ঢাকা , শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাতুলের জাদুকরী গোলে ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ নাজনীন হাসান খান নির্মাণ করলেন ‘ভালোবাসার মায়া’ ৪ দিনের জাপান সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণকে স্বাগত জানালেন ব্রিটিশ সংসদ সদস্যরা রেলওয়ের মহাপরিচালক • রেলবহরে যুক্ত হচ্ছে ২০০ নতুন কোচ, চালু হবে নতুন ট্রেন ইভি ‘পিংক’ বাসের জন্য নারী চালকদের ভারী যানবাহন চালনার প্রশিক্ষণ দেবে বিআরটিসি জয়ের পর ফুল নিয়ে জামায়াত প্রার্থীর বাসায় মির্জা ফয়সল, খাওয়ালেন মিষ্টি নাবলুসে হজরত ইউসুফের (আ.) সমাধিতে ইসরায়েলি সেনাদের অভিযান দীপের বক্তব্যে ‘গরমিল’, তাহসিফের মৃত্যু ঘিরে বাড়ছে রহস্য ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে শিকারে জেলেরা বাড়বে ১৫ হাজার কোটি টাকার ইলিশ

বাজেটে বাড়ছে হিজড়াদের বিশেষ ভাতা

নতুন বাজেটে বাড়ছে হিজড়াদের ভাতা। তাদের সমাজে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।  এরই মধ্যে তাদের তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে স্বীকৃতিও দিয়েছে সরকার।  এবার বাড়ানো হচ্ছে তাদের বিশেষ ভাতা।

হিজড়াদের জীবন মান উন্নয়নে বিশেষ ভাতা ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে দেয়া বাজেট বক্তৃতায় এ প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

অর্থমন্ত্রী সামাজিক সুরক্ষার আওতায় হিডড়াদের পাশাপাশি বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে ৩১ লাখ ৫০ হাজার করার প্রস্তাব করেন।

সেইসঙ্গে ভাতার হার ১০০ টাকা


বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব করেন তিনি।  বিধবা স্বামী নিগৃহীতা, দুস্থ মহিলা ভাতার হার ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০, অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর ভাতা ৪০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব করেন তিনি।

সামাজিক সুরক্ষার আওতায় বিধবা স্বামী নিগৃহীতা, দুস্থ মহিলা ভাতাভোগীর সংখ্যা বাড়িয়ে ১১ লাখ ৫০ হাজারে উন্নীত করা; ভিজিডি কর্মসূচিতে দুস্থ মহিলার সংখ্যা ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখে উন্নীত করা; মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগীর সংখ্যা ৯০ শতাংশ বাড়িয়ে ৫ লাখে উন্নীত করা; সব পৌরসভায় কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের মাধ্যমে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার ৩০০ মাকে ভাতার আওতায় আনা; অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৭ লাখ ৫০ হাজারে উন্নীত করারও প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্টের তহবিলে আরো ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ, চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে বরাদ্দ ১০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ১৫ কোটি টাকা; ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি বরাদ্দ ২০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৩০ কোটি টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

রাতুলের জাদুকরী গোলে ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

বাজেটে বাড়ছে হিজড়াদের বিশেষ ভাতা

আপডেট টাইম : ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুন ২০১৬

নতুন বাজেটে বাড়ছে হিজড়াদের ভাতা। তাদের সমাজে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।  এরই মধ্যে তাদের তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে স্বীকৃতিও দিয়েছে সরকার।  এবার বাড়ানো হচ্ছে তাদের বিশেষ ভাতা।

হিজড়াদের জীবন মান উন্নয়নে বিশেষ ভাতা ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে দেয়া বাজেট বক্তৃতায় এ প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

অর্থমন্ত্রী সামাজিক সুরক্ষার আওতায় হিডড়াদের পাশাপাশি বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে ৩১ লাখ ৫০ হাজার করার প্রস্তাব করেন।

সেইসঙ্গে ভাতার হার ১০০ টাকা


বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব করেন তিনি।  বিধবা স্বামী নিগৃহীতা, দুস্থ মহিলা ভাতার হার ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০, অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর ভাতা ৪০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব করেন তিনি।

সামাজিক সুরক্ষার আওতায় বিধবা স্বামী নিগৃহীতা, দুস্থ মহিলা ভাতাভোগীর সংখ্যা বাড়িয়ে ১১ লাখ ৫০ হাজারে উন্নীত করা; ভিজিডি কর্মসূচিতে দুস্থ মহিলার সংখ্যা ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখে উন্নীত করা; মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগীর সংখ্যা ৯০ শতাংশ বাড়িয়ে ৫ লাখে উন্নীত করা; সব পৌরসভায় কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের মাধ্যমে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার ৩০০ মাকে ভাতার আওতায় আনা; অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৭ লাখ ৫০ হাজারে উন্নীত করারও প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্টের তহবিলে আরো ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ, চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে বরাদ্দ ১০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ১৫ কোটি টাকা; ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি বরাদ্দ ২০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৩০ কোটি টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করেন তিনি।