ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

নির্বাচনের সময় মোটরসাইকেল ও ট্রাক-পিকআপ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। রবিবার এক তথ্যবিবরণীতে একথা জানানো হয়েছে।

তবে শর্তসাপেক্ষে কিছু যানবাহনের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন; জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন; ওষুধ, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন।

সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন এবং মোটরসাইকেলও নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে।

নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল এবং টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে বিটিআরসি ও এর লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহনও নিষেধাজ্ঞামুক্ত থাকবে।

এছাড়া আত্মীয়-স্বজনকে আনতে বা পৌঁছে দিতে বিমানবন্দরে যাতায়াতকারী যানবাহন (টিকিট বা সংশ্লিষ্ট প্রমাণ প্রদর্শন সাপেক্ষে); দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহনকারী যানবাহন; প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য একটি এবং নির্বাচনি এজেন্টের জন্য একটি করে ছোট আকৃতির যানবাহন (রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে) নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর, আন্তঃজেলা ও মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং সংযোগ সড়কে নিষেধাজ্ঞা শিথিল বা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

এছাড়া উল্লিখিত যানবাহন ব্যতীত অন্যান্য যানবাহনের ওপরও বর্ণিত সময়সূচি অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিলের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

নির্বাচনের সময় মোটরসাইকেল ও ট্রাক-পিকআপ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট টাইম : ০৫:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। রবিবার এক তথ্যবিবরণীতে একথা জানানো হয়েছে।

তবে শর্তসাপেক্ষে কিছু যানবাহনের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন; জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন; ওষুধ, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন।

সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন এবং মোটরসাইকেলও নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে।

নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল এবং টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে বিটিআরসি ও এর লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহনও নিষেধাজ্ঞামুক্ত থাকবে।

এছাড়া আত্মীয়-স্বজনকে আনতে বা পৌঁছে দিতে বিমানবন্দরে যাতায়াতকারী যানবাহন (টিকিট বা সংশ্লিষ্ট প্রমাণ প্রদর্শন সাপেক্ষে); দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহনকারী যানবাহন; প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য একটি এবং নির্বাচনি এজেন্টের জন্য একটি করে ছোট আকৃতির যানবাহন (রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে) নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর, আন্তঃজেলা ও মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং সংযোগ সড়কে নিষেধাজ্ঞা শিথিল বা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

এছাড়া উল্লিখিত যানবাহন ব্যতীত অন্যান্য যানবাহনের ওপরও বর্ণিত সময়সূচি অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিলের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।