা মেটাচ্ছিল না হাসপাতাল। এ নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চিঠিও দেয় ওই সংস্থা। তাদের দাবি, চিঠিতে তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, ওই বকেয়া টাকা না মেটালে তাদের তরফে অক্সিজেন সরবরাহ করে যাওয়া সম্ভব নয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ওই টাকা না মেটালে সরবরাহ বন্ধ করতে তারা বাধ্য হবেন বলেও হাসপাতালকে জানানো হয়েছিল। এই বিতর্কের মাঝে অক্সিজেনের অভাবে শিশু মৃত্যুর অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থনাথ সিংহ। পরবর্তীতে রাজ্য সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অক্সিজেনের অভাবে নয়অন্য কারণে মৃত্যু হয়েছে শিশুগুলোর। জেলা প্রশাসক রাজীব রাউতেলা সাংবাদিক সম্মেলনে করে জানান, “বুধবার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে ২৩টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে আরও ৭টি শিশুর।” তিনি আরো বলেন, “টাকা বাকি থাকায় সরবরাহকারী সংস্থা অক্সিজেন বন্ধ করে দেয় বলে ওই হাসপাতালই আমাদের জানায়।” তবে অক্সিজেনের অভাবে শিশুমৃত্যু হয়নি বলেই দাবি হাসপাতালের। চিকিৎসকেরা জানান, তখনকার মতো অন্য জেলা থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার এনে পরিস্থিতি সামলানো হয়েছে। গোরক্ষপুরের ওই হাসপাতালে গিয়ে অক্সিজেনের অভাবে শিশুমৃত্যুর তথ্য অস্বীকার করেছেন রাজ্যের মেডিক্যাল শিক্ষা দফতরের ডিজি কে কে গুপ্তও। তিনি বলেন, “বিআইডি হাসপাতালের নিজস্ব অক্সিজেন ব্যবস্থা রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে অক্সিজেনের অভাবই শিশুমৃত্যুর এক মাত্র কারণ নয়।” উত্তর প্রদেশ সরকার এই ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। সূত্র: আনন্দবাজার

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

অক্সিজেনের অভাবে ৪৮ ঘণ্টায় ৬০ শিশুর মৃত্যু

আপডেট টাইম : ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ অগাস্ট ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ভারতের উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র গোরক্ষপুরের বিআরডি হাসপাতালে গত ৪৮ ঘণ্টায় ৬০ শিশু মারা গিয়েছে। ওই হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলেই এ ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, তিনটি ওয়ার্ড মিলিয়ে মৃতদের মধ্যে ৩০টি শিশু এনসেফ্যালাইটিসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। ওই হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহকারী বেসরকারি সংস্থাটির দাবি, ৭০ লক্ষ টাকার মধ্যে সিলিন্ডার কিনে মাত্র ৩৫ হাজার টাকা মিটিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বাকি টাকার জন্য বারবার তাগাদা দেওয়া হলেও টাকা মেটাচ্ছিল না হাসপাতাল। এ নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চিঠিও দেয় ওই সংস্থা। তাদের দাবি, চিঠিতে তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, ওই বকেয়া টাকা না মেটালে তাদের তরফে অক্সিজেন সরবরাহ করে যাওয়া সম্ভব নয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ওই টাকা না মেটালে সরবরাহ বন্ধ করতে তারা বাধ্য হবেন বলেও হাসপাতালকে জানানো হয়েছিল। এই বিতর্কের মাঝে অক্সিজেনের অভাবে শিশু মৃত্যুর অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থনাথ সিংহ। পরবর্তীতে রাজ্য সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অক্সিজেনের অভাবে নয়অন্য কারণে মৃত্যু হয়েছে শিশুগুলোর। জেলা প্রশাসক রাজীব রাউতেলা সাংবাদিক সম্মেলনে করে জানান, “বুধবার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে ২৩টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে আরও ৭টি শিশুর।” তিনি আরো বলেন, “টাকা বাকি থাকায় সরবরাহকারী সংস্থা অক্সিজেন বন্ধ করে দেয় বলে ওই হাসপাতালই আমাদের জানায়।” তবে অক্সিজেনের অভাবে শিশুমৃত্যু হয়নি বলেই দাবি হাসপাতালের। চিকিৎসকেরা জানান, তখনকার মতো অন্য জেলা থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার এনে পরিস্থিতি সামলানো হয়েছে। গোরক্ষপুরের ওই হাসপাতালে গিয়ে অক্সিজেনের অভাবে শিশুমৃত্যুর তথ্য অস্বীকার করেছেন রাজ্যের মেডিক্যাল শিক্ষা দফতরের ডিজি কে কে গুপ্তও। তিনি বলেন, “বিআইডি হাসপাতালের নিজস্ব অক্সিজেন ব্যবস্থা রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে অক্সিজেনের অভাবই শিশুমৃত্যুর এক মাত্র কারণ নয়।” উত্তর প্রদেশ সরকার এই ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। সূত্র: আনন্দবাজার