ঢাকা , শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় বেসরকারি খাতে ৬৮ হাজারের বেশি প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী নিয়োগ ভিসা নীতিমালার খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন রাঙামাটির সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ঘোষণা, বাস্তবায়নে কতটা আশার আলো চাকরিজীবীদের জন্য দুই দফায় মিলবে যে ছুটি প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাত না কাটানোর পরামর্শ অলির সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ৩ বাহিনীর জন্য বড় পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  তিনি বলেন, বৃহত্তর বগুড়াতে মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন) কারখানা স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। উন্নত ও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক নজরদারী প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে সামারিক বাহিনীর উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ প্রক্রিয়ায় কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপির প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদে সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আগামী ১০ বছরে ৮৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনী আরও প্রযুক্তিনির্ভর, বহুমাত্রিক, আত্মনির্ভর ও যুদ্ধোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হবে।  জাতীয় প্রতিরক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। নৌবাহিনীর জন্য আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ এবং সাবমেরিন সংযোজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সামরিক শিল্পাঞ্চল (ডিআইজি) স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে। জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বৈদেশিক নির্ভরতা হ্রাস এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অধিকতর উন্নত সামরিক প্রযুক্তি, ড্রোন প্রযুক্তি, সেন্সর ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক্স এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেছেন, বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নের কার্যক্রমও চলছে। নেত্রকোনা-৫ আসনের জামায়াতে ইসলামীন সংসদ সদস্য (এমপি) মাছুম মোস্তফার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন অগ্রাধিকার পাচ্ছে। তিন বছর এবং সাত বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। কৃষি থেকে শিল্পে রুপান্তর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিবর্তন এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা

গুগল ট্রেন্ডসে কোন বিভাগে কোন দল এগিয়ে

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে গত ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে।

নির্বাচনের আগে মাঠের সঙ্গে সঙ্গে অনলাইনেও জোর তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কোনো দেশের মানুষ ইন্টারনেটে কোন বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি খোঁজ করছেন তা নির্ধারণে ব্যবহৃত হয় গুগল ট্রেন্ডস। এখানে কোনো শব্দ বা বিষয় যত বেশি সার্চ করা হয়, সেটি তত উপরের দিকে অবস্থান করে।

এই সূচকে গত ২২ জানুয়ারি প্রচারণা শুরুর পর থেকে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো মধ্যে দেশের কোন বিভাগে কোন দল এগিয়ে তা বিশ্লেষণ করেছে সংবাদ মাধ্যম ।

গুগল ট্রেন্ডসের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবগুলো বিভাগেই অন্যান্য রাজনৈতিক দলের তুলনায় সার্চে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এরপর যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে আছে এনসিপি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

ঢাকা: গুগল ট্রেন্ডসে ঢাকা বিভাগের আওতাভুক্ত আগের জেলাগুলো ধরে সাত বিভাগের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সেই হিসাবে ঢাকা বিভাগে (ঢাকা–ময়মনসিংহ) গুগল সার্চে বিএনপি ৫০ শতাংশ, জামায়াতে ইসলামী ৪০ শতাংশ, এনসিপি ৮ শতাংশ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২ শতাংশ।

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম বিভাগে গুগল সার্চের হিসাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এগিয়ে রয়েছে ৫০ শতাংশ নিয়ে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৪২ শতাংশ। এ ছাড়া এনসিপি ৬ শতাংশ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২ শতাংশ।

বরিশাল: এই বিভাগে গুগল সার্চের হিসাবে বিএনপি এগিয়ে রয়েছে ৫১ শতাংশ নিয়ে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা জামায়াতে ইসলামী ৪০ শতাংশ। এ ছাড়া এনসিপি ৫ শতাংশ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৪ শতাংশ।

রাজশাহী: রাজশাহী বিভাগে ৫০ শতাংশ মানুষ গুগলে বিএনপিকে খুঁজেছে। জামায়াতে ইসলামীকে ৪০ শতাংশ। এ ছাড়া এনসিপিকে ৬ শতাংশ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১ শতাংশ।খুলনা: এ বিভাগেও ৫০ শতাংশ ব্যবহারকারী বিএনপিকে সার্চ করেছে। জামায়াতকে ৪৩ শতাংশ। এনসিপি ৫ শতাংশ এবং ইসলামী আন্দোলন ২ শতাংশ।

রংপুর: এই বিভাগটিতে গুগল সার্চে বিএনপি অন্যান্য বিভাগের তুলনায় পিছিয়ে। রংপুর বিভাগে ৪৭ শতাংশ ব্যবহারকারী বিএনপি লিখে সার্চ করেছে। জামায়াত ৪৩ শতাংশ, এনসিপি ৮ এবং ইসলামী আন্দোলন ২ শতাংশ।

সিলেট: সিলেট বিভাগে বিএনপির অন্যান্য বিভাগের তুলনায় এগিয়ে। এ বিভাগে ৫২ শতাংশ গুগল সার্চে রয়েছে দলটি। জামায়াত ৪০ শতাংশ, এনসিপি ৭ এবং ইসলামী আন্দোলন ১ শতাংশ।

এছাড়া নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পরবর্তী এক সপ্তাহের তুলনায় গত সাত দিনে গুগল ট্রেন্ডসে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও এনসিপির ইন্টারেস্ট রেট কমেছে। ইসলামী আন্দোলনের ইন্টারেস্ট রেট ৫ শতাংশ থেকে কমে ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এনসিপির ইন্টারেস্ট রেটও ১৪ শতাংশ থেকে কমে ১৩ শতাংশে নেমেছে।

অন্যদিকে বিএনপি ও জামায়াতের ইন্টারেস্ট রেট বেড়েছে। জামায়াতের ইন্টারেস্ট রেট ৫৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬৮ শতাংশে পৌঁছেছে। আর বিএনপির ইন্টারেস্ট রেট ৮৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৮৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

গত সাত দিনে গুগল সার্চে এ চার দলের মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ইসলামী আন্দোলন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ইসলামি আন্দোলন, islami andolan, islami andolon, islami andolan bangladesh, islami andolon bangladesh, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, হাতপাখাসহ বিভিন্ন কিওয়ার্ড ব্যবহার করে দলটি সম্পর্কে সার্চ করা হয়েছে। এই সময়ে গুগল ট্রেন্ডসে দলটির প্রতি গড় আগ্রহ (অ্যাভারেজ ইন্টারেস্ট) ছিল ৪ শতাংশ।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ncp, এনসিপি, bnp, ncp bangladesh, এন সি পি, ncp party, ncp full form-সহ বিভিন্ন কিওয়ার্ডে দলটি সম্পর্কে খোঁজ করা হয়েছে। গুগল ট্রেন্ডসে দলটির অ্যাভারেজ ইন্টারেস্ট ছিল ১৩ শতাংশ।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গুগলে জামাত, জামায়াতের, জামায়াত, jamaat, জামায়াতে ইসলামী, jamaat islami, jamaat e islami,-এ ধরনের কিওয়ার্ড ব্যবহার করে দলটি নিয়ে সার্চ করেছেন ব্যবহারকারীরা। এই সময়ে গুগল ট্রেন্ডসে জামায়াতে ইসলামীর অ্যাভারেজ ইন্টারেস্ট ছিল ৬৮ শতাংশ।

সবচেয়ে বেশি সার্চ হওয়া রাজনৈতিক দল হিসেবে গুগল ট্রেন্ডসে শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। বিএনপি, bnp, বিএনপির, বি এন পি, bnp bangladesh, নির্বাচন, বিএনপি জোটসহ নানা কিওয়ার্ড ব্যবহার করে দলটি নিয়ে গুগলে অনুসন্ধান করা হয়েছে। আলোচ্য সময়ে গুগল সার্চে বিএনপির অ্যাভারেজ ইন্টারেস্ট ছিল ৮৭ শতাংশ।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ফলোয়ার সংখ্যার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। দলটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে রয়েছে ৪ দশমিক ৭৩ মিলিয়ন ফলোয়ার। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ফলোয়ার সংখ্যা ৩ মিলিয়ন।

ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) ফেসবুক পেজে রয়েছে ১ দশমিক ৪ মিলিয়ন ফলোয়ার এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অফিসিয়াল পেজে রয়েছে ১ দশমিক ৬ মিলিয়ন ফলোয়ার। এছাড়া গণ অধিকার পরিষদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ফলোয়ার সংখ্যা ৯৯ হাজার ৮০০।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

মালয়েশিয়ায় বেসরকারি খাতে ৬৮ হাজারের বেশি প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী নিয়োগ

গুগল ট্রেন্ডসে কোন বিভাগে কোন দল এগিয়ে

আপডেট টাইম : ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে গত ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে।

নির্বাচনের আগে মাঠের সঙ্গে সঙ্গে অনলাইনেও জোর তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কোনো দেশের মানুষ ইন্টারনেটে কোন বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি খোঁজ করছেন তা নির্ধারণে ব্যবহৃত হয় গুগল ট্রেন্ডস। এখানে কোনো শব্দ বা বিষয় যত বেশি সার্চ করা হয়, সেটি তত উপরের দিকে অবস্থান করে।

এই সূচকে গত ২২ জানুয়ারি প্রচারণা শুরুর পর থেকে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো মধ্যে দেশের কোন বিভাগে কোন দল এগিয়ে তা বিশ্লেষণ করেছে সংবাদ মাধ্যম ।

গুগল ট্রেন্ডসের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবগুলো বিভাগেই অন্যান্য রাজনৈতিক দলের তুলনায় সার্চে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এরপর যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে আছে এনসিপি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

ঢাকা: গুগল ট্রেন্ডসে ঢাকা বিভাগের আওতাভুক্ত আগের জেলাগুলো ধরে সাত বিভাগের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সেই হিসাবে ঢাকা বিভাগে (ঢাকা–ময়মনসিংহ) গুগল সার্চে বিএনপি ৫০ শতাংশ, জামায়াতে ইসলামী ৪০ শতাংশ, এনসিপি ৮ শতাংশ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২ শতাংশ।

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম বিভাগে গুগল সার্চের হিসাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এগিয়ে রয়েছে ৫০ শতাংশ নিয়ে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৪২ শতাংশ। এ ছাড়া এনসিপি ৬ শতাংশ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২ শতাংশ।

বরিশাল: এই বিভাগে গুগল সার্চের হিসাবে বিএনপি এগিয়ে রয়েছে ৫১ শতাংশ নিয়ে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা জামায়াতে ইসলামী ৪০ শতাংশ। এ ছাড়া এনসিপি ৫ শতাংশ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৪ শতাংশ।

রাজশাহী: রাজশাহী বিভাগে ৫০ শতাংশ মানুষ গুগলে বিএনপিকে খুঁজেছে। জামায়াতে ইসলামীকে ৪০ শতাংশ। এ ছাড়া এনসিপিকে ৬ শতাংশ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১ শতাংশ।খুলনা: এ বিভাগেও ৫০ শতাংশ ব্যবহারকারী বিএনপিকে সার্চ করেছে। জামায়াতকে ৪৩ শতাংশ। এনসিপি ৫ শতাংশ এবং ইসলামী আন্দোলন ২ শতাংশ।

রংপুর: এই বিভাগটিতে গুগল সার্চে বিএনপি অন্যান্য বিভাগের তুলনায় পিছিয়ে। রংপুর বিভাগে ৪৭ শতাংশ ব্যবহারকারী বিএনপি লিখে সার্চ করেছে। জামায়াত ৪৩ শতাংশ, এনসিপি ৮ এবং ইসলামী আন্দোলন ২ শতাংশ।

সিলেট: সিলেট বিভাগে বিএনপির অন্যান্য বিভাগের তুলনায় এগিয়ে। এ বিভাগে ৫২ শতাংশ গুগল সার্চে রয়েছে দলটি। জামায়াত ৪০ শতাংশ, এনসিপি ৭ এবং ইসলামী আন্দোলন ১ শতাংশ।

এছাড়া নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পরবর্তী এক সপ্তাহের তুলনায় গত সাত দিনে গুগল ট্রেন্ডসে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও এনসিপির ইন্টারেস্ট রেট কমেছে। ইসলামী আন্দোলনের ইন্টারেস্ট রেট ৫ শতাংশ থেকে কমে ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এনসিপির ইন্টারেস্ট রেটও ১৪ শতাংশ থেকে কমে ১৩ শতাংশে নেমেছে।

অন্যদিকে বিএনপি ও জামায়াতের ইন্টারেস্ট রেট বেড়েছে। জামায়াতের ইন্টারেস্ট রেট ৫৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬৮ শতাংশে পৌঁছেছে। আর বিএনপির ইন্টারেস্ট রেট ৮৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৮৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

গত সাত দিনে গুগল সার্চে এ চার দলের মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ইসলামী আন্দোলন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ইসলামি আন্দোলন, islami andolan, islami andolon, islami andolan bangladesh, islami andolon bangladesh, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, হাতপাখাসহ বিভিন্ন কিওয়ার্ড ব্যবহার করে দলটি সম্পর্কে সার্চ করা হয়েছে। এই সময়ে গুগল ট্রেন্ডসে দলটির প্রতি গড় আগ্রহ (অ্যাভারেজ ইন্টারেস্ট) ছিল ৪ শতাংশ।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ncp, এনসিপি, bnp, ncp bangladesh, এন সি পি, ncp party, ncp full form-সহ বিভিন্ন কিওয়ার্ডে দলটি সম্পর্কে খোঁজ করা হয়েছে। গুগল ট্রেন্ডসে দলটির অ্যাভারেজ ইন্টারেস্ট ছিল ১৩ শতাংশ।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গুগলে জামাত, জামায়াতের, জামায়াত, jamaat, জামায়াতে ইসলামী, jamaat islami, jamaat e islami,-এ ধরনের কিওয়ার্ড ব্যবহার করে দলটি নিয়ে সার্চ করেছেন ব্যবহারকারীরা। এই সময়ে গুগল ট্রেন্ডসে জামায়াতে ইসলামীর অ্যাভারেজ ইন্টারেস্ট ছিল ৬৮ শতাংশ।

সবচেয়ে বেশি সার্চ হওয়া রাজনৈতিক দল হিসেবে গুগল ট্রেন্ডসে শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। বিএনপি, bnp, বিএনপির, বি এন পি, bnp bangladesh, নির্বাচন, বিএনপি জোটসহ নানা কিওয়ার্ড ব্যবহার করে দলটি নিয়ে গুগলে অনুসন্ধান করা হয়েছে। আলোচ্য সময়ে গুগল সার্চে বিএনপির অ্যাভারেজ ইন্টারেস্ট ছিল ৮৭ শতাংশ।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ফলোয়ার সংখ্যার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। দলটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে রয়েছে ৪ দশমিক ৭৩ মিলিয়ন ফলোয়ার। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ফলোয়ার সংখ্যা ৩ মিলিয়ন।

ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) ফেসবুক পেজে রয়েছে ১ দশমিক ৪ মিলিয়ন ফলোয়ার এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অফিসিয়াল পেজে রয়েছে ১ দশমিক ৬ মিলিয়ন ফলোয়ার। এছাড়া গণ অধিকার পরিষদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ফলোয়ার সংখ্যা ৯৯ হাজার ৮০০।