ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

রোজায় ৬৫০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রি করবে সরকার

রমজান মাসজুড়ে ন্যায্যমূল্যে মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা, প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংস প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, প্রতি লিটার দুধ ৮০ টাকা এবং প্রতিটি ডিম আট টাকা দরে পাওয়া যাবে।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

গত বছরের তুলনায় এবার বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে সভায় জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

সারাদেশে ৪৮টি স্থানে এ কার্যক্রম চলবে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান বলেন, রোজাদারদের ভোগান্তি কমানোর জন্য সরকার প্রতি বছরের মতো এবারও ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে সরবরাহকারীদের সঙ্গে আলোচনা শেষ হয়েছে। তারা গত বছরের তুলনায় এবার বেশি স্থানে পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

রোজায় ৬৫০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রি করবে সরকার

আপডেট টাইম : ০৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রমজান মাসজুড়ে ন্যায্যমূল্যে মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা, প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংস প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, প্রতি লিটার দুধ ৮০ টাকা এবং প্রতিটি ডিম আট টাকা দরে পাওয়া যাবে।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

গত বছরের তুলনায় এবার বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে সভায় জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

সারাদেশে ৪৮টি স্থানে এ কার্যক্রম চলবে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান বলেন, রোজাদারদের ভোগান্তি কমানোর জন্য সরকার প্রতি বছরের মতো এবারও ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে সরবরাহকারীদের সঙ্গে আলোচনা শেষ হয়েছে। তারা গত বছরের তুলনায় এবার বেশি স্থানে পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করবে।